সহকারী শিক্ষক
২৫ আগস্ট, ২০২৪ ১২:০১ অপরাহ্ণ
পোলাও পাতা নাম কেন রাখা হল
এই গাছের পাতায় পোলাওয়ের মতো গন্ধ আছে বলেই এর নাম পোলাও পাতা গাছ। এই সুগন্ধ দিয়ে খাদ্যদ্রব্য সুরভিত করতেই পোলাও পাতা গাছ ব্যবহৃত হয়।সাধারণ চাল দিয়ে ভাত রান্নার সময় এই পাতা ব্যবহারে সেসব ভাতেও পোলাওয়ের ঘ্রাণ আসে। পোলাও পাতা টুকরো টুকরো করে গরম ভাতের স্তরে বিছিয়ে দেয়া হয়। তারপর একটা ঢাকনা দিয়ে পাত্রের মুখ ঢেকে রাখা হয়। কিছুক্ষণ এভাবে রেখে দিলে ভাতে সুঘ্রাণ আসে। খাওয়ার সময় সেই ভাত থেকে পোলাওয়ের সুঘ্রাণ পাওয়া যায়।
চা বানাতেও পোলাও পাতা ব্যবহার করা যায়। চায়ের পানি ফুটে এলে তার ভেতর পোলাও পাতার কয়েকটা টুকরো ছেড়ে দেয়া হয়। তারপর সেই পানি ছেঁকে চায়ের মতো খেলে সেই চা থেকেও পোলাওয়ের সুঘ্রাণ ভেসে আসে। একইভাবে বিভিন্ন রকম স্যুপ, জাউভাত, ফিরনি, পায়েস ইত্যাদি করতে পোলাও পাতা ব্যবহার করা যায়।
পোলাও গাছ টবেও লাগানো যায়। এ গাছের ফুল ফুটতে দেখা পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। এ গাছ জ্বর সারানো, মুখে রুচি আনা ও হজমে সাহায্য করে বলে অনেকের বিশ্বাস
খাবার সুগন্ধি করতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশেই পোলাওপাতা ব্যবহার করা হয়।
পোলাও পাতা গাছ আমাদের দেশে বেশ কয়েকটি অঞ্চলেই চাষ করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলায় এ গাছ বেশি দেখা যায়। সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় প্রভৃতি জেলায় এটি বেশি দেখা গেছে। চট্টগ্রামেও এ গাছ দেখা যায়।
১৮
২৯ মন্তব্য