আজ সারাদিন কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলা পরিদর্শন শেষে পর্যালোচনা।
1. জেলাগুলোতে সরকারি-বেসরকারী ত্রাণ সহায়তা ও নগদ অর্থ সহায়তা পর্যাপ্ত নয়, বাড়াতে হবে।
2. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
3. দুর্যোগ পরবর্তী পানি বাহিত রোগ-ব্যাধি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে।
4. প্রান্তিক এলাকায় ত্রাণের সমবন্টণ নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা থেকে যারা ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ভলান্টিয়ারদের সাথে যোগাযোগ করে প্রান্তিক পর্যায়ে পৌছানোর ব্যবস্থা করবেন।
5. নোয়াখালীতে বন্যার পানি আসেনি, বৃষ্টির পানি জমে আছে তাই এখানে উদ্ধারের থেকে বেশি প্রয়োজন ত্রাণ ও অন্যান্য লজিস্টিকস।
6. কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অঞ্চলে পানি ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে তবে বুরিচং এবং আশেপাশের এলাকার অবস্থা দুর্বিষহ।
7. শিশু খাদ্য, গোখাদ্য সরবরাহ নেই বললেই চলে। এদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
8. অসাধু ব্যাবসায়ীদের প্রকোপ বাড়ছে, সংকটকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুণ। প্রশাসন ও ছাত্র-জনতার সমন্বিত প্রয়াসে এই দৌড়াত্ব রুখতে হবে।
৩
৩ মন্তব্য