Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:১৩ অপরাহ্ণ

স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১ (Smart Bangladesh Vision 2041)

স্মার্ট বাংলাদেশ

১৯৭৩ সাল। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ। চরম খাদ্য সংকট, বিধ্বস্ত পরিবহন ব্যবস্থা, রিজার্ভ শূন্যতা, বৈদেশিক বাণিজ্যের করুণ দশা। সেই রুগ্ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরামর্শদাতা হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত অর্থনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মাত্র এক বছর আগে শূন্য রিজার্ভ নিয়ে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। এই পরিস্থিতিতেই ইউএস সেক্রেটারি অব স্টেট হেনরি কিসিঞ্জার তুচ্ছ করে বলেন ‘বাংলাদেশ একটা তলাবিহীন ঝুড়ি’। অর্থনৈতিক অবস্থা এতই ভংগুর ছিল যে, তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন সদ্যোজাত বাংলাদেশটি বাঁচবে কি না! ইউএস অর্থনীতিবিদ ঐড়ষষরং ই. পযবহবৎু বাংলাদেশের ভবিতব্য বলতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশের ১২৫ বছর প্রয়োজন হবে এর জনগণের মাথাপিছু আয় ৭০ ডলার থেকে ৯০০ ডলারে পৌঁছতে। আলহামদুল্লিাহ! শত্রæর মুখে ছাই দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদুর্শতায় মাত্র  ৫২ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে ২৮২৪ ডলার। বাংলাদেশ পৃথিবীকে এখন ভিন্ন গল্প শোনায় Ñ সেই গল্প উন্নয়নের, সেই গল্প সফলতার। বাংলাদেশ এখন অন্যান্য দেশের জন্য উন্নয়নের মডেল। বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুর বলেনঃ ইধহমষধফবংয যধং নবপড়সব ড়হব ড়ভ অংরধ'ং সড়ংঃ ৎবসধৎশধনষব ধহফ ঁহবীঢ়বপঃবফ ংঁপপবংং ংঃড়ৎরবং রহ ৎবপবহঃ ুবধৎং. ২০১৮ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে তিনি লিখেছেন- অং ধ ৎবংঁষঃ ড়ভ ঢ়ৎড়মৎবংংরাব ংড়পরধষ ঢ়ড়ষরপবং ধহফ ধ নরঃ ড়ভ যরংঃড়ৎরপধষ ষঁপশ ইধহমষধফবংয যধং মড়হব ভৎড়স নবরহম ড়হব ড়ভ ঢ়ড়ড়ৎবংঃ পড়ঁহঃৎরবং রহ ংড়ঁঃয অংরধ ঃড় ধহ ধংঢ়ৎরহম 'ঞরমবৎ' বপড়হড়সু. নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতাকে প্রশংসা করেছেন। জনগণের উন্নয়ন, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নয়নে ভারত সরকারকে তিনি বাংলাদেশকে অনুসরণ করার জন্য বলেছেন। কলকাতা প্রেস ক্লাবে তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে’। বাংলাদেশ এশিয়ার অপ্রত্যাশিত সাফল্যগাথা।

আমাদের পূর্বপুরুষরা সমৃদ্ধ ছিলেন, ব্রিটিশ শাসন ও ২৩ বছরের বৈষম্যমূলক পাকিস্তানি শাসন আমাদের দারিদ্র্যের চরম সীমায় পৌঁছে দেয়। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমাদের মাটি আছে, মানুষ আছে। বঙ্গবন্ধুর সেই অমর বাণী আজ সত্য হয়েছে ‘আমাদের দাবায়া রাখতে পারবা না’।

বাংলাদেশ এখন খউঈং থেকে উত্তরণ হয়েছে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ আমাদের উন্নয়ন গাথার অংশীদার হয়ে গর্ববোধ করে। তারা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সুন্দর ছবি আঁকে। পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্প বাংলাদেশে নিজস্ব অর্থায়নে শেষ হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নামে নিজস্ব স্যাটেলাইট মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ, ঢাকার বুকে মেট্রোরেল ও কর্নফুলিতে টানেল চালু হয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অচিরেই চালু হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট কর্তৃক ঞযব ঃড়ঢ় যবধাু মষড়নধষ বপড়হড়সু শিরোনামে প্রতিবেদন মতে, বিশ্বে বাংলাদেশ এখন ৩৫তম শীর্ষ অর্থনীতির দেশ।


নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা দেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঘোষণা দেন। ঘোষণায় বলা হয়, ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশ পরিণত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশে।

মানীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিাটাল বাংলাদেশ ভিশন বাংলাদেশকে ভীষণভাবেই অলংকৃত করেছে। ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রথম হাই-টেক পার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বর্তমানে হাই-টেক পার্কের সংখ্যা ৩৯টি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল ফোনের মনোপলি ভেঙে তা মানুষের কাছে সহজলভ্য করেন। 

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা দেশের সব মানুষের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তোলার ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।


বর্তমানে সারা দেশে ৮ হাজার ২৮০টি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ৩ শতাধিক সরকারি-বেসরকারি সেবা জনগণ গ্রহণ করতে পারছে। মানুষ এখন বিশ্বাস করে, ঘরের কাছেই সকল ধরনের সেবা পাওয়া সম্ভব। মানুষের এই বিশ্বাস অর্জন ডিজিটাল বাংলাদেশের পথচলায় সবচেয়ে বড় পাওয়া। 

বর্তমান সরকার দায়িত্ব লাভ করার আগে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের দাম ছিল ৭৮ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতি এমবিপিএস ৩০০ টাকার নিচে।

অনলাইন ব্যাংকিং, ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার, এটিএম কার্ড ব্যবহার শুধু ক্যাশলেস সোসাইটি গড়াসহ ই-গভর্নমেন্ট প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখছে তা নয়, ই-কমার্সেরও ব্যাপক প্রসার ঘটাচ্ছে। 


৫২ হাজারেরও বেশি ওয়েবসাইটের জাতীয় তথ্য বাতায়নে যুক্ত রয়েছে ৯৫ লাখেরও অধিক বিষয়ভিত্তিক কনটেন্ট এবং ৬শ ৮৫টির বেশি ই-সেবা সহজেই মানুষ অনলাইনে পাচ্ছে। ৮ হাজার ২৮০টি ডিজিটাল সেন্টার থেকে ৬০ কোটির অধিক এবং জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে ৭ কোটির বেশি সেবা দেয়া হয়। 

২০২৫ সাল নাগাদ যখন শতভাগ সরকারি সেবা অনলাইনে পাওয়া যাবে তখন নাগরিকদের সময়, খরচ ও যাতায়াত সাশ্রয়ের পরিমাণ কী পরিমাণ বাড়বে তা সহজেই অনুমেয়। ই-নথিতে ১ কোটি ৬৭ লাখ ফাইলের নিষ্পত্তি হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৪৭ লাখ ৭১ হাজারের অধিক ই-মিউটেশন সম্পন্ন হয়েছে অনলাইনে।

আইসিটি রপ্তানি ২০১৮ সালেই ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে আইসিটি খাতে রপ্তানি ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অনলাইন শ্রমশক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। 

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্যাটেলাইটের এলিট ক্লাবের সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।


করোনা মহামারিতে যখন গোটা বিশ্ব টালমাটাল, পরিস্থিতি মোকাবিলায় এমনকি উন্নত দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছিল, তখনও সরকারের বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্যোগ মানুষকে দেখিয়েছে নতুন পথ, জুগিয়েছে প্রেরণা। বিগত ১২ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যথাযথ অবকাঠামো গড়ে তোলার ফলে করোনাকালে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক, আদালতের কার্যক্রম, বিজনেস কনটিনিউটি প্লান অনুসারে অফিস, ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রমসহ প্রায় সবকিছুই চলমান রাখা হয়। মহামারির মধ্যেও প্রযুক্তির সহায়তায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু থাকায় তা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখছে। প্রযুক্তির সহায়তায় করোনা সচেতনতা, বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সব ধরনের সেবা দেশের কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে।


দেশব্যাপী লকডাউনে শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম যেন থেমে না যায় সেজন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথউদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা ও সম্প্রচার করা হয়। ভার্চুয়াল ক্লাশ শিক্ষার্থীদের সংযুক্ত রেখেছে সমগ্র মহামারীর সময়টা। 


ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার বাংলাদেশের ঝুলিতে এসেছে জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন অ্যান্ড ভিশনারি অ্যাওয়ার্ড, আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি (ডবিøউএসআইএস) উইটসা, এসোসিও অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

সরকারের বর্তমান লক্ষ্য ২০২৫ সালে আইসিটি রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলার ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান ৩০ লাখে উন্নীত করা এবং সরকারি সেবার শতভাগ অনলাইনে পাওয়া নিশ্চিত করা। 

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যে প্রসার ঘটেছে তাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যেই সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামানের স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ জ্ঞানভিত্তিক উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ অগ্রযাত্রায় আমরা ইতোমধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশ করেই গিয়েছি। দেখুন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখন অর্থ আদান প্রদানের জন্য মোবাইল টেকনোলজি ব্যবহার করেন। ব্যাংকের চেকের পরিবর্তে ব্যবহার করছেন ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড। আমাদের জাতীয় জীবনে প্রযুক্তি নির্ভর অনেক কঠিন কাজ এখন একটি প্রযুক্তির উপর অন্য একটি উন্নত প্রযুক্তি স্থান করে নিয়েছে । আজ থেকে পাঁচ ছয় বছর আগে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে, শহর ও গ্রামে ফ্লেক্সিলোডের দোকান দেখা যেত। দেখা যেত ইনকামিং এবং আউটগোয়িং কল সেন্টার। এখন ফ্লেক্সিলোড করা হয়, এখান থেকে বিদেশে কল করা হয় এমন পোস্টার-সাইনবোর্ড আর দেশের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। এই প্রযুক্তি এখন দখল করে নিয়েছে ক্যাশলেস প্রযুক্তি যেমন, বিনিময়, নগদ, বিকাশ কিউ-ক্যাশ, ইউ-ক্যাশ, এম-ক্যাশ একসেবা.কম। সরকারের অনেক সেবা এখন আমারসরকার.কম থেকে পাওয়া যাচ্ছে। জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে দেশের মানুষ বিনামূল্যে কল করে পাচ্ছেন ডাক্তারি প্রয়োজনীয় টিপস ও স্বাস্থ্য সেবা। মুক্তপাঠ.কম ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে স্কুল কলেজের সম্মানিত শিক্ষকগণ বিনামূল্যে শিক্ষা বিষয়ক ট্রেনিং নিতে পারছেন ।


ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর আর্কিটেকচার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবারের স্বপ্ন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। স্মার্ট বাংলাদেশ-এর  চারটি মূল কথা (১) স্মার্ট সিটিজেন; (২) স্মার্ট গভর্নমেন্ট; (৩) স্মার্ট ইকোনমি এবং (৪) স্মার্ট সোসাইটি।

২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনী বাংলাদেশ। নিশ্চিত হবে স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট  ট্রান্সপোর্টেশন, স্মার্ট ইউটিলিটিজ, নগর প্রশাসন, জননিরাপত্তা, কৃষি, ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা। আগামীর বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার যেখানে প্রতিটি জনশক্তি স্মার্ট হবে,  প্রতিটি কাজ অনলাইনে করতে শিখবে, ইকোনমি হবে ই-ইকোনমি যাতে সম্পূর্ণ অর্থ ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল ডিভাইসে করতে হবে। ‘আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মযোগ্যতা’ সব কিছুই ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে হবে। ই-এডুকেশন, ই-হেলথ, ই-কৃষিসহ সব কিছুতেই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে।


পৃথিবীতে এমন কোনো হতাশা জন্ম নেয়নি যা আশা ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে অতিক্রম করা যায় নি। আশা হলো এমন একটি বিশ্বাস, যা মানুষকে অর্জনের দিকে নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু আশা করেছিলেন, স্বপ্ন দেখেছিলেন, সোনার বাংলা গড়ার। সেই স্বপ্ন আজ সার্থক তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিচর্যায়। আশা কখনো মিথ্যা হয় না, যদি লক্ষ্য থাকে সঠিক। 


মন্তব্য করুন

ব্লগ