সহকারী শিক্ষক
২৮ আগস্ট, ২০২৪ ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
খিলাফতের প্রকারভেদ
হযরত মাওলানা কারী মুহাম্মদ তায়্যিব (র) বলেন, খিলাফত দুই প্রকারঃ
১, খিলাফাতুল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহর প্রতিনিধিত্ব করা। নবী-রাসুলগণ সকলেই হলেন আল্লহর খলীফা। আল্লাহ তা'আলার প্রথম খলীফা হলেন হযরত আদম (আঃ)। হুযরত আদম (আঃ) সম্পর্কে কুরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে;
আমি পৃথিবীতে খলীফা তথা প্রতিনিধি করব। (সুরা বাকারা, ২ঃ ৩০)
এমনিভাবে অন্যান্য নবীগণও যে আল্লাহর খলীফা, এ কথা কুরআন মাযিদের বিভিন্ন আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। হযরত দাউদ (আঃ) সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছেঃ
হে দাউদ! আমি তোমাকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেছি, অতএব তুমি লোকদের মধ্যে সুবিচার করবে এবং খেয়াল খুশির অনুসরণ করবে না। কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। (সুরা সাদ, ৩৮ঃ ২৬)
এ ধারার পরিসমাপ্তি হয় আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ (স) -এর মাধ্যমে। তিনি বলেন কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য আল্লাহর সর্বশেষ খলীফা ও সর্বশেষ রাসুল। তাঁর আনুগত্য প্রকৃতপক্ষে আল্লাহরই আনুগত্য
কুরআন মাযিদে ইরশাদ হয়েছেঃ
যে রাসুলের আনুগত্য করল সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করল। (সুরা নিসা, ৪ঃ ৮০)
২, খিলাফতের দ্বিতীয় প্রকার হল নবী রাসুল্গণের প্রতিনিধিত্ব করা। নিম্নের আয়াতে শেষোক্ত খিলাফতের কথাই বলা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছেঃ
তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে ওয়াদা দিতেছেন যে, তিনি তাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধিত্ব দান করবেনই। যেমন তিনি প্রতিনিধিত্ব দান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তী লোকদেরকে এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য সুদৃঢ় করবেন তাদের দীনকে, যা তিনি তাদের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তাদের ভয়ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে নিরাপত্তা দান করবেন। তারা আমার ইবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে তারা তো সত্যত্যাগী। (সুরা নুর, ২৪ঃ ৫৫)
৮
৮ মন্তব্য