Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০১:৪০ পূর্বাহ্ণ

আমরা চাই একটি নতুন উন্নততর সমাজব্যবস্থা; উন্নত সে সমাজে ধনী-গরিব থাকা চলবে না; মেহনত করতে হবে সকলকেই।

❝আমরা চাই একটি নতুন উন্নততর সমাজব্যবস্থা;

উন্নত সে সমাজে ধনী-গরিব থাকা চলবে না; মেহনত করতে হবে সকলকেই। 

সাধারণ মেহেনতের যা ফল-

তা শুধু মুষ্টিমেয় ধনীর ভোগে যাবে না,

সমস্ত মেহেনতি মানুষের ভোগেই তা লাগা চাই।❞

                                           --ভি. আই. লেনিন

তখন সময় ছিলো ১৯১০ কিংবা ১১ সাল।  ফ্রান্সের পারি শহরের এক রেস্টুরেন্টে নিয়মিত আড্ডা দিতেন চিত্রকর পাবলো পিকাসো, কবি- নাট্যকার- পরিচালক জঁ ককতো, কবি গিয়োম আপোলিনেয়ার এরকম অনেকেই। হঠাৎ একদিন ককতো লক্ষ্য করলেন,ওদের পাশের টেবিলে এক ভদ্রলোক রোজ এসে চুপ করে বসে থাকেন আর মন দিয়ে ওদের কথা শোনেন। দেখেই বোঝা যায় লোকটির টাকা-পয়সা তেমন নেই। একদিন ককতো জিজ্ঞাসা করেই ফেললেন আপনার কি করা হয় মশাই? ছবি আঁকেন? না গল্প-কবিতা লেখেন? তিনি বললেন না লিখিও না আর আঁকিও না, তবে লেখা বা আঁকা নিয়ে আপনারা কি ভাবেন তা জানার খুব ইচ্ছে আমার। এক পর্যায়ে ককতো জানতে চাইলেন তাহলে আপনি কি কাজ করেন? লোকটি বলল আমি ভাবি, ভাবতে ভালো লাগে। ককতো জিজ্ঞাসা করল আপনি কি ভাবেন? ভদ্রলোক জানালেন আমার দেশে অত্যাচারী সম্রাটের শাসন।  আমি ভাবি কি করে সে অত্যাচারের উচ্ছেদ করে আমার দেশের লোকদের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যে থাকার ব্যবস্থা করা যায়। ককতো লোকটাকে পাগল ভাবল, ভেবেছে ফ্রান্সের রাস্তায় রাস্তায় এরকম অনেক পাগল ঘুরতে দেখা যায়। প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর পর ককতো একটি খবরের কাগজে পড়লেন রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের খবর। সঙ্গে একটি ছবি। দেখলেন এ সেই পাগলটার ছবি। ছুটে গেলেন পাবলো পিকাসোর কাছে। ছবিটি দেখিয়ে বললেন- আরে এই সেই পাগলটা না যে আমাদের পাশে বসে কথা শুনতো আর ভাবতো কিভাবে রাশিয়ায় বিপ্লব করা যায়? সত্যি সত্যি সে রাশিয়ায় ফিরে বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। ইনিই সেই নতুন রাষ্ট্রের প্রথম কর্ণধার ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ।


ভোলগা নদীর তীরে সিমবিস্ক নামে একটি ছোট্ট শহরে ১৮৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন। সেই ছোট্ট বালক একসময় করেছিলেন রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব। এরপর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছিলেন সাম্যবাদী আদর্শ। যার চোখজোড়া স্বপ্ন ছিলো পৃথিবীর সকল মানুষকে একই সূতোয় গাঁথা। লেনিন; যে নামটি পৌঁছে গিয়েছিলো তরুন,যুবক কিংবা বৃদ্ধ প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায়। চলুন জেনে আসা যাক এই মহান লেনিন কিভাবে তার কীর্তির দ্বারা পৌছে গেলো বিশ্বব্যাপী মানুষের হৃদয়ে?


দরিদ্রতার মধ্যে যার জন্ম। মৃত্যুর সময়ও তার সেই সঙ্গী ছিলো দরিদ্রতা। তবুও স্বপ্নে ছিলেন অবিচল। ঐক্য ঘটাতে পেরেছিলেন শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি জনতার। ছড়িয়ে দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিকতাবাদের বাণী। লড়াই করে গিয়েছেন মানুষের জন্য। যার কাছে মানুষ নামটাই যোগ্য মর্যাদা পেয়েছিলো। ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন নামের এই ব্যক্তি যেমন ছিলেন বিনয়ী তেমনি নীতির প্রশ্নে কিংবা যুক্তির জোরে ছিলেন অটল। নীতির প্রতি আনুগত্যে তিনি একটি কথাই বলতেন-“নীতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কর্মপন্থাই হলো একমাত্র সঠিক কর্ম পন্থা!” লেনিন যেমন আপোষ করেনি অন্যায়ের সাথে, তেমন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা কিংবা পার্টির সমালোচনায় কখনো দোদুল্যমান ছিলেন না। লেনিন কখনো জয়লাভের নেশায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতেন না।


এমনকি জয়লাভ নিয়ে কখনো দাম্ভিকতা করতেন না। বরং জয়লাভের পর চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেন। প্রতিনিধিদের তিনি বারবার স্মরণ করিয়ে দিতেন - “আমাদের প্রথম কাজ হল জয়লাভের আনন্দে মত্ত না হওয়া এবং দম্ভ না করা; দ্বিতীয় কাজ হল এই জয়লাভ কে আরো সুদৃঢ় করা; আর তৃতীয় কাজ হল শত্রুদের উপর অন্তিম আঘাত হানা। কারণ তারা কেবল পরাজিত হয়েছে, এখনো নিঃশেষ হয়ে যায় নি।” লেনিন বিপ্লব করবে বলেই জন্মেছিলো। বিপ্লবের অনন্য প্রতিভা ছিলো তার কথা ও কাজের মধ্যে।  মানুষের প্রতি ছিলো লেনিনের অগাধ আস্থা। সেই আস্থা এতটাই তীব্র ছিলো যে তার পক্ষে লোকবল যখন খুবই কম তখনও তিনি ভরসা রেখেছেন মানুষের প্রতি এবং বিপ্লবকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন দৃঢ় চিত্তে।


তেমনি একটিটি ঘটনা বলছি - এ হলো অক্টোবর বিপ্লবের পূর্ব মুহূর্তের সময়ের ঘটনা যে সময় লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কৃষক আর সৈন্যরা ঘরে-বাইরে তীব্র সংকটের থেকে শান্তি আর মুক্তির দাবি জানাচ্ছিল। সেসময় সামরিক অফিসার এবং বুর্জোয়ারা কাজ করে চলেছিল বলশেভিকদের বিরুদ্ধে এমন কি সে সময় সোসালিস্ট পার্টি গুলো ছিলো বলশেভিকদের বিরুদ্ধে। বলশেভিকদের আখ্যায়িত করা হয়েছিল জার্মানির ‘গুপ্তচর’ বলে। ঠিক এমন সময় অভ্যুত্থান করা মানে জীবন বাজিতে রাখা কিন্তু লেনিন সে বাজিতে ভয় পাননি। কারণ লেনিন জানতেন অভ্যুত্থান অনিবার্য এবং জয় তাদের সুনিশ্চিত। তিনি জানতেন, সেই যুদ্ধের পরিণতিতেই আসবে রিপাবলিক অফ সোভিয়েতস। আর সেই সোভিয়েত রিপাবলিকগুলি পৃথিবীব্যাপী বিপ্লবী আন্দোলনকে রক্ষা করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। এমন সিদ্ধান্তের কারণেই লেনিনকে বলা হতো- “বিপ্লবের জোয়ারে লেনিন সাঁতার কাটেন যেমন জলে মাছ সাঁতার কাটে।”


রুশ কমিউনিস্ট পার্টির সংগঠক এবং নেতা হিসেবে লেনিন দেখিয়েছেন বিশ্বের কাছে সাম্যবাদী দৃষ্টিকোণ। সাধারণত মার্কসবাদীদের দলে দুটি দল রয়েছে। একদল আছেন যারা মনে করেন মার্কসবাদের তত্ত্বগত দিক মানলেই চলবে। জীবন কিংবা বাস্তবে চর্চার ধারেপাশে না থাকলেও চলে। আর দ্বন্দ্বটা ঠিক তখনই লাগে। কেননা মার্কসবাদ এর মর্ম অনুধাবন এবং তা বাস্তবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে  অক্ষম বা অনিচ্ছুক হয়ে একটি সজীব বিপ্লবী তত্ত্বকে অসাড় অনুভূতিহীন করে তোলে। অভিজ্ঞতাও বাস্তব জীবনে কাজ করার পরিবর্তে তারা কাজ করে মার্কসবাদের তত্ত্ব আউড়ে। আরেকটিদল আছেন যারা মার্কসবাদকে ওপর ওপর গ্রহণ করার পরিবর্তে মার্কসবাদকে উপলব্ধি করে ও বাস্তবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। উদ্ধৃতি আর নীতিবাক্যের ওপর ভিত্তি করে এরা কাজ করে না; এরা কাজ করে বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে। প্রতিটি পর্যায়েকে অভিজ্ঞতার নিরিখে যাচাই করে, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং অন্যদেরকে একটি নতুন জীবন গড়ে তোলার শিক্ষা প্রদান করে। 


রাশিয়াতে বুর্জোয়ারা তখনও একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায় নি। সোস্যাল ডেমোক্র্যাট পার্টিগুলো এমনকি সর্বহারাদের মধ্যে দিয়েও যখন ভেঙে পড়ছিলো। সর্বহারাদের মধ্যে থেকে শ্রমিকরাও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে চলে যাচ্ছিল। বুর্জোয়ারা শ্রমিকদের দিয়ে তাদের স্বার্থ হাসিলে চেষ্টা করছিলো। মেনশেভিকরা এমনকি বলশেভিকদের মধ্যেও কিছু বিভ্রান্ত ছড়িয়ে দিয়েছিলো শ্রমিকদের মধ্যে। তখনই রাশিয়ার সর্বহারা শ্রেণী ও তার পার্টির জন্য লেনিন যে বিরাট কাজটি করেছিলেন তা হল- তিনি মেনশেভিকদের আসল পরিকল্পনার উদ্দেশ্যটি উন্মোচন করে দিয়েছিলেন। এই স্বরুপ উন্মোচন করার মধ্য দিয়ে লেনিন সংগঠন করার প্রশ্নে মেনশেভিকদের মনোভাবকে সম্পূর্ণরূপে সমালোচনা করেছিলেন। পার্টির শক্তিকে একত্রিত করার মাধ্যম হিসেবে একটি সর্বরুশিও রাজনৈতিক সংবাদপত্রের জন্ম দেওয়া,অঞ্চলে অঞ্চলে পার্টির ইউনিট গড়ে তোলা। এবং একটি স্বচ্ছ পরিকল্পনা, দৃঢ় কৌশল ও একটি মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি সুস্পষ্ট নীতি সমেত একটি সর্বহারা বিপ্লবী পার্টিতে যুক্ত করাই ছিল মূল লক্ষ্য। সর্বহারা বিপ্লবের বর্তমান যুগে, আমাদের এই সময়ে যখন প্রতিটি পার্টি স্লোগান এবং কোন নেতার প্রতিটি কথা বাস্তব প্রয়োগের মধ্য দিয়ে পরীক্ষিত হয়, তখন সর্বহারা শ্রেণী তাদের নেতাদের কাছ থেকে বিশেষ কিছু দাবি করেন। লেনিন ছিলেন তেমনি একজন সর্বহারা নেতা যিনি ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ সময়ের নেতা, মাঠে ময়দানে কাজ করা নেতা, দুঃসাহসী এবং আত্মত্যাগী।


লেনিনবাদ হলো সাম্রাজ্যবাদ ও সর্বহারা বিপ্লবের  যুগের মার্কসবাদ। লেনিন মার্কস এবং এঙ্গেলস এর শিক্ষাকে বিকাশের নতুন পরিস্থিতি এবং পুঁজিবাদের নতুন পর্যায়ে তথা সাম্রাজ্যবাদের স্তরে প্রয়োগ করতে গিয়ে আরো উন্নত করেছেন। শ্রেণী সংগ্রামের নতুন পরিস্থিতিতে  মার্কসের শিক্ষাকে আরও উন্নত করতে গিয়ে লেনিন মার্কসবাদের জ্ঞানভান্ডারে মার্কস এবং এঙ্গেলস  নির্দেশিত সাম্রাজ্যবাদ-পূর্ব পুঁজিবাদের ধারণার তুলনায় একটা নতুন ধারণা যুক্ত করেছিলেন। কিন্তু মার্কসবাদের জ্ঞানভান্ডারে এই যে নতুন ধারণা এটা ছিল সম্পূর্ণ মার্কস এবং এঙ্গেলসের নীতির  উপর ভিত্তি করে। যখন পুঁজিবাদের অবাধ ক্রমবিকাশের জায়গায় এসেছিল পুঁজিবাদের অনিয়মিত ও বিশৃঙ্খল বিকাশ। যখন বিকাশের অসমতা আর পুঁজিবাদের অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্বটি বিশেষভাবে প্রকট হয়ে উঠেছিল। এবং বিকাশের চূড়ান্ত অসম পরিস্থিতিতে বাজার ও পুঁজি রপ্তানি করার জায়গা দখলের চেষ্টায় পৃথিবী এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রভাবাধীন অঞ্চলগুলির পুনর্বিভাজনের জন্য পর্যায়ক্রমিক সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধগুলোকে অনিবার্য করে তুলেছিল। ঠিক সেইসময় পুঁজিবাদের পুরনো পর্যায় গুলোকে সরিয়ে নতুন একটি পর্যায়ে উপনীত হওয়ার কারণে বিকাশের একচেটিয়া সাম্রাজ্যবাদী পর্যায়ের ফলস্বরূপ উদ্ভূত নতুন পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কস এবং এঙ্গেলস আঁচ করতে পেরেছিলেন মাত্র। 


এক্ষেত্রে লেনিন যে ভূমিকাটি পালন করেছিলেন তা হলো- তিনি পুঁজিবাদের অন্তিম পর্যায়ে হিসেবে সাম্রাজ্যবাদের একটি অভ্রান্ত মার্কসীয় বিশ্লেষণ  উপস্থিত করেছিলে। এবং সাম্রাজ্যবাদের কতগুলি ও অনিবার্য ধ্বংসের পরিস্থিতিকে উন্মোচন করে দিয়েছিলেন। লেনিন সাম্রাজ্যবাদকে ‘মুমূর্ষ পুঁজিবাদ’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের দ্বন্দ্বগুলিকে তার চূড়ান্ত সীমা পর্যন্ত বহন করে, যার পরেই বিপ্লবের শুরু।  সাম্রাজ্যবাদ হলো শিল্পন্নোত দেশগুলির একচেটিয়া ট্রাস্ট, সিন্ডিকেট, ব্যাংক এবং ধনকুবের এক সর্বগ্রাসি ক্ষমতা। লেনিন মার্কসের নীতিকে সামনে এক নতুন দিক দেখিয়েছিলো। যেখানে পুঁজিবাদ এক কদর্য রুপে উত্থাপন হয়েছিলো। যেখানে পুঁজিবাদ জরাগ্রস্থ করে দিয়েছিলো বিশ্বকে। এমনকি রাশিয়ায় জারের শাসনে যে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ছিলো তার বিরুদ্ধে মার্কস ও এঙ্গেলসের মৌলিক তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন মহামতি লেনিন।


লেনিনের জীবনের অবসান ঘটে মস্কোতে। ১৯২৩ সালে মস্কোতে লেনিন ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শয্যায় যখন লেনিন তখনো তিনি থেমে নেই। ভাবছেন দেশ,মানুষ, বিপ্লব,পার্টি, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন,পত্রিকা এসব নিয়ে।  কখনো নিজেই পড়তেন বই এবং পত্রিকা, কখনো পড়ে শোনাতেন তার স্ত্রী ক্রুপস্কায়া। ১৯২৪ সালের ২১ জানুয়ারি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা গেলেন মহামতি ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন। কিন্তু বেঁচে রইলেন তার আদর্শ, চেতনা, আন্তার্জাতিকতাবাদ। আজও পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে শোষিত মানুষের মুখে লেনিন বেঁচে আছেন। লেনিন বেঁচে আছেন শোষিত-নিপীড়িত মানুষের হৃদয়ে। লেনিন বেঁচে থাকবেন ততদিন যতদিন না লেনিনের স্বপ্নের একটি শ্রেণি-বৈষম্যহীন সমাজ তৈরি হয়। যেখানে মানুষ সংঘটিত নাহয় সাম্যের বন্ধনে। লেনিন বেঁচে থাকবেন আজও অধিকার লড়াইয়ে যারা অবিচল তাদের মনে। লেনিন চিরায়ত হয়ে থাকবেন তাদের মাঝে আজও যারা ঘাম ঝরিয়ে, রক্ত বিলিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে এই পৃথিবী। শ্রমিক-কৃষক - মেহনতি কিংবা তরুন-যুবক-বৃদ্ধ সকলে গাইবেন লেনিনের জয়গান যতদিন পৃথিবীতে থাকবে অন্যায়-অবিচার। লেনিন দীর্ঘজীবী হয়ে থাকবেন সর্বহারার কাছে। লেনিন বেঁচে থাকবেন স্লোগানে মুখরিত রাজপথে। লেনিন বেঁচে থাকবেন মালিক- শ্রমিক লড়াইয়ের প্রান্তরে।


#লেনিন

#মৃত্যুশতবর্ষ

#অনুশীলন #শ্রদ্ধা_স্মরণ #মনিষী_স্মরণ

মন্তব্য করুন