সহকারী শিক্ষক
২৭ আগস্ট, ২০২৪ ০৬:৪২ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ইসলামে রাষ্ট্রনিতির গুরুত্ব
ইসলামের বহু শাকা -প্রশাখার মধ্যে রাষ্ট্রণীতিও এর অন্যতম শাখা। তাওরাতেও এ সম্পর্কে বিধি-বিধান রয়েছে। মুরআন মাজিদে ইরশাসদ হয়েছেঃ
আমি তাওরাত অবতঈর্ণ করেছিলাম, তাতে ছিল পথ নির্দেশ ও আলো, নবীগণ যারা আল্লাহর অনুগত ছিল তাঁরা ইয়াহুদীদেরকে সে অনুসারে বিধান দিত; আরো বিধান দিত রাব্বানীগণ এবং বিদ্ব্যানগণ, কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল এবং তারা ছিল এর সাক্ষী। সুতরাং মানুষকে ভয় করো না, আমাকেই ভয় কর এবং আমার আয়াত তুচ্ছমূল্যে বিক্রয় করবে না। আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সে অনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই কাফির। (সুরা মায়িদা, ৫ঃ ৪৪)
আরো ইরশাদ হয়েছেঃ
আমি তাদের জন্য তাতে বিধান দিয়েছিলাম যে, প্রাণের বদলে প্রান, চোখের বদলে চোখ, নাকের বদলে নাক, কানের বদলে কান, দাঁতের বদলে দাত, এবং যখমের বদলে অনুরূপ যখম। তারপর কেউ তা ক্ষমা করলে তাতে তারই পাপ মোচন হবে। আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সে অনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই যালিম। (সুরা মায়িদা, ৫ঃ ৪৫)
আরো ইরশাদ হয়েছেঃ
ইনজীল অনুসারীগণ যেন আল্লাহ তাতে যা অবতীর্ণ করেছেন সে অনুসারে বিধান দেয়। আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সে অনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারা ফাসিক। (সুরা মায়িদা, ৫ঃ ৪৭)
রাসুল্লাহ (সঃ) -কে সম্বধন করে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ
আমি আপনার প্রতি সত্যসহ কিতাব অবতীর্ণ করেছি এর পূর্বে অবতীর্ণ কিতাবের সমর্থক ও সংরক্ষকরূপে। সুতরাং আল্লাহ যা অবতীর্ন করেছেন সে অনুসারে আপনি তাদের বিচার নিস্পত্তি করবেন এবং যে সত্য আপনার নিকট এসেছে তা ত্যাগ করে তাদের খেয়াল খুশীর অনুস্বরন করবেন না। (সুরা মায়িদা, ৫ঃ ৪৮)
১৮
২৯ মন্তব্য