প্রধান শিক্ষক
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১০:৩১ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
ইউরিয়া প্রয়োগের সাশ্রয়ী পদ্ধতি আসাদুল্লাহ্ সরকার, দিনাজপুর প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ০১: ২০ ফলো করুন ধানখেতে সরাসরি না ছিটিয়ে পাতায় বিশেষ পদ্ধতিতে (পানিতে মিশিয়ে যন্ত্রের সাহায্যে) ছিটালে ইউরিয়া সার স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে ৩০-৩৫ শতাংশ কম লাগে। এতে চাষাবাদের খরচ কমে যায়। বিঘাপ্রতি ধানের ফলনও বাড়ে তিন মণ পর্যন্ত। গত আমন ও বোরো মৌসুমে এই পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা ভালো ফলাফল পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) রাজশাহী বিভাগীয় যুগ্ম পরিচালক আরিফ হোসেন খান ধানখেতে ইউরিয়া সার কম খরচ করে অধিক ফলন পাওয়ার এই বিশেষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।
ধানখেতে সরাসরি না ছিটিয়ে পাতায় বিশেষ পদ্ধতিতে (পানিতে মিশিয়ে যন্ত্রের সাহায্যে) ছিটালে ইউরিয়া সার স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে ৩০-৩৫ শতাংশ কম লাগে। এতে চাষাবাদের খরচ কমে যায়। বিঘাপ্রতি ধানের ফলনও বাড়ে তিন মণ পর্যন্ত। গত আমন ও বোরো মৌসুমে এই পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা ভালো ফলাফল পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) রাজশাহী বিভাগীয় যুগ্ম পরিচালক আরিফ হোসেন খান ধানখেতে ইউরিয়া সার কম খরচ করে অধিক ফলন পাওয়ার এই বিশেষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।
কৃষিবিদ আরিফ হোসেন খান জানান, তিনি এই প্রযুক্তির নাম দিয়েছেন ‘ধান চাষের ইউরিয়া স্প্রে প্রযুক্তি’। ধান চাষে মাটিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করায় ৭০ শতাংশ অপচয় হয়। আর স্প্রে (ছিটানো) করে পাতার মাধ্যমে প্রয়োগ করলে মাত্র ১০ শতাংশ অপচয় হয়। এক কেজি ইউরিয়া সার ধানগাছের পাতায় ছিটালে মাটিতে চার কেজি প্রয়োগের সমান কাজ করে। শুধু ধানই নয়, সব ফসলে এই পদ্ধতিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে সাফল্য পাওয়া যেতে পারে।
আরিফ খান এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সার প্রয়োগের বিষয়ে বলেন, ১৪০ দিন জীবনকালের ব্রি-২৮ জাতের ক্ষেত্রে ধান রোপণের বয়স ৩০ দিন হলে প্রথমবার সার স্প্রে করতে হবে, দ্বিতীয় স্প্রে হবে ৪৫ দিনের সময় এবং তৃতীয়বার স্প্রে করতে হবে ৬০ দিনের সময়। স্প্রের দ্রবণ তৈরি করার জন্য প্রতি লিটার পানিতে ৩৮ গ্রাম ইউরিয়া এবং ১২ দশমিক ৫ গ্রাম এমওপি (পটাশ) সার মিশিয়ে সকাল বা বিকেলে স্প্রে করতে হবে। জমিতে একবার স্প্রে করতে ৪৮ লিটার দ্রবণ ব্যবহার করতে হবে। ১৬ লিটারের এক স্প্রের মেশিনে দ্রবণ তৈরি করতে ৬০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ২০০ গ্রাম পটাশ সার মেশাতে হবে। আর ১৬০ দিন
ষিবিদ আরিফ হোসেন খান জানান, তিনি এই প্রযুক্তির নাম দিয়েছেন ‘ধান চাষের ইউরিয়া স্প্রে প্রযুক্তি’। ধান চাষে মাটিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করায় ৭০ শতাংশ অপচয় হয়। আর স্প্রে (ছিটানো) করে পাতার মাধ্যমে প্রয়োগ করলে মাত্র ১০ শতাংশ অপচয় হয়। এক কেজি ইউরিয়া সার ধানগাছের পাতায় ছিটালে মাটিতে চার কেজি প্রয়োগের সমান কাজ করে। শুধু ধানই নয়, সব ফসলে এই পদ্ধতিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে সাফল্য পাওয়া যেতে পারে।
আরিফ খান এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সার প্রয়োগের বিষয়ে বলেন, ১৪০ দিন জীবনকালের ব্রি-২৮ জাতের ক্ষেত্রে ধান রোপণের বয়স ৩০ দিন হলে প্রথমবার সার স্প্রে করতে হবে, দ্বিতীয় স্প্রে হবে ৪৫ দিনের সময় এবং তৃতীয়বার স্প্রে করতে হবে ৬০ দিনের সময়। স্প্রের দ্রবণ তৈরি করার জন্য প্রতি লিটার পানিতে ৩৮ গ্রাম ইউরিয়া এবং ১২ দশমিক ৫ গ্রাম এমওপি (পটাশ) সার মিশিয়ে সকাল বা বিকেলে স্প্রে করতে হবে। জমিতে একবার স্প্রে করতে ৪৮ লিটার দ্রবণ ব্যবহার করতে হবে। ১৬ লিটারের এক স্প্রের মেশিনে দ্রবণ তৈরি করতে ৬০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ২০০ গ্রাম পটাশ সার মেশাতে হবে। আর ১৬০ দিন
৫৩
৯২ মন্তব্য