মরিচ আমাদের দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। মরিচকে ইংরেজিতে Chili বলা হয়। মরিচ নিত্য ব্যবহৃত মশলা যা তরকারিকে সুস্বাদু করতে বিরাট ভুমিকা রাখে। বাংলাদেরশের প্রায় সব অঞ্চলে মরিচের চাষাবাদ করা হয়। তবে চরাঞ্চালে মরিচের উৎপাদন সবথেকে বেশি হয়ে থাকে।আমাদের দেশের অনেক জেলাতেই বাণিজ্যিকভাবে মরিচ চাষ করা হয়। মরিচের বাজার মূল্যও অনেক। মরিচ চাষের মাধ্যমে আমরা নারী/পুরুষ উভয়ে নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যসস্থা নিজেরাই করে নিতে পারি। তার জন্য মরিচ চাষের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে ভালোভাবে আমাদের জানতে হবে।
ফসল সংগ্রহ
মরিচ গাছে ফুল আসার পর ১৫-২০ দিরে মধ্যে কাঁচা মরিচ তোলা হয়। তবে মরিচের রং লাল হলে সেটিকে তুলে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। হেক্টর প্রতি কাঁচামরিচের ফলন ১০-১১ টন হতে পারে এবং শুকনো মরিচ ১.৫-২.০ টন হয়ে থাকে।
বীজ উৎপাদন
চাষীগণ খুব সহজেই মরিচ বীজ উৎপাদন করতে পারে। বীজ উৎপাদনের সময় খেয়াল রাখতে হবে- যে জাতের মরিচ চাষ করবেন তার চারপাশে অন্তত ১৩০০ ফুটের মধ্যে অন্য জাতের মরিচের গাছ যেন না থাকে।
মরিচ যখন পুষ্ট, পরিপক্ক, এবং উজ্জ্বল লাল রংয়ের হয় তখন বীজ সংগ্রহ করতে হবে। একটি মরিচ থেকে ৭০ থেকে ৭৫ টি বীজ পাওয়া যায়। ১০০০টি বীজের ওজন হয় প্রায় ৫ গ্রাম, একর প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ কেজি বীজ উৎপাদন করা সম্ভব।
ফসল সংগ্রহ
মরিচ গাছে ফুল আসার পর ১৫-২০ দিরে মধ্যে কাঁচা মরিচ তোলা হয়। তবে মরিচের রং লাল হলে সেটিকে তুলে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। হেক্টর প্রতি কাঁচামরিচের ফলন ১০-১১ টন হতে পারে এবং শুকনো মরিচ ১.৫-২.০ টন হয়ে থাকে।
বীজ উৎপাদন
চাষীগণ খুব সহজেই মরিচ বীজ উৎপাদন করতে পারে। বীজ উৎপাদনের সময় খেয়াল রাখতে হবে- যে জাতের মরিচ চাষ করবেন তার চারপাশে অন্তত ১৩০০ ফুটের মধ্যে অন্য জাতের মরিচের গাছ যেন না থাকে।
মরিচ যখন পুষ্ট, পরিপক্ক, এবং উজ্জ্বল লাল রংয়ের হয় তখন বীজ সংগ্রহ করতে হবে। একটি মরিচ থেকে ৭০ থেকে ৭৫ টি বীজ পাওয়া যায়। ১০০০টি বীজের ওজন হয় প্রায় ৫ গ্রাম, একর প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ কেজি বীজ উৎপাদন করা সম্ভব।
৫
৫ মন্তব্য