Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ জুন, ২০২৪ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

রেমিট্যান্সে বদলে দেবে বাংলাদেশ।


রেমিট্যান্স :

পৃথিবীর উন্নত-অনুন্নত রাষ্ট্রের প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি প্রবাসীদের উপার্জিত আয় রেমিট্যান্স। বিশ্বে দক্ষ জনশক্তির শ্রমের মূল্য অনেক বেশি এবং জনসংখ্যার ৩.৪ শতাংশ অভিবাসী। তাদের উপার্জিত অর্থ সমগ্র বিশ্বের জিডিপিতে ৯.৪ শতাংশ অবদান রাখছে। ১২৫টি দেশের শ্রমিকেরা ৪০টির মতো উন্নত রাষ্ট্রে শ্রমের বিনিময়ে রেমিট্যান্স পাঠায়। ভারত ২০০৮ সাল থেকে রেমিট্যান্স উপার্জনে প্রথম। ভারতীয়রা ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষা ও কারিগরি শিক্ষায় অনেক এগিয়ে। তারা জিডিপিতে ২.৯ শতাংশ অবদান রাখছেন। ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত যে, বাংলাদেশের মানুষ খুবই পরিশ্রমী। কিন্তু ভাষাগত জটিলতা ও কারিগরি শিক্ষায় অনেক পিছিয়ে। প্রবাসীদের সমস্যার সমাধান, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং হুন্ডি ব্যবসা প্রতিরোধ করা গেলে রেমিট্যান্সেই বদলে দেবে বাংলাদেশ।

প্রবাসীরা বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ। তাদের শ্রম, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথ প্রদর্শক। রেমিট্যান্স এ দেশের আর্থসামাজিক বিকাশে অনুঘটক। দেশের জিডিপিতে প্রবাসীদের অর্জিত রেমিট্যান্সের অবদান ৬ শতাংশের বেশি। ২০০৮ সালে বিশ্বমন্দা ও করোনাকালীন বাংলাদেশকে সংকটমুক্ত রাখতে রেমিট্যান্সের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনেক দেশের আদর্শ বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় মূল চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়। রপ্তানি আয় যখন কমে যায়, তখন রেমিট্যান্স তা পূরণ করে দেয়।

পরিশেষে বলতে চাই, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সম্মান ও সুযোগ - সুবিধা বাড়াই, দেশীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করাই।



মন্তব্য করুন