সিনিয়র শিক্ষক
২৫ আগস্ট, ২০২৪ ০৪:১৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ -ভারত পানি বন্টন এবং আমাদের হতাশা,অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা~
অভিন্ন নদীর পানি বন্টন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এখন এক অমীমাংসিত ইস্যু। দুদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে একমাত্র গঙ্গা নদীর পানি বন্টনের চুক্তি স্বাক্ষর হলেও তিস্তাসহ আলোচনায় থাকা মুন ও মুহুরি,খোয়াই, গোমতী, ধরলা, তিস্তা, কুশিয়ারা ও দুধকুমার সহ ৮টি নদীর পানি ভাগাভাগির ব্যাপারে এখনো কোন সুরাহা হয়নি। বাংলাদেশ ও ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী বা অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি। তাই, আন্তঃ সীমান্ত নদীর পানি ভাগাভাগির ক্ষেত্রে চুক্তি হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চুক্তির মাধ্যমেই একটি দেশের পানির হিস্যা প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা যায়। তবে, তিস্তা এবং ফেনী নদীর পানি বন্টন নিয়েও আলাপ আলোচনা করা এখন সময়ের দাবী। তাই, ব্যাপক আলোচনা, বিতর্ক, ও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। নানামুখী চেষ্টার পরেও তিস্তা চুক্তি না হওয়া বাংলাদেশের জন্য চরম হতাশা, অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার কারণ। দু-দেশের মধ্যে পানি ভাগাভাগি ইস্যুতে মীমাংসার জন্য বিজ্ঞান সম্মত প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি থাকলেও একটি অভিন্ন নীতিমালার মাধ্যমে এর সমাধান আশু প্রয়োজন। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক তৃতীয় কোন পক্ষের সহযোগিতা নেওয়া উচিত। তাছাড়া সেচ মৌসুমে যেমন পানি সল্পতায় খরা এবং বর্ষা মৌসুমে গেটগুলো খুলে দেওয়ায় প্রবল বন্যায় ভয়াবহ চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে, কৃষি উৎপাদন, অর্থনীতি ধ্বংসের কারণে মানুষের জীবন-যাত্রার মান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৬
১০ মন্তব্য