সহকারী শিক্ষক
২৫ আগস্ট, ২০২৪ ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
পৃথিবীর সব দেশেই বাবা-মারা নিজেদের সন্তানের বিয়েতে সাধ্যমতো খরচ করেন, কোথাও আবার সাধ্যের অতিরিক্ত। ভারতের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণী সাধারণত এই দ্বিতীয় পর্যায়টায় পড়ে।
গত মাসেই জেফারিজের একটি আন্তর্জাতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, “ভারত এমনিতে একটি ভ্যালু কনশাস সোসাইটি, মানে ভারতীয়রা কোনও পণ্যের দাম বেশি ধরা হচ্ছে কি না সে ব্যাপারে খুবই সচেতন। কিন্তু বিয়েটা এখানে একটা ব্যতিক্রম – কারণ তারা বিয়েতে খরচ করতে ভালবাসে।”

ছবির উৎস,Reuters

ছবির উৎস,Getty Images
তারা আরও জানাচ্ছে, কোভিড মহামারির সময়কার মন্দা কাটিয়ে উঠে ভারতের ‘ওয়েডিং ইন্ডাস্ট্রি’র টার্নওভার এখন আবার ১৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
এই অঙ্কটা আমেরিকার এই খাতের মোট পরিমাণের দ্বিগুণ। তবে চীনের তুলনায় খরচের অঙ্কটা কম, কারণ বিয়েতে খরচ করার মোট বহর না কি চীনে ভারতের চেয়েও বেশি।
ওয়েডিং বা বিবাহ অনুষ্ঠান আয়োজনের শিল্পটা এমন একটা সেক্টর, যা ফ্যাশন বা ট্র্যাভেলের (পর্যটন) মতো খাতেরও প্রবৃদ্ধি ঘটায়।
ভারতের স্বচ্ছল একটি পরিবার সন্তানের বিয়ের জন্য সাধারণত ১২ লক্ষ রুপি (১৫০০০ ডলার) খরচ করে থাকে – যেটা গড়পড়তা একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের বার্ষিক আয়ের প্রায় তিন গুণ!
এই হিসেব মাথায় রাখলে অবশ্য বলতেই হবে, মুকেশ আম্বানি তার ছোট ছেলের বিয়েতে নিজের মোট আয়ের অতি সামান্য একটা ভগ্নাংশই খরচ করছেন!
মুম্বাইয়ের ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইসর নীতিন চৌধুরীর মতে, আম্বানি পরিবার তাদের ‘নেট ওয়র্থ’ বা মোট সম্পদের ‘খুব বড়জোর ০.৫ শতাংশ’ এই বিয়েতে খরচ করছেন।
স্পষ্ট হিসেব জানা না-গেলেও ধারণা করা হচ্ছে মোটামুটিভাবে ৫০০০ কোটি রুপি (বা ৬০ কোটি ডলার) খরচ হয়েছে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে – সে জায়গায় মুকেশ আম্বানির মোট সম্পদের পরিমাণই ১২৩২০ কোটি ডলার!
কাজেই সাধারণ ভারতীয় বাবা-মাদের তুলনায় মুকেশ আম্বানি নিজের ছোট ছেলের বিয়েতে একটু কিপটেমিই করেছেন, তা বললেও বোধহয় খুব ভুল হবে না!
১৮
২৯ মন্তব্য