জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতার নিরিখে অন্তবর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যেই ঘোষণা করেছে, অভিজ্ঞতাভিত্তিক নতুন শিক্ষাক্রম থাকছে না, শিখনফল তথা পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষাক্রমেই আমাদের ফেরত যেতে হচ্ছে। এতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপার কাজের ক্ষেত্রে অনেকটা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, শিক্ষা উপদেষ্টা নতুন শিক্ষাক্রম বাতিলের পাশাপাশি বিগত সরকারের সময়ে রচিত পাঠ্যবইয়ের কাভার, কনটেন্ট বদলে ফেলারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর ফলে বিগত সময়ে টেন্ডার হওয়া বা পাণ্ডুলিপি প্রস্তত হওয়া বইগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতেই হচ্ছে। এনসিটিবি এবং ছাপাখানার মালিকরাও জানেন না পাঠ্যবই নিয়ে কী হতে যাচ্ছে।
ঊধ্বর্তন আরো কয়েকটি পদ ফাঁকা থাকার কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পাঠ্যবই নিয়ে ভাবার সময় পায়নি এনসিটিবি। শিক্ষা উপদেষ্টা ইতিমধ্যে বলেছেন যে, নতুন শিক্ষাক্রমে অনেক দুর্বলতা রয়েছে এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে এটি অনেক দুর্বল। অনেক ধন্যবাদ মাননায় উপদেষ্টাকে। বিষয়টি আমরা পূর্ববর্তী কর্তৃপক্ষকে কোনোভাবেই যেনো বোঝাতে পারছিলাম না। হাতে সময় খুব কম, যতোটুকু পারা যায়, পরিবর্তন করা হবে। জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করতে হবে অথচ এখন আগস্টের শেষ। এই অল্প সময়ের মধ্যে বই তৈরি করতে হবে, কি ধরনের মুল্যায়ণ হবে সেটি ঠিক করতে হবে, বইয়ের মলাটসহ ভেতরের অনেক লেখা পরিবর্তন করতে হবে। একটি কমিটি গঠন করে বইয়ের কন্টেন্টের পরিবর্তন আনতে হবে। এগুলো সবই সময় সাপেক্ষ ও জটিল কাজ। তারপরেও সরকারকে এগুলো দ্রততার সঙ্গে করতে হবে।
১৭
২৮ মন্তব্য