সহকারী শিক্ষক
২৬ নভেম্বর, ২০২৩ ১২:০১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
এক নজরে.......
মীরসরাই এর গর্ব।মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের এমডি,গনমানুষের নেতা
@@রুহেল ভাই@@
১৯৭০ সালের ৮ জুলাই মোশাররফ হোসেন এবং আয়েশা সুলতানা দম্পতির ভুবন আলো করে জন্মগ্রহণ করেন তরুণ প্রজন্মের আইকন মাহবুব রহমান রুহেল । চট্টগ্রামের আলো বাতাস গায়ে মেখে দুরন্ত শৈশব কৈশোর কাটিয়েছেন। সেন্টপ্লাসিড থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান মার্কিন মুল্লুকে । সহপাঠী বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ,জননেত্রী শেখ হাসিনা তনয়,ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয় সহ ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস,আরলিংটন হতে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন । ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি স্কুল অফ ইকোনোমিক্স হতে এমবিএ সম্পন্ন করেন । উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করে আমেরিকার ইউটিলিটিস ইন্ডাস্ট্রিতে কিছুদিন কাজ করেন দেশের শীর্ষস্থানীয় এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ।
?জননেত্রী শেখ হাসিনার উৎসাহে ৯৭ সালের দিকে দেশে ফিরে দেশগঠনে নিজের সর্বাত্মক বিনিয়োগ করেন জনাব রুহেল।দেশে তথ্য প্রযুক্তিখাতে মানবসম্পদ এর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয় মিলে গড়ে তুলেন দেশে আন্তর্জাতিক মানের আইটি প্রতিষ্ঠান "বেইজ লিমিটেড" ।বেইজ প্রায় ২০০০ এর অধিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলে যারা দেশে বিদেশে কাজ করছে। এরা বাংলাদেশ আর্মি,ইউএস এইড,নির্বাচন কমিশন সহ সরকারি বেসরকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছে। বিচারবিভাগ,আল কোরআন ডিজিটাইজেশনে "বেইজ লিমিটেড" ভূমিকা রেখেছে।
?২০০১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর অফিসিয়াল সাইট www.albd.org এর ডোমেইন নেন মাহবুব রহমান রুহেল। জনাব রুহেল নিভৃতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে একাগ্রচিত্তে কাজ করে যাচ্ছেন।
?২০০৮ সালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপকল্পের নেপথ্য থেকে কাজ করেছেন ,২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলেও দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালের দিকে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত "আইসিটি টাস্কফোর্স" এর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করেন প্রধানমন্ত্রীর স্নেহভাজন রুহেল।
?২০০৫ /০৬ সালের দিকে বিএনপি জামাতের দুঃশাসন এর বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে জনমত তৈরিতে কী ভূমিকা রেখেছিলেন তা তৎকালীন সচেতন মহল ওয়াকিবহাল আছেন। ১ কোটি ২০ লক্ষ ভুয়া ভোটার ছিল বিএনপির জাল ভোট ব্যাংক। সে পরিস্থিতিতে উত্তরণে একটা রুপরেখা দেখিয়েছিলেন আইটি বিশেষজ্ঞ মাহবুব রহমান রুহেল। যার ফলশ্রুতিতে যুক্ত হয় ছবিযুক্ত সংশোধিত ভোটার তালিকা,বাদ পড়ে ১ কোটি ২০ লাখ ভুয়া ভোটার। সেই সংশোধিত ভোটার তালিকায় অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ।
?২০০৪ সালে অশ্লীলতার দাপটে একেরপর এক হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল তখন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে গড়ে তুলেন দেশের ১ম আন্তর্জাতিক মানের মাল্টিপ্লেক্স "স্টার সিনেপ্লেক্স" যা সিনেমা ইন্ড্রাস্ট্রিতে আশার আলো জাগিয়ে তুলে। তরুণদের অন্যতম সুস্থ বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়।চবিয়াল প্রডাকশন এর সাথে প্রযোজিত সিনেমা "টেলিভিশন" অনেক আন্তর্জাতিক পুরষ্কার অর্জন করে । তার প্রযোজিত সিনেমা ' ন ডরাই ' দেশেবিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ছয়টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার জয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার বিজয়ী জনাব রুহেল।
?২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়ে বিপুল সাড়া জাগান মাহবুব রহমান রুহেল। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এর প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর "প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট" হিসেবে মিরসরাইতে ভোটারদের মাঝে রীতিমত গণজাগরণ তৈরি করেছেন তরুণদের নিয়ে।
?প্রাচ্যের সংস্কৃতি এবং পাশ্চাত্যের বহুজাতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রুহেল মিরসরাইবাসীকে অন্তকরনে ভালোবাসেন। নিয়মিত তাদের কাছে ছুটে যান ভালোবাসার ফেরি নিয়ে। তরুণদের কে মাদকমুক্ত করতে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
?২০১২ সালে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের "বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক" সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মাহবুব রহমান রুহেল,বর্তমানে সদস্য হিসেবে কাজ করছেন ।উন্নয়ন ভাবনা ,উদ্ভাবনী কার্যক্রম,বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনৈতিক চিন্তাধারার কারণে মিরসরাইতে দলমত নির্বিশেষে সকলের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে অগ্রণী সৈনিকের ভুমিকা পালন করছেন জনাব রুহেল।
?২০১০ সালের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিরসরাই মহামায়া প্রকল্প উদ্বোধন করতে আসলে জনাব রুহেল মিরসরাই ইকোনমিক জোনের একটি স্পস্ট ম্যাপ বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর মাধ্যমে উনার কাছে তুলে ধরেন । ওইদিন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর দাবিতে "মিরসরাইতে ইকোনমিক জোন" নির্মাণ এর ঘোষণা দেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাকি ইতিহাস সবার জানা। এই মিরসরাইতে ৪০ হাজার কোটি টাকার দেশের সর্বোচ্চ একক বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে।অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের হিসেবে ৫০ লাখ লোকের চাকরির সংস্থান হবে এখানে।চট্টগ্রামের গর্ব পোর্ট এবং মিরসরাই ইকোনমিক জোন দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে।
?প্রধানমন্ত্রী যখন কৃষি জমি রক্ষার বক্তব্য দিলেন তখন পোড়াইটের বিকল্প হিসেবে চালু করলেন পরিবেশ বান্ধব ইকোব্লক উৎপাদনের।
?নিভৃতচারী মাহবুব রহমান রুহেল ১৯৯৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগের জন্য নিরলস কাজ করছেন ।মিরসরাইতে মানুষের পাশে থেকে হৃদয় জয় করে, ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও নির্মোহ তিনি।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সজীব ওয়াজেদ জয়,রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির পাশে মিরসরাই এর এমন একজন ডায়নামিক নেতা পাওয়া মিরসরাইবাসীর জন্য আশির্বাদস্বরুপ ।মিরসরাই ইকোনমিক জোনের পরিপুর্ণ গঠনে তিনিই একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি।
যিনি ধুধু চরে স্বপ্ন একেছিলেন একদশক পূর্বে,বন্ধ্যাজমিতে এনেছিলেন বিদেশী বিনিয়োগকারীদের।
?কিছুদিন পূর্বে জাতিসংঘের মহাসচিব এবং বিশ্বব্যাংক এর প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের দুর্দশা চিত্র পরিদর্শনে আসলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূয়সী প্রসংশার পাশাপাশি রোহিঙ্গদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জোরালো আবেদন জানান।
?বৈশ্বিক করোনা সংক্রমনের শুরুতে সচেতনতা তৈরি,সংক্রমন রোধে ঘরে থাকা মানুষদের মাঝে নিয়মিত খাবার পৌঁছে দিয়েছেন মিরসরাইতে,কক্সবাজারে।
পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত সচেতনতা তৈরি করছেন।
? ২০১৯ সালে তিনি মিরসরাইতে ১ লক্ষ গাছের চারা রোপন করেন। প্রতিনিয়ত পরিবেশ এর প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত করছেন তরুণদের মাঝে।
মাদক এর বিস্তার রোধে সর্বস্তরে সচেতনতা তৈরি করছেন মাদকের ব্যাপারে তাঁর জিরো টলারেন্স এর কারণে সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়া সত্বেও মাদক বিস্তার লাভ করতে পারছেনা।উনার হাতেই মাদকমুক্ত হওয়ার পথে মিরসরাই। এমন একজন ব্যাক্তিত্বকে নেতা হিসেবে পাওয়া মিরসরাইবাসী তথা চট্টগ্রাম বাসীকে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব সংকটের আশঙ্কা হতে স্বস্তি দেয়।
৭১
১৪৫ মন্তব্য