Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ নভেম্বর, ২০২৩ ০৯:৫১ অপরাহ্ণ

খ্রিষ্টমন্ডলী এক ও সার্বজনীন।

খ্রিষ্টমন্ডলী এক ও সার্বজনীন



১। প্রতিষ্ঠাতা: খ্রিষ্টমণ্ডলী তার একমাত্র প্রতিষ্ঠাতার কারণে এক। ঈশ্বরের পরিকল্পনায় ঈশ্বরপুত্র যীশু খ্রিষ্টের মধ্য দিয়ে মণ্ডলীর সূচনা। প্রভু যীশু মণ্ডলীর কর্ণধার। তিনি এই মণ্ডলীকে পরিচালনার জন্য শক্তি, সাহস মনোবল প্রতিনিয়ত দান করছেন। তাঁরই তত্ত্বাবধানে দিকনির্দেশনায় আমরা সবাই একতাবদ্ধ। তিনি তাঁর পিতার ইচ্ছাই মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য দিয়ে পূরণ করেছেন। গড়ে তুলেছেন এক পবিত্র জনসমাজ

২। আত্মা: খ্রিস্টমণ্ডলী তাঁর আত্মার কারণে এক। প্রভু যীশু খ্রিষ্ট পঞ্চাশত্তমী দিনে তাঁর মন্ডলীর ওপর আত্মাকে দান করেছেন। এক আত্মর কারণেই মণ্ডলীর সূচনা থেকে জগতের শেষ অবধি মন্ডলী একতার সন্ধানে পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। একই আত্মার আবেশে আবিষ্ট হয়ে খ্রিষ্টমন্ডলীতে আত্মিকভাবে সবাই একই মন্ডলীর অঙ্গপ্রতঙ্গ।

৩। ভালোবাসা: খ্রিষ্টমণ্ডলী তাঁর ভালোবাসার কারণে এক। পিতা-ঈশ্বর পুত্র-ঈশ্বরের ভালোবাসার মধ্য দিয়েই আত্মর প্রকাশ ঘটেছে এবং আত্মর বশবর্তী হয়েই মণ্ডলীর জন্ম বা সূচনা। একই ভালোবাসা * খ্রিস্টভক্তগণ একে অপরের প্রতি প্রদর্শন করার মধ্য দিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একতাবদ্ধ।


৪। বিশ্বাস, সাক্রামেন্ত প্রৈরিতিক উত্তরাধিকার: খ্রিষ্টমন্ডলী এক তার দৃশ্যমান মিলনবন্ধন বিশ্বাস,
সংস্কার প্রৈরিতিক উত্তরাধিকারের মধ্য দিয়ে। খ্রিষ্টমন্ডলীতে বিশ্বাস এক। একই সৃষ্টিকর্তায় আমরা বিশ্বাস করি। একই সংস্কারীয় অনুগ্রহে আমরা অনুগ্রহভাজন এবং পবিত্র আত্মার নেতৃত্বে খ্রিস্টভক্ত হিসেবে আমরা সবাই পরিচালিত।


 

মন্তব্য করুন