প্রভাষক
২৭ নভেম্বর, ২০২৩ ০৭:২২ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার নকশা
মূলত প্রবর্তিত হয়েছে সেই ব্রিটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল হয়ে
বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর হতে যে সকল শিক্ষা নীতি প্রবর্তিত হয়েছিলো তার উপর
ভিত্তি করে। যা ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ নামে পরিচিত।
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ সালে গভর্নর জেনারেল হয়ে যখন এদেশে আসেন তখন তিনি
শিক্ষা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরিকল্পনা করেন। সে
লক্ষ্যে তিনি তখনকার শিক্ষার অবস্থা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। ১৮২৬ সালে
মাদ্রাজ প্রদেশের গভর্নর স্যার টমাস মনরো আর ১৮২৯ সালে বোম্বে প্রদেশের গভর্নর
মাউন্ট স্টুয়ার্ট এলফিন স্টোন যে রিপোর্ট তৈরি করেছিলেন তা ছিল অসম্পূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য
কোন সূত্রের উল্লেখও তাতে ছিল না। তবে মিশনারি উইলিয়াম অ্যাডাম যিনি ছিলেন
স্কটল্যান্ড প্রবাসী, তিনি স্ব-উদ্যোগে দেশের শিক্ষা পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি
তদন্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ১৮৩৫ সালে বড় লাট তার এই ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ে
বাংলা ও বিহার প্রদেশে দেশীয় শিক্ষা সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার জন্য তাকে শিক্ষা
কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন। ১৮৩৫ থেকে ১৮৩৮ সাল পর্যন্ত জরিপ করে মোট তিনটি রিপোর্ট
সরকারের কাছে তিনি প্রদান করেন। তবে ইংরেজ সরকার অ্যাডামের সুপারিশকৃত দেশীয়
শিক্ষা পদ্ধতি বাতিল করে পাশ্চাত্য শিক্ষা নীতি প্রচলন করেন। দেশীয় শিক্ষাকে তারা
অপ্রয়োজনীয় ও মূল্যহীন মনে করতো এবং তারা চাইতো ইংরেজি শিক্ষাকে এদেশের মানুষের
উপর চাপিয়ে দিতে।
বহুল আলোচিত সেই অ্যাডাম রিপোর্ট থেকে পাকিস্তান হওয়া পর্যন্ত অন্তত আটটি কমিশন,
কমিটি ও সংস্কার প্রতিবেদন তৈরি হয়েছিলো। তার মধ্যে হান্টার কমিশন রিপোর্ট (১৮৮২)
এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (১৯১১) রিপোর্ট
সুপরিচিত। পাকিস্তান আমলেও (১৯৪৮-১৯৭১) বেশ কয়েকটি শিক্ষা কমিশন ও রিপোর্ট তৈরি
হয়েছিলো। আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন (১৯৫৭), এসএম শরিফ শিক্ষা কমিশন (১৯৫৮), হামুদুর
রহমান ছাত্র সমস্যা ও ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক কমিশন (১৯৬৪), উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া
‘শিক্ষা নীতি’ নামেও দুটি প্রতিবেদন তৈরি হয়েছিলো- এয়ার মার্শাল এম. নূর খানের
নেতৃত্বে পাকিস্তানের নতুন শিক্ষানীতি (১৯৬৯) ও শামসুল হক কমিটি প্রণীত শিক্ষানীতি
(১৯৭০)।
‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ -এর পূর্বে স্বাধীন বাংলাদেশে আরো ছয়টি কমিশন ও কমিটি
রিপোর্ট গঠিত হয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড.
কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম
শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’। এই কমিশন ‘কুদরত-ই-খুদা কমিশন’ নামেও পরিচিতি
পায়। তাছাড়া অন্তবর্তীকালীন শিক্ষানীতি (কাজী জাফর-আবদুল বাতেন প্রণীত- ১৯৭৯),
মজিদ খান কমিশন রিপোর্ট (১৯৮৩), মফিজউদ্দিন শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট (১৯৮৭), জাতীয়
শিক্ষানীতি (২০০০) ও জাতীয় শিক্ষা কমিশন (মনিরুজ্জামান মিয়া) প্রতিবেদন (২০০৩)।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের
লক্ষ্যে কুদরত-ই-খুদা কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট
থেকে মতামত গ্রহণ করে ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রদান করেন।
তবে ১৯৮৩ সালে গঠিত মজিদ খান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। এমনকি এই
কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন উদ্যোগও নেওয়া হয়নি।
কিন্তু ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর মফিজউদ্দীন আহমদকে
প্রধান করে যে শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় তার উপরে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার,
পুনর্বিন্যাস ও উন্নয়নের উপায় সুপারিশের দায়িত্ব দেয়া হয়। এই কমিশন বিভিন্ন
সাক্ষাৎকার, সভা-সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী, রাজনীতিবিদ ও
শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে পরামর্শ ও প্রস্তাব গ্রহণ করে। ১৯৮৮ সালের ২৬
ফেব্রুয়ারি তারা সরকারের কাছে রিপোর্ট প্রদান করে। কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল তিন বছর
মেয়াদী ডিগ্রি কোর্স এবং দুই বছর মেয়াদী মাস্টার্স কোর্স প্রবর্তন এবং ডিগ্রি
কলেজগুলোর অবকাঠামোগত উন্নতি ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা। সে লক্ষ্যে তারা
উচ্চশিক্ষার অগ্রগতি ও উৎকর্ষের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট দিগনির্দেশনা সম্বলিত সুপারিশ
প্রদান করেন।
১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি জারিকৃত এক আদেশের উপর ভিত্তি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম শামসুল হককে চেয়ারম্যান করে ৫৬ সদস্যের একটি
শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়। বাস্তবধর্মী, গণমুখী ও গতিশীল শিক্ষানীতি প্রণয়নের
লক্ষ্যে এই কমিটিটি কাজ শুরু করে। তারা দেশের জন্য উপযোগী একটি শিক্ষা ব্যবস্থা
তৈরির লক্ষ্যে সার্বিক চেষ্টা চালিয়ে যায়। ১৯৯৭ সালে কমিশন রিপোর্ট প্রদান করে।
এরপর এম.এ বারী শিক্ষা কমিশন নামে ২০০১ সালে ড. এম এ বারীর নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ
কমিটি গঠন করা হয় যার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কার
চিহ্নিত করা। শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার ও পরিবর্তনের সুপারিশ করে ২০০২ সালে তারা
রিপোর্ট প্রদান করে।
এম.এ বারী শিক্ষা কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে ২০০৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিয়ার নেতৃত্বে গঠিত শিক্ষা
কমিশন গঠিত হয় যার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার
সাধন। ২০০৪ সালের মার্চ মাসে এই কমিশন সরকারের কাছে রিপোর্ট প্রদান করে। সাধারণ
শিক্ষা, পেশাগত শিক্ষা, বিশেষায়িত শিক্ষা- তিন ভাগে বিভক্ত এই রিপোর্টে সর্বমোট
৮৮০ টি সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়।
স্বাধীনতার পর এরকম বেশ কয়েকটি শিক্ষা কমিশন ও কমিটি গঠিত হলেও বাংলাদেশে এর আগে
২০০০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি ছাড়া কোন শিক্ষানীতি প্রবর্তিত হয়নি। তবে সেটিও
২০০১ সালের পর আর বাস্তবায়ন করা হয়নি।
বাস্তবায়িত না হওয়া ২০০০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিকে যুগোপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে
২০০৯ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবির চৌধুরীকে চেয়ারম্যান ও ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমদকে কো-চেয়ারম্যান
করে ১৮ সদস্যের একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষানীতি
২০১০’ নামের একটি খসড়া সরকারের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করেন যা মূলত ১৯৭৪
সালের কুদরাত-ই-খুদা কমিশন রিপোর্ট এবং ১৯৯৭ সালের শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
রিপোর্টের আলোকে তৈরি হয়েছিলো। তবে এই খসড়া শিক্ষানীতি চূড়ান্ত না করে জনগণের
মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ফলে
প্রচার মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা পর্যালোচনা করা, বিভিন্ন আলোচনা সভা ও সেমিনার করে
মতামত গ্রহণ সহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের মতামত নিয়ে খসড়া শিক্ষানীতিকে আরও
সংশোধন সংযোজন করার মাধ্যমে চূড়ান্ত আকারে প্রণয়ন করা হয়।
‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’- এ স্পষ্ট করে দুটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়-
১. এটা কোন দলীয় শিক্ষানীতি নয়- জনগণ তথা জাতির আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন
ঘটিয়ে তৈরি করা হয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি।
২. শিক্ষানীতি কোন অপরিবর্তনীয় বিষয় নয়, এর পরিবর্তন ও উন্নয়নের পথ সব সময়ে
উন্মুক্ত থাকবে। কোন ভুল-ত্রুটি হলে তা সংশোধন করা যাবে।
তাছাড়া আরও বেশকিছু নির্দেশনা, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। বৈষম্যের অবসান
ঘটিয়ে সকলের জন্য শিক্ষার অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা বর্তমান শিক্ষানীতির মৌলিক
লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’-এ এমনটাই বলা হয়েছে। এছাড়াও সকলের
জন্য মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা, কম্পিউটারসহ আধুনিক প্রযুক্তি ও
তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা লাভ এবং তা আয়ত্ত ও প্রয়োগ সর্বাধিক গুরুত্বের সহিত
দেখা হয়েছে। নিরক্ষরতা দূরীকরণ থেকে শুরু করে সর্বাধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষাদান এই সবকিছু একই গুরুত্বের সঙ্গে দেখাই বর্তমান শিক্ষানীতির লক্ষ্য।
তবে বর্তমানে যে শিক্ষানীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা বা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে শিক্ষা
কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা নিয়ে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মতামত। শিক্ষাবিদদের মধ্যে
অনেকেই বলছেন যে, ‘বর্তমান শিক্ষানীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার দরকার।’ এ বিষয়ে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেছেন, ‘উন্নত
প্রযুক্তি ও শ্রমশক্তির কল্যাণে উৎপাদন ও সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু নৈতিক চেতনা
নিম্নগামী হওয়ার ফলে সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ মানবিক গুণাবলি হারিয়ে
চলছে। এ অবস্থায় জাতীয় শিক্ষানীতি এ শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রের অন্য সব
ব্যবস্থারও সংস্কার দরকার।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় শিক্ষানীতিতে (২০১০) কী লেখা
আছে সেটা এখন আর বড় কথা নয়, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও তার উন্নতির লক্ষ্যে সরকার
কী করছে, বাস্তব শিক্ষাব্যবস্থার রূপ ও প্রকৃতি কেমন দেখা যাচ্ছে, সেটাই বড় কথা।’
(জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০, পর্যালোচনা মন্তব্য ও পরামর্শ, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক
পরিষদ, ঢাকা, ৬ ডিসেম্বর ২০১০, পৃ.৪, ১৬) –তে বলা হয়, ‘‘ইতোপূর্বেকার
কুদরাত-ই-খুদা ও শামসুল হক শিক্ষা কমিশনে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা গুরুত্ব না পাওয়ায়
বরাবরই এ-জাতি সে বিষয়ে আপত্তি তুলেছে। বর্তমানে প্রণীত শিক্ষানীতি ২০১০-কেও খুদা
এবং হক কমিশনেরই প্রতিরূপ (replica) বলে মনে হয়েছে। এজন্যই এ শিক্ষানীতিতে অনেক
ভাল প্রস্তাব থাকার পরও জাতি তা মেনে নিতে প্রস্তুত বলে মনে হয় না।’’ তারা আরো
বলেন, ‘‘ — — এ শিক্ষানীতি বাস্তবায়িত হলে
একজন সাধারণ ধারার শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবনের সূচনা হতে প্রকৃত ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ
করা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবে। তাই দেশ ও
জাতির স্বার্থে এ-শিক্ষানীতি কোন অবস্থাতেই বাস্তবায়িত হতে পারে না।’’
অন্যদিকে সরকার, সরকারি নীতিনির্ধারক পর্যায়ের লোকজন এবং শিক্ষা কমিশনের
সদস্যরা বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতিকে দেখছেন এক যুগান্তকারী সফলতা হিসেবে।
তবে বাস্তব চিত্র, বিভিন্ন শিক্ষাবিদগণ কিংবা সাধারণ মানুষের মধ্যে বর্তমান শিক্ষা
কমিশন দ্বারা গৃহীত শিক্ষা পদ্ধতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েই গেছে। শিক্ষা কমিশন
যে নীতিই গ্রহণ করুক না কেন যদি তার বাস্তব প্রয়োগ না করা যায় তবে তার কোন বাস্তব মূল্যই
থাকে না। নৈতিকতা, মূল্যবোধ সৃষ্টির উপযোগী শিক্ষাক্রম যে দেশে নেই সে দেশের
শিক্ষা কোনদিন প্রকৃত মানুষ তৈরি করতে পারে না। তাই আমাদের উচিত শিক্ষা পদ্ধতির
গভীরে ঢুকে যুক্তিযুক্ত এবং সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশকে সামনে এগিয়ে
নিয়ে যাওয়া।
তবে সত্য বলতে কি, একটা দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অবশ্যই
শিক্ষানীতি দরকার ।
যেহেতু বর্তমান সরকার একটি শিক্ষানীতি উপস্থাপন করেছে সেহেতু, শিক্ষক হিসেবে আমরা
সেটাকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।
০
০ মন্তব্য