সহকারী শিক্ষক
২২ জানুয়ারি, ২০২৪ ০৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বিচারক নিয়োগ এবং বিচারের নীতিমালা
আইন-কানুন যতই নিখুঁত হোক না কেন উপযুক্ত বিচারকের উপরই এর কার্যকারিতা নির্ভর করে। বস্তুত বিচার ব্যবস্থা রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হযরত আলী (রাঃ)-কে ইয়ামানের কাযী (বিচারক) নিয়োগ করে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে ইয়ামানের কাযী (বিচারক) নিযুক্ত করে পাঠানোর প্রাক্কালে আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি আমাকে পাঠাচ্ছেন। অথচ আমার বয়স অল্প। বিচার সম্পর্কে আমার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, আল্লাহ তা'আলা অচিরেই তোমার অন্তরে হিদায়াতের নূর পয়দা করে দিবেন এবং তোমার যবানকে (এ বিষয়ে) সুদৃঢ় করে দিবেন। যখন তোমার সামনে বাদী-বিবাদী উপস্থিত হয়ে বিচার পার্থনা করবে তখন তুমি দ্বিতীয় পক্ষের মতামত না শুনে প্রথম পক্ষের অনুকুলে রায় ঘোষণা করবে না। কেননা দ্বিতীয় পক্ষের বক্তব্য তোমাকে মামলার প্রকৃতি উপলব্ধিতে ও সঠিক রায় দানে সাহায্য করবে। হযরত আলী (রাঃ) বলেন, এর পর থেকে কখনো আমি বিচার নিস্পত্তির ব্যাপারে দ্বিধা- সংশয়ে পতিত হইনি।
বিচারগ নিয়োগের অধিকার খলীফার জন্য সংরক্ষিত। কাযী নিয়োগের ক্ষেত্রে তার দীনদারী ও তাকওয়া ও যোগ্যতা যাচাই করে দেখা আবশ্যক। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ যদি কোন ব্যক্তির উপর মুসলমানদের কোন বিষয়ের দায়িত্ব ও শাসন ভার অর্পণ করা হয় আর উক্ত ব্যক্তি যরি কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন কোন ব্যক্তিকে নির্বাচন করে যার থেকে যোগ্য ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি এবং কুরআন-সুন্নাহ সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী মানুষ তাদের সমাজে আছে বলে তার জানা থাকে, তবে সে ব্যক্তি আল্লাহ, রাসুল ও মুসলিম সমাজের (স্বার্থের) সাথে খিয়ানত করলো।
৩
৩ মন্তব্য