সহকারী শিক্ষক
০৪ জুন, ২০২৪ ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ০৩ জুন, ২০২৪

ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাবর আলী। গত ১৮ মে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট) এভারেস্টের চূড়ায় উঠে সেখানে বাংলাদেশের পতাকা উড়ান তিনি। শুধু বাবর আলী একা নয়, এভারেস্টের চূড়া ছুঁয়েছেন একে একে আরও পাঁচজন বাংলাদেশি। তাদের এ কীর্তি দেশের জন্য গর্বের ইতিহাস। এ পর্যায়ে জানা যাক এই ছয় পর্বতযোদ্ধা সম্পর্কে।
মুসা ইব্রাহিম:
মুসা ইব্রাহিম পেশায় একজন সাংবাদিক ও পর্বতারোহী। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন। ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা উড়ান। তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম।
পর্বতবিজয়ী মুসা ইব্রাহীমের জন্ম ১৯৭৯ সালে লালমনিরহাট জেলার মোগলহাটে। তিনি ঠাকুরগাঁও চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয়, নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। পেশাগত জীবনে মুসা ইব্রাহীম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারে কাজ করেছেন।
পর্বত আরোহণ ও অ্যাডভেঞ্চার বিষয়ক নানান আয়োজনে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি ২০১১ সালে এভারেস্ট একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ নামক পর্বতারোহণ ক্লাবের মহাসচিবও তিনি। এছাড়া মুসা ২০১১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত কিলিমাঞ্জারোর চূড়া জয় করেন।
নিশাত মজুমদার:
২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন নিশাত মজুমদার। তার জন্ম ১৯৮১ সালের ৫ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুরে। তিনি ঢাকার ফার্মগেটের বটমূলী হোম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন।
নিশাত ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এভারেস্ট জয় করেন। তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়। ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।
২০০৬ সালের মার্চে বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে বিএমটিসি আয়োজিত বাংলাদেশের নারী অভিযাত্রী দলের সঙ্গে ফের কেওক্রাডং চূড়ায় ওঠেন তিনি। একই বছরের সেপ্টেম্বরে বিএমটিসি আয়োজিত নারী অভিযাত্রী দলের সঙ্গে তিনি এভারেস্ট বেস ক্যাম্প (১৭ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতা) ট্র্যাকিংয়ে অংশ নেন।
এরপর ২০০৭ সালের মে মাসে বিএমটিসির অর্থায়নে দার্জিলিংয়ের হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ নেন। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন। এভারেস্ট অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে পরের বছরের মে মাসে হিমালয়ের সিঙ্গুচুলি পর্বতশৃঙ্গে (২১ হাজার ৩২৮ ফুট) ওঠেন।
একই বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি ভারতের উত্তর কাশীর গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী-১ পর্বতশৃঙ্গে (২১ হাজার ফুট) বাংলাদেশ-ভারত যৌথ অভিযানে অংশ নেন। নিশাত ২০০৯ সালের এপ্রিলে পৃথিবীর পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ মাকালুতে (২৭ হাজার ৮৬৫ ফুট) ভারত-বাংলাদেশ যৌথ অভিযানে অংশ নেন। এছাড়া তিনি বিএমটিসি আয়োজিত হিমালয়ের চেকিগো নামের একটি শৃঙ্গেও সফল অভিযানে যান।
এম এ মুহিত:
মোহাম্মদ আবদুল মুহিত সবার কাছে পর্বতজয়ী এম এ মুহিত নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালের ৪ জানুয়ারি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুরে তার জন্ম। তিনি ঢাকার পোগোজ স্কুল, নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। এম এ মুহিত ২০১১ সালের ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
মুহিত ২০১০ সালেই এভারেস্ট অভিযানে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সে সময় ব্যর্থ হন। পরের বছর বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের সদস্য হিসেবে এভারেস্ট জয়ের লক্ষ্যে আবারও যাত্রা করেন। অবশেষে ২০১১ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে অভিযানে সফল হন।
১৯৯৭ সালে অক্টোবরে সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের ১৮০০ ফুট উচ্চতায় উঠে পর্বতারোহণ নেশায় মগ্ন হন তিনি। সেই নেশাই পরবর্তীতে তাকে অনুপ্রেরণা দেয়। ২০০৪ সালে এভারেস্ট বেসক্যাম্প ও কালাপাথার ট্রেকিংয়ে অংশ নেন তিনি। এরপর ভারতের দার্জিলিংয়ের হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ এবং একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৫ সালে উচ্চতর পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ নেন।
এছাড়া প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন সময় হিমালয়ের চুলু ওয়েস্ট (মে ২০০৭), মেরা (সেপ্টেম্বর ২০০৭), বিশ্বের অষ্টম উচ্চতম শৃঙ্গ মানাসলুর (মে ২০০৮), সিংগু ও লবুজে শৃঙ্গে আরোহণ করেন তিনি। এভারেস্ট জয়ের আগে মুহিত ২০০৯ সালে এভারেস্ট থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বিশ্বের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ চো ওয়ো (৮,২০১ মিটার) জয় করেন। বাংলাদেশি পর্বতারোহীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ সাফল্য অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি দুইবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডংয়ে আরোহণ করেছেন।
ওয়াসফিয়া নাজরীন:
ওয়াসফিয়া নাজরীন দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। ২০১২ সালের ২৬ মে শনিবার সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। তিনি ১৯৮২ সালের ২৭ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকার স্কলাসটিকা স্কুল ও যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় এগনেস স্কট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। স্টুডিও আর্ট বিষয়েও তিনি স্কটল্যান্ডে কিছুদিন পড়াশোনা করেছেন।
ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া অঞ্চল দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে সাতটি পর্বত জয়ের রেকর্ড করেন।
২০১১ সালে ওয়াসফিয়া বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন। সেভেন সামিটের অংশ হিসেবে ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড (স্থানীয় নাম পুনাক জায়া, ১৬ হাজার ২৪ ফুট উচ্চতা) চূড়া জয় করেন।
এছাড়া ২০২২ সালের ২২ জুলাই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে২-ও জয় করেন। দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।
খালেদ হোসেন:
এভারেস্টজয়ী খালেদ হোসেন বেশি পরিচিত সজল খালেদ নামে। এভারেস্ট জয় করে ফেরার পথে মৃত্যুবরণকারী প্রথম বাংলাদেশি তিনি। ১৯৭৯ সালে তার জন্ম। গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের সিংপাড়া হাসারগাঁও গ্রামে। শিক্ষাজীবনে তিনি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে স্নাতক এবং ফিল্ম স্টাডিজে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।
২০১৩ সালের ১০ এপ্রিলে বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এভারেস্ট অভিযানে বের হন। নেপালের সাউথ ফেস দিয়ে ২০ মে সকাল আনুমানিক ১০টায় এভারেস্ট জয় করেন। এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়া জয় করে নেমে আসার পথে সাউথ সামিটে (উচ্চতা প্রায় ২৮,৭৫০ ফুট) পৌঁছার পর শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি। ৮ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থানকালে মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে তিনি ২০১১ সালের মে মাসে তিব্বতের নর্থ ফেস ধরে এভারেস্ট অভিযানে গিয়েছিলেন। সেবার প্রায় ২৩ হাজার ফুট পর্যন্ত উঠেছিলেন। কিন্তু ফুসফুসে পানি জমে যাওয়ায় তাকে নেমে আসতে হয়। খালেদ এর আগে সিকিমের ফ্রে পর্বত (২০০৬), নেপালের মাকালু (২০০৯), হিমালয়ের বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ পিক (২০১০), অন্নপূর্ণা রেঞ্জের সিংগুচুলি পর্বত (২০১১) জয় করেন।
পর্বতারোহণ নিয়ে এডমন্ড ভিস্টর্সেলের লেখা ‘পর্বতের নেশায় অদম্য প্রাণ’ বইটি অনুবাদ করেছেন। চলচ্চিত্রকার হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। খ্যাতিমান সাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেন ‘কাজলের দিনরাত্রি’ নামের চলচ্চিত্র।
বাবর আলী:
ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে চট্টগ্রামের বাবর আলী এভারেস্ট জয় করেছেন। আজ রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে তিনি পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গে সফলভাবে আরোহণ করেন। সেখান থেকে নেমে তিনি লোৎসে পর্বত আরোহণের পথে রয়েছেন।
বাবর আলী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ৩৩ বছর বয়সী এ যুবক লেখাপড়া শেষে শুরু করেছিলেন চিকিৎসা পেশা। তবে তাতে থিতু হতে পারেননি। চাকরি ছেড়ে দেশ-বিদেশ ঘোরার কর্মযজ্ঞ শুরু করেন। এভারেস্ট জয়ের আগে বাবর আলী সারগো রি (৪ হাজার ৯৮৪ মিটার), সুরিয়া পিক (৫ হাজার ১৪৫ মিটার), মাউন্ট ইয়ানাম (৬ হাজার ১১৬ মিটার), মাউন্ট ফাবরাং (৬ হাজার ১৭২ মিটার), মাউন্ট চাউ চাউ কাং নিলডা (৬ হাজার ৩০৩ মিটার), মাউন্ট শিবা (৬ হাজার ১৪২ মিটার), মাউন্ট রামজাক (৬ হাজার ৩১৮ মিটার), মাউন্ট আমা দাবলাম (৬ হাজার ৮১২ মিটার) ও চুলু ইস্ট (৬ হাজার ৫৯ মিটার) পর্বতের চূড়ায় উঠেছেন এ যুবক।
এছাড়া বাবর আলী গত বছরের ১৩ এপ্রিল কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে সাইকেলযাত্রা শুরু করেন। এক মাসের চেষ্টায় প্রায় চার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়িয়ে দিয়ে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী গিয়ে থেমেছিলেন। পথে ভারতের ১৩টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত বিভিন্ন অঞ্চল পাড়ি দেন। তারও আগে ২০১৯ সালের পরিবেশ রক্ষার ব্রত নিয়ে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় হেঁটে ভ্রমণ করেন তিনি।
মুসা ইব্রাহিম নিশাত মজুমদার এম এ মুহিত ওয়াসফিয়া নাজরীন খালেদ হোসেন বাবর আলী
মন্তব্য করুন
প্রকাশ: ১১:০৫ এএম, ০৪ জুন, ২০২৪

মন্তব্য করুন
প্রকাশ: ১০:৪০ এএম, ০৪ জুন, ২০২৪

ঈদুল আজহা উপলক্ষে তৃতীয় দিনের মতো ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। যাত্রীরা অনলাইনে এই টিকিট ক্রয় করতে পারছেন। বিক্রির তৃতীয় দিন আজ মঙ্গলবার আগামী ১৪ জুনের ট্রেনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি, আর পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে।
বরাবরের মতো এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে। ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থায় ৫ দিনের ট্রেনের আসন বিক্রি করা হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়, এবার ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনের মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি, যা শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। ২ জুন থেকে যাত্রা শুরুর ১০ দিন আগের আন্তঃনগর ট্রেনের আসন অগ্রিম হিসেবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি করা হচ্ছে। রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই যাত্রীরা এই আসন সংগ্রহ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে।
রেলওয়ের ওয়েবসাইটে (https://eticket.railway.gov.bd) প্রবেশ করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটের ওপরে থাকা রেজিস্ট্রেশন ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এতে রেজিস্ট্রেশনের জন্য নতুন একটি পেজ আসবে। এ পেজে মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে I'm not a robot বক্সে ক্লিক করতে হবে। তারপর ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করতে হবে। তখন মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি চলে আসবে। সব তথ্য ঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফল হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এখানে ইউজার অটো লগইন হয়ে যাবে।
ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কিনবেন যেভাবে-
এবারও প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। লগইন না হয়ে থাকলে পুনরায় লগইন বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, শ্রেণি পূরণ করে ফাইন্ড টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।
ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে ক্লিক করে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে পছন্দের আসন সিলেক্ট করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে হবে। ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে। পাশাপাশি যাত্রীর ইমেইলে টিকিটের কপি চলে যাবে।
মন্তব্য করুন
প্রকাশ: ০৯:২৮ এএম, ০৪ জুন, ২০২৪

২৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা। নিজ নিজ সংসদীয় এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে এ টাকা বরাদ্দ করা হয়। পাঁচ বছরে পাঁচ কোটি টাকা করে পাবেন তাঁরা। সংসদ সদস্যরা পছন্দ অনুযায়ী রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, হাটবাজার ও ঘাট নির্মাণে এ টাকা খরচ করতে পারবেন। তবে সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত সংসদীয় আসনগুলোর মোট ২০ জন সংসদ সদস্য এই টাকা পাবেন না। সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরাও এ বরাদ্দ পাচ্ছেন না।
যদিও সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা চলছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যানদের দ্বন্দ্ব দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে উপজেলা পরিষদ দুর্বল হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা আছে, সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব আইন প্রণয়ন করা। আর ৫৯ অনুচ্ছেদে আছে, স্থানীয় উন্নয়ন স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব।
এ ছাড়া এর আগে নেওয়া এমন বরাদ্দের প্রকল্পটির কাজের অগ্রগতিও সন্তোষজনক নয়। সেই প্রকল্পের মেয়াদও শেষ হয়নি।
পরিকল্পনা কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০ জন সংসদ সদস্য ছাড়া বাকি মোট ২৮০ সংসদ সদস্য প্রতিবছর ৫ কোটি টাকা করে পাঁচ বছরে মোট ২৫ কোটি টাকা পাবেন। ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৪)’–এর আওতায় সংসদ সদস্যরা এই টাকা পাচ্ছেন। পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বলে সিটি করপোরেশনের মধ্যে থাকা সংসদীয় এলাকাগুলোর সংসদ সদস্যারা এই বরাদ্দ পাচ্ছেন না।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অবশ্য বলছে, এ প্রকল্পে সংসদ সদস্যদের সরাসরি টাকা পাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁরা শুধু নিজ নিজ এলাকার পছন্দ অনুযায়ী রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, হাটবাজারের নাম দেবেন। এলজিইডি সে তালিকা ধরে এলাকার উন্নয়ন করবে।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি সব জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর চিঠি দেয় এলজিইডি। সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী আলি আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে প্রকল্প প্রস্তাব ঢাকায় পাঠাতে হবে। প্রতিটি সংসদীয় এলাকায় উন্নয়নের জন্য ২৫ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়। গেজেটভুক্ত সড়ক ছাড়া অন্য কোনো সড়কের নাম প্রস্তাবে উল্লেখ না করতেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলজিইডি বলছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পে বিদ্যমান পাকা সড়কের অবশিষ্ট অংশ পাকা করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। প্রস্তাবে উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়কের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে গত রোববার প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৪২ জেলা থেকে প্রকল্প পাওয়া গেছে। বাকি ২২ জেলা থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রকল্প চলে আসবে। তিনি আরও বলেন, আগের প্রকল্পের সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রকল্পের কাজে কোনো দ্বৈতকরণ হবে না। কারণ, প্রতিটি সড়কের একটি কোড নম্বর আছে। আগে যেসব সড়কের কাজ হয়েছে, নতুন করে সেসব সড়কের কাজ করা হবে না।
সূত্র জানায়, এর আগে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রথম সরকার গঠনের পর প্রত্যেক সংসদ সদস্য নিজ নিজ আসনের অবকাঠামো উন্নয়নে পাঁচ বছরে ১৫ কোটি টাকা করে পেয়েছিলেন। এ ছাড়া ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রত্যেক সংসদ সদস্য ২০ কোটি করে এবং ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর ২০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পান।
এদিকে ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়ী সংসদ সদস্যদের জন্য নেওয়া প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৩)’–এর আর্থিক অগ্রগতি মাত্র ৫৩ শতাংশ। এ প্রকল্পের ব্যয় ছয় হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। পুরোনো প্রকল্প শেষ না করে নতুন প্রকল্পের দিকে ঝুঁকছে এলজিইডি।
সার্বিক বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই বরাদ্দ অযৌক্তিকভাবে সংসদ সদস্যদের দেওয়া হচ্ছে। এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু, ঘাট উন্নয়নের কাজ সংসদ সদস্যদের নয়। তাদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। এলাকার উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকার আছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আছে। এখানে স্বার্থের সংঘাত হচ্ছে।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সংসদ সদস্যদের পছন্দের এসব প্রকল্পে এক বছর আগে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে টিআইবি। এই ভূমিকা থেকে সংসদ সদস্যদের সরে আসা উচিত।
বাজেট অধিবেশন অর্থনীতি জাতীয় সংসদ
মন্তব্য করুন
প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ০৪ জুন, ২০২৪

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম হত্যা মামলায় সঙ্গে জড়িত অন্যতম সন্দেহভাজন ফাইজুল ওরফে সিয়াম হাসানকে ছাড়াই নেপাল থেকে দেশে ফিরছে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে দেশে ফিরবেন তিন সদস্যের দলটির।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্যকে পুঁজি করায় অসন্তুষ্ট হোন নেপাল পুলিশ। নেপালি পুলিশের হেফাজতে থাকা সিয়ামের সঙ্গে কয়েক দফায় কথা বলেছেন বাংলাদেশি পুলিশের সদস্যরা। কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হোটেল, যেখানে সিয়াম এবং আখতারুজ্জামান শাহিন অবস্থান করেছেন সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে আসামি শিলাস্তি রহমান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জেল হোসেনের আদালতে তিনি জবানবন্দি দেন।
তদারক কর্মকর্তারা জানান, শিলাস্তি রহমান তার মোবাইলে শাহিনের মোবাইল নম্বরটি ‘পিটার পার্কার’ নামে সেভ করেছিলেন। তিনি শাহিনের গার্লফ্রেন্ড ছিলেন। গত জানুয়ারিতেও শিলাস্তি ভারতে শাহীনের সাথে সফরে গিয়েছিলেন। সেই সফরে চেলসি চেরী ওরফে আরিয়া (২১) নামের আরেকজন যুবতীও ছিলেন। সঞ্জীভা গার্ডেন্সের ট্রিপ্লেক্স ফ্ল্যাটে এমপি আনারকে রিসিভ করেন শিলাস্তি। এমপি আনারকে খুন করতে তিনি দেখেননি দাবি করলেও দোতলা এবং নিচতলায় ব্লিচিং পাউডারের গন্ধ তিনি পেয়েছেন। বাথরুমের কমোডে বারবার ফ্ল্যাশ করার শব্দ শুনেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গতকাল ১০ জন আসামির ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। যেটাতে, বিএফআইইউ-কে নির্দেশ দেন আদালত। এ মামলায় আসামিরা হলেন- শিমুল ভুঁইয়া শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইয়া ওরফে আমানুল্যা সাইদ (৫৬), তানভীর ভূঁইয়া (৩০), শিলাস্তি রহমান (২২), আক্তারুজ্জামান ওরফে শাহীন (৫৩), মোঃ সিয়াম হোসেন (৩৩), মোস্তাফিজুর রহমান (৩৩), ফয়সাল আলী সাজি (৩৭), চেলসি চেরী ওরফে আরিয়া (২১), তাজ মোহামম্মদ খান ওরফে হাজী (৬০) এবং মোঃ জামাল হোসেন (৫২)।
এমপি আনারকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে ভারতের কলকাতা নিয়ে যায় আসামিরা। প্রাথমিক তদন্তে ও গ্রেফতারকৃত আসামিরা জানিয়েছে, ভিকটিমকে কলকাতার নিউটাউন এলাকার ভাড়াকৃত ফ্ল্যাটে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং প্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের লাশের হাড় ও মাংস আলাদা করে মাংসপিণ্ড টয়লেটের কমোডে ফেলে দেয়। হাড়গুলো গারবেজ-পলিতে ভরে ট্রলি ব্যাগে করে আশপাশের বর্জ্য খালে ফেলে দেয়া হয়। আসামিরা পরিকল্পনা করে যে, ভিকটিমকে কীভাবে অপহরণ করবে ও টাকা পয়সা আদায় করবে এবং টাকা-পয়সা নেওয়ার পর কিভাবে হত্যা তথা লাশ গুম করবে তার লোমহর্ষক বর্ণনা গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের নাম- ঠিকানা সংগ্রহ তথা মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বর্তমানে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আনার হত্যা শিলাস্তির সিয়াম পুলিশ
মন্তব্য করুন
প্রকাশ: ০৮:৫৮ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪

ঝিনাইদহ-৪ আনোয়ারুল আজিম আনার মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন
মন্তব্য করুন
ঈদুল আজহা উপলক্ষে তৃতীয় দিনের মতো ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। যাত্রীরা অনলাইনে এই টিকিট ক্রয় করতে পারছেন। বিক্রির তৃতীয় দিন আজ মঙ্গলবার আগামী ১৪ জুনের ট্রেনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি, আর পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। বরাবরের মতো এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে। ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থায় ৫ দিনের ট্রেনের আসন বিক্রি করা হবে।
২৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা। নিজ নিজ সংসদীয় এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে এ টাকা বরাদ্দ করা হয়। পাঁচ বছরে পাঁচ কোটি টাকা করে পাবেন তাঁরা। সংসদ সদস্যরা পছন্দ অনুযায়ী রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, হাটবাজার ও ঘাট নির্মাণে এ টাকা খরচ করতে পারবেন। তবে সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত সংসদীয় আসনগুলোর মোট ২০ জন সংসদ সদস্য এই টাকা পাবেন না। সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরাও এ বরাদ্দ পাচ্ছেন না।

প্রধান সম্পাদকঃ সৈয়দ বোরহান কবীর
ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
বার্তা এবং বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ২/৩ , ব্লক - ডি , লালমাটিয়া , ঢাকা -১২০৭
নিবন্ধিত ঠিকানাঃ বাড়ি# ৪৩ (লেভেল-৫) , রোড#১৬ নতুন (পুরাতন ২৭) , ধানমন্ডি , ঢাকা- ১২০৯
ফোনঃ +৮৮-০২৯১২৩৬৭৭
| ◀ | June, 2024 | ▶ |
| Mo | Tu | We | Th | Fr | Sa | Su |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | 1 | 2 |
| 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 |
| 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 | 16 |
| 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 | 23 |
| 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 | 30 |
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 |
| Today | Clear date |
© Copyright © 2024 Bangla Insider, All Rights Reserved