Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০১:০১ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজার সিটি কলেজ ও একজন ক্য থিং অং

কক্সবাজার সিটি কলেজ এবং একজন ক্য থিং অং।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শহর কক্সবাজর। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত এশহর পুরো বিশ্বের মানুষের জন্য এক আশ্চার্যের, আনন্দের, শান্তির এবং একটুকরো প্রশান্তির।

পাহাড়-নদী-সাগর বিধৌত এ শহরে এমন কিছু নেই যা আপনি পাবেন না। একপাশে বঙ্গোপসাগরের বিশাল জলরাশি  তথা প্রকৃতির লবণের ভান্ডার সাথে মৎস্যভান্ডার। তার সাথে রয়েছে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে গড়ে ওঠা বিশাল বিশাল স্থাপনা, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত যেখানে অহর্নিশি দেশি-বিদেশী পর্যটকের আনাগোনা। না-চাইতেই কর্মসংস্থান, অন্যপাশে বন-বনানী, ঘর থেকে দু'পা ফেললেই রুটি-রুজির ব্যবস্থা।

এখানে রয়েছে বাংলাদেশের একমাত্র ডিজিটাল দ্বীপ মহেশখালী, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম তীর্থস্থান আদিনাথ মন্দির, মনোরঞ্জক কুতুবদিয়ার বাতিঘর, শতবছরের ঐতিহ্য রামুর বৌদ্ধ মন্দির, টেকনাফের মার্টিনের কূপ, অন্যতম কোরাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন এবং সোনাদিয়ার মতো পর্যটন এরিয়া।

প্রকৃতির এই আশির্বাদ মানুষকে প্রাচূর্য্য দিলেও কক্সবাজারের মানুষকে পিছিয়ে রেখেছিলো শিক্ষা-দীক্ষা থেকে।যার ফলশ্রুতিতে এক সময় বাংলাদেশে সর্বনিম্ন শিক্ষার হার ছিল কক্সবাজার জেলা। 

একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতা, ঠিক তেমনি অন্যদিকে জনবিস্ফোরণে সংকুচিত হতে থাকে কর্মক্ষেত্র।মানুষ অনুধাবন করতে শুরু করে আধুনিক কর্মযুদ্ধের সুযোগ্য সৈনিক হতে হলে উচ্চ শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।

কক্সবাজারকে বিশ্বপরিমন্ডলে পরিচিত করার মানসে, বিশ্ব নেতৃত্ব তৈরির অঙ্গীকার নিয়ে আজ থেকে ২৫ বছর আগে, কক্সবাজারে শিক্ষার দ্বীপশিখা জ্বালাতে বেশ কয়েকজন মানব হিতোষী ব্যক্তিবর্গের নিরলস প্রচেষ্টায় ১৯৯৩ সালের ২৯ জুলাই কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রঃস্থল আলীরজাহালে কক্সবাজার সিটি কলেজের অগ্রযাত্রার শুরু হয়েছিল এজনপদের মানুষের দৌড়গোড়ায় উচ্চশিক্ষার আলো পৌছাতে।


উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ মিলে মাত্র ৬১ জন শিক্ষার্থী, ৯ জন শিক্ষক ও ৭ জন কর্মচারী নিয়ে বাহারছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে প্রথম পাঠদান শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। কালের পরিক্রমাই দীর্ঘ চড়াই উৎরায় পেরিয়ে কক্সবাজার সিটি কলেজ আজ কক্সবাজার জেলার শীর্ষ বিদ্যানিকেতনে পরিণত হয়েছে।


প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলেজটি গুটি গুটি পা পা করে এগিয়ে যেতে থাকলেও মূলতঃ কলেজের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয় শিক্ষাবন্ধু খ্যাৎ বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর ক্য থিং অং যখন দায়িত্ব নেন তখন অর্থাৎ ২০০০ সাল পরবর্তীতে।

 

অধ্যক্ষ ক্য থিং অং তাঁর দক্ষতা,  বিচক্ষণতা, দৃঢ়চেতা মনোবল নিয়ে নিজের সবটুকু দিয়ে সেই ছোট্ট উচ্চ মাধ্যমিক কলেজটিকে আজ দেশের অন্যতম উচ্চ বিদ্যাপীঠে পরিণত করেছেন এবং করে চলছেন।তারই হাত ধরে কক্সবাজার সিটি কলেজ প্রথমে স্নাতক কলেজে পরে স্নাতকোত্তর কলেজে পরিণত হয়।

 

২০০৯ সালে অধ্যক্ষ স্যারের সহযোদ্ধা, তারই সহধর্মিণী , কক্সবাজার জেলার সাবেক সাংসদ অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন ১ম বারের মতো জিবির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে কলেজটি প্রবেশ করে ডিজিটাল যুগে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি মহোদয়, বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী  প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদের সহযোগিতায় উচ্চ শিক্ষা প্রসারে অধ্যক্ষ ক্য থিং অং "সমাজবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা" বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করার মধ্যেদিয়ে কলেজকে স্নাতক (সম্মান) স্তরে উন্নীত করেন। সেই থেকে যাত্রা শুরু, আর পিছনে ফিরে থাকাতে হয় নাই। এক এক করে বর্তমান সময়ের আলোচিত "ট্যূরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং" এ দুটি বিষয়ে "প্রফেশনাল অনার্স" কোর্স এবং পদার্থবিজ্ঞান, বায়োকেমেস্ট্রি এন্ড মলিকিউলার বায়োলজী, বাংলা, ইংরেজি, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, সমাজবিজ্ঞান,  রাষ্ট্ররবিজ্ঞান, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংসহ মোট ১৩টি বিষয়ে রিগুলার অনার্স, ৯ টি বিষয়ে (সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্ররবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, বাংলা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং ট্যূরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট) প্রিলিসহ মাস্টার্স,  থিয়েটার স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালের আন্ডারে একমাত্র কলেজ), স্নাতক পাস কোর্সে (বিএ, বিএসএস, বিবিএ), উচ্চ মাধ্যমিকে ( বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা), কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের আন্ডারে ব্যবসায় ম্যানেজমেন্ট(বিএম), বাউবি - স্নাতক পাস কোর্সে (বিএ, বিএসএস), ৫টি বিষয়ে (এইচআরএম, তথ্য ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং ও ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং) স্নাতক সম্মান কোর্স   এবং এইচএসসি লেভেলে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় পাঠদান করানো হয়। 

দেশের শীর্ষস্থানীয় কলেজের মতো উন্নত পাঠাগার(প্রায় ২০ হাজার বই), প্রত্যেকটি বিভাগে নিজস্ব সেমিনার,  পদার্থবিজ্ঞান ও বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকিউলার বায়োলজী, ICT (ICT ল্যাব ৪ টি) ও CSE বিষয়ে অত্যাধুনিক উন্নত বিজ্ঞানাগারে স্বয়ংসম্পূর্ণ কক্সবাজার সিটি কলেজ। এছাড়াও কলেজের অবকাঠামোর কথা যদি বলতে হয় সে ক্ষেত্রে দুটি ছয় তলা বিশিষ্ট ভবন, একটি চারতলা বিশিষ্ট ভবন, একটি তিনতলা বিশিষ্ট ভবন, একটি দুইতলা বিশিষ্ট লাইব্রেরী ভবন, দুটি টিনশেড একতলা ভবন, মনোরম সৌন্দর্য্য বেষ্টিত শহীদ মিনার ও বাঙ্গালী জাতির জনক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুর ভাস্কার্যে সমৃদ্ধ কক্সবাজার সিটি কলেজ।


এছাড়াও কক্সাবাজার সিটি কলেজের  প্রায় প্রতিটি ক্লাসরুম,  ল্যাব এবং বিভগীয় অফিস রুম শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এবং ২৫টি শ্রেণিকক্ষে টিভি সিস্টেমের ডিজিটাল বোর্ডে (প্রতিটি ৬০ ইঞ্চি) সমৃদ্ধ অত্যাধুনিক এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বর্তমানে দেশের এ স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠে অধ্যয়নরত প্রায় ১২০০০ শিক্ষার্থীর সেবায়, কর্মরত আছেন প্রায় ১৬০ জন শিক্ষক এবং ৪০ জনের মতো কর্মচারী-কর্মকর্তা।


কক্সবাজার সিটি কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস। এটি ১০৪ টি সিসি ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন স্বয়ং অধ্যক্ষ মহোদয়, কলেজে পাঠদানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেখানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ যোগাতে অধ্যক্ষ  মহোদয় সব সময় উপস্থিত থাকেন।


কলেজে কখনো শিক্ষার্থীরা অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হয় না, যদিও বা হয় তবে সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে বিহিত ব্যবস্থা নিতে পিছপা হন না ১২০০০ শিক্ষার্থীর অভিভাবক।


সাম্প্রতিক করা র্যাংকিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ২২৬০ কলেজের মধ্যে ১৯ তম র্যাং অর্জন করায় বিশ্বব্যাংক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আওতাধীন ,সিইডিপি (CEDP) প্রজেক্টের মাধ্যমে ৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলমান। কলেজে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান রাখার জন্য কলেজ ক্যাম্পাসে ১.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে  একটি পাওয়ার স্টেশনের কাজ কাজ চলমান।


গত ২০২০ সালে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উচ্চ বিদ্যাপীঠ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপচার্য,  বাংলাদেশের অন্যতম রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. হারুন অর রশিদ,  কক্সবাজার সিটি কলেজ পরিদর্শনে আসেন এবং কক্সবাজার সিটি কলেজের সার্বিক উন্নতি ও সুন্দর ব্যবস্থাপনা দেখে তিনি মুগ্ধ হন এবং অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রশংসা করেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে অর্থাৎ ২০২১ সালের ১২ই অক্টোবর বর্তমান ভিসি প্রফেসর মশিউর রহমান এবং CEDP  প্রজেক্টের AD  ড. এ কে এম মুখলেচুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব), সারা বংলাাদেশ থেকে আগত প্রায় ২২ টি কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ প্রায় ৬০ জনের একটি বহর নিয়ে CEDP প্রজেক্টের একটি জাতীয় কর্মশালা আয়োজনের উদ্দেশ্যে  কক্সবাজার সিটি কলেজে আগমণ করেন, এবং কলেজ ব্যবস্থনপনা ও কলেজের উন্নতি দেখে তারা আভিভূত। সর্বোপরি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসাবে  যোগদানের পর ড. মশিউর রহমানে এটাই প্রথম কোন কলেজ পরিদর্শন।


ভৌগলিগত  ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে কক্সবাজার দেশের প্রধান পর্যটন জেলা।এই জেলায় বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষারয় কক্সবাজার সিটি কলেজকে জেলার শীর্ষে নিয়ে যেতে অগ্রণী ভূমিকা একজন নির্ভীক যোদ্ধা, সময়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবন্ধু, শিক্ষাবান্ধব অধ্যক্ষ, সময়ের অগ্রদূত, দৃঢ়চেতা পথনির্দেশক, নির্ভিক মাঝি অধ্যক্ষ ক্য থিং অং, অধ্যক্ষ মহোদয়ের সব সময়ের সারথি, আধুনিক কক্সবাজার সিটি কলেজের রুপায়নের অন্যতম স্বপ্নসারথি উপাধ্যক্ষ আবু মো: জাফর সাদেক এবং তাদের এক ঝাঁক স্বপ্ন সারথি শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষাবান্ধব গভর্নিং বডি।


সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বৈশ্বিক বিপর্যয় করোনায় যখন পুরো পৃথিবী স্থদ্ধ, তখন অন্যান্য সব কিছুর মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে যায়। তখন শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে অধ্যক্ষ ক্য থিং অং গত ২০২০ সালে ২০ শে এপ্রিলে সকল শিক্ষকদের নিয়ে বসেন এবং অনলাইন ক্লাসের পরামর্শ দেন। অধ্যক্ষ মহোদয়ের পরামর্শে সম্মানিত শিক্ষক মহোদয়গণও স্বত:স্ফুর্তভাবে এগিয়ে আসেন এবং কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রায় সকল শিক্ষক অনলাইনে নিয়মিত পাঠদান চালু রাখেন।


অধ্যক্ষ মহোদয়ের উৎসাহ, অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে আমি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে এবং পদার্থবিজ্ঞান সম্মান শ্রেণির ১ম ও ২য় বর্ষের  বিভিন্ন কোর্সের উপর প্রায় ৪০০+ অনলাইন ক্লাস সম্পাদন করেছি। অনলাইন ক্লাসের ত্রিপল সেঞ্চুরি উদযাপনের দিনে (১৬ নভেম্বর ২০২০)  অধ্যক্ষ ক্য থিং অং আমাকে "হিরো অফ দ্যা সিটি কলেজ" উপাধীতে ভূষিত করেন। তৎকালীন সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন ক্লাস  সম্পাদনের  সারা বাংলাদেশ থেকে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের যে ৩১ জন শিক্ষককে সিলেক্ট করেন, তার মধ্যে আমিও একজন এবং আমিই ছিলাম একমাত্র বেসরকারী কলেজের শিক্ষক।


আজ যদি দেশের প্রত্যেকটি কলেজে অন্তত একজন ক্য থিং অং থাকতো তবে প্রত্যেক কলেজই কক্সবাজার সিটি কলেজের মতো  উন্নতির শীর্ষে পৌছে যেত।প্রত্যেকটি শিক্ষাঙ্গন হতো সন্ত্রাস মুক্ত। নতুন প্রজন্ম পেতো জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গঠনের নতুন প্রেরণা এবং গড়ে ওঠতো সাম্য-শান্তির প্রকৃত সোনার বাংলা।


তাই বুক ফুলিয়ে বলি কক্সবাজর সিটি কলেজ তথা আমরা কক্সবাজারবাসী গর্বিত, একজন ক্য থিং অং কে পেয়ে।


জয় হোক কক্সবাজারবাসীর।

জয় হোক কক্সবাজার সিটি কলেজের।

জয় হোক অধ্যক্ষ ক্য থিং অং য়ের।


জাহাঙ্গীর আলম

প্রভাষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ

কক্সবাজার সিটি কলেজ

মোবাইল: ০১৮২২-৯১২৮৪৭

Youtube Channel: #PLARCBD

মন্তব্য করুন

ব্লগ