Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ আগস্ট, ২০২৪ ০৫:২২ অপরাহ্ণ

চির উন্নত হোক শিক্ষাগুরুর শির।

#ন্যায়পরায়ণ_দেশপ্রেমিক_জেনারেশন_দেখেছিলাম

#বেয়াদব_জেনারেশন_চাইনি

শিক্ষকের বিচার করার দায়িত্ব কোনো শিক্ষার্থীর হতে পারে না।  প্রশাসন আছে দেশে,অন্যায় কাজে অভিযুক্ত হলে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে যা শুরু হয়েছে এবং যারাই ইন্ধন দিচ্ছেন তারা কিন্তু ছাত্র সমাজকে নষ্ট করতেছেন।

বড়দের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা, শিক্ষককে সম্মান করা, সত্য কথা বলা, মিথ্যা না বলা ইত্যাদি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ হচ্ছে পারিবারিক শিক্ষা। এইসব বই পড়ে অর্জন হয় না।


যে শিক্ষক তোমাকে কলম ধরা শিখিয়েছেন সেই শিক্ষককে অসম্মান করা, অপমান করা মানে তোমার পারিবারিক শিক্ষার অভাব, মা বাবার সুশাসনের অভাব। যে সকল ছেলে মেয়েরা শিক্ষককে অসম্মান করে খবর নিয়ে দেখবেন এরা মা বাবার অবাধ্য সন্তান। এরা বেয়াদব হওয়ার জন্য মা বাবারাই দায়ী।


আমরা এমন এক জেনারেশন ছিলাম, যারা রাস্তা ঘাটে শিক্ষককে দেখলে সাইকেল, রিকশা থেকে নেমে যেতাম। শিক্ষকের সামনে কথা বলতে হলে মাথা নত করে আটোসাটো হয়ে দাঁড়াইতাম। শিক্ষকের সাথে তর্ক করা তো দূরে চোখে তাকিয়ে কথাও বলতাম না।


আর এখন সারা দেশব্যাপী যে অন্যায় শুরু হয়েছে। কত বড় বেয়াদব হলে শিক্ষাগুরুর গলায় জুতার মালা পরায়, গায়ে হাত তুলে। এরা যত বড় মেধাবী হোক না কেন, জীবনে উন্নতি করতে পারবে না। 


হে মানছি, শিক্ষকরা ও ভুল করেন, অপরাধ করতে পারেন, দুর্নীতি করতে পারেন, করেছেন ও। এজন্য দেশে আইন আছে, প্রশাসন আছে, বিচার আছে। সেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের কে দিয়ে শিক্ষককে হেনস্থা করা মোটেও গ্রাহ্য নয়।


আমি একজন শিক্ষক হিসেবে সেটা মেনে নিতে পারি না,কিছুতেই না।' শিক্ষাগুরুর মর্যাদা' কবিতার সেই বিখ্যাত লাইন আজ কলঙ্কিত 

"আজ হতে চির অবনত হল শিক্ষাগুরুর শির "

মন্তব্য করুন

ব্লগ