Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ আগস্ট, ২০২৪ ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মিলল ম্যাগমার প্রাচীন মহাসাগর

২০২৩ সালের অগাস্টে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করা ভারতের ঐতিহাসিক ‘চন্দ্রযান-৩’ মিশন থেকে চাঁদের মাটিতে সমুদ্রের অবশিষ্টাংশের সন্ধান মেলে।

এবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ম্যাগমার প্রাচীন মহাসাগর খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, চাঁদের দক্ষিণ মেরু একসময় তরল গলিত শিলার সমুদ্রে ঢাকা ছিল।

এ গবেষণার বিভিন্ন অনুসন্ধান এমন এক তত্ত্বকে সমর্থন করে, যেখানে প্রায় সাড়ে চারশ কোটি বছর আগে চাঁদের পৃষ্ঠে ম্যাগমা গঠিত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।

২০২৩ সালের অগাস্টে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করা ভারতের ঐতিহাসিক ‘চন্দ্রযান-৩’ মিশনেও এই ম্যাগমা সমুদ্রের অবশিষ্টাংশের দেখা মিলেছিল বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিবিসি।

এ মিশনের লক্ষ্য ছিল, চাঁদের এ বিচ্ছিন্ন ও রহস্যময় অঞ্চলটি খুঁজে দেখা, যেখানে এর আগে কোনও মহাকাশযান অবতরণ করেনি।

এ অনুসন্ধানটি ‘লুনার ম্যাগমা ওশান’ নামের এক তত্ত্বকে সমর্থন করে থাকে, যার মূল বিষয় হচ্ছে চাঁদ কীভাবে গঠিত হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা।

বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুসারে, সাড়ে চারশ কোটি বছর আগে যখন চাঁদ গঠিত হয়, তখন এটি ঠাণ্ডা হতে শুরু করে ও ‘ফেরোয়ান অ্যানথোসাইট’ নামে পরিচিত একটি হালকা ধাঁচের খনিজ চন্দ্র পৃষ্ঠে ভেসে ওঠে। আর এই ‘ফেরোয়ান অ্যানথোসাইট’ বা গলিত শিলাই চাঁদের পৃষ্ঠ গঠন করেছিল।

নতুন এ অনুসন্ধান নিয়ে কাজ করা গবেষণা দলটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ফেরোয়ান অ্যানথোসাইটের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বিবিসি।

“চাঁদে প্রাথমিক বিবর্তনের তত্ত্বটি আমাদের পর্যবেক্ষণের আলোকে আরও জোরালো হয়ে উঠেছে,” বলেছেন বুধবার বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘নেচার’-এ প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রের সহ-লেখক ড. সন্তোষ ভাদাওয়ালে।

ভারতের ‘চন্দ্রযান-৩’ মিশনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র অ্যাপোলো প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে চাঁদের মধ্য-অক্ষাংশে ম্যাগমা মহাসাগরের অস্তিত্ব থাকার বড় প্রমাণ মিলেছিল।

এদিকে, ‘চন্দ্রযান-৩’ মিশনের সময়ও মিশন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ভাদাওয়ালে ও তার গবেষণা দলটি।

মন্তব্য করুন