"তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, অতঃপর সে পানি যমীনের ঝর্ণাসমূহে প্রবাহিত করেছেন, এরপর তদ্দ্বারা বিভিন্ন রঙের ফসল উৎপন্ন করেন, অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তোমরা তা পীতবর্ণ দেখতে পাও। এরপর আল্লাহ তাকে খড়-কুটায় পরিণত করে দেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ রয়েছে।" সূরা যুমার (৩৯:২১)
"তাঁর আরও নিদর্শনঃ তিনি তোমাদেরকে দেখান বিদ্যুৎ, ভয় ও ভরসার জন্যে এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তদ্দ্বারা ভূমির মৃত্যুর পর তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমান লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।" সূরা রূম (৩০:২৪)
আকাশ থেকে নেমে আসা বৃষ্টিপাত পৃথিবীতে বিভিন্নভাবে প্রবাহিত হয়-নদী, ঝরণা অথবা মাটিতে সঞ্চিত থাকে। এই পানি মাটি ও গাছপালাকে সজীব করে। মৃত গাছপালা থেকে বহুদিনের পরিক্রমায় আমরা তেল, কয়লা অথাবা গ্যাস পেয়ে থাকি। আল কোরআনের এইসব উপদেশ বুঝার জন্য কি আমরা যথেষ্ট বোধশক্তি সম্পন্ন? প্রশ্নটা আমাদের নিজেদের কাছেই।
আমাদের বায়ুমন্ডলের ৭৮% নাইট্রোজেন। কিন্তু বেশীরভাগ গাছই এই নাইট্রোজেন সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না। বজ্রপাত এই নাইট্রোজেনকে গাছদের জন্য ব্যবহার উপযোগী (nitrogen fixation) করে তোলে। পাশাপাশি যদি এমনটা হয়-বিজ্ঞান হয়তো একদিন বজ্রপাতকে ব্যবহার করতে শিখবে, নতুন এনার্জির আবিস্কার ঘটবে, আমাদের এনার্জি সংকট দূর হবে।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে তোমার ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করে নাও।
৬
১২ মন্তব্য