সহকারী শিক্ষক
২৯ আগস্ট, ২০২৪ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
নখকুনি খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। বর্ষায় নখকুনির সমস্যা অনেককেই ভুগতে হয়। ধুলাবালি বা বর্ষার পানি লেগে নখের কোনায় জমে ময়লা। আর সে ময়লা থেকে হয়ে যায় নখকুনির ব্যথা।
হাতে বা পায়ের নখে এই সমস্যা হলে বেশ কয়েক দিন হাঁটাচলা বা কাজ করতে বেশ অসুবিধা হয়। নখের পাশের ত্বকের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া ফাটলের মধ্য দিয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এর ফলে অনেক বেশি যন্ত্রণা হতে থাকে।কখনো খুব ছোট করে নখ কাটতে গিয়ে ত্বকের মধ্যে ক্ষত সৃষ্টি হয়।
কখনো আবার কোনো কিছুতে খোঁচা লেগেও নখের কোনায় ক্ষত সৃষ্টি হয়। এই ক্ষত স্থানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে নখকুনির মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার সৃষ্টি হয়। কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন, জেনে নেওয়া যাক নখকুনির ৫টি ঘরোয়া প্রতিকার।
সাদা ভিনেগার
২ কাপ উষ্ণ গরম পানিতে ১ কাপ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই ভিনেগার মেশানো পানিতে ১৫ মিনিট নখকুনি আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনা করে মুছে নিন। দু-এক দিনের মধ্যেই সেরে যাবে নখকুনি।
টি ট্রি অয়েল
১ চামচ নারকেল তেলে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন।
এই তেল তুলা দিয়ে নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন। দিনের মধ্যে দুই-তিনবার লাগাতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে নখকুনি।
রসুন
১ কাপ সাদা ভিনেগারের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন কুচিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার
২ কাপ জলের সঙ্গে ২ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ওই মিশ্রণে ৩০ মিনিট নখকুনি আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তারপর শুকনা করে মুছে নিন। দুই-তিন দিনের মধ্যেই সেরে যাবে নখকুনি।
পাতিলেবুর রস
নখকুনি আক্রান্ত জায়গায় দুই এক ফোঁটা পাতিলেবুর রস লাগান। ২৫-৩০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন।
সূত্র : জি ২৪ ঘণ্টা
৪
৭ মন্তব্য