Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৫:৪৪ অপরাহ্ণ

অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে কবিতা পাঠদান ১

অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে কবিতা পাঠদান


ভূমিকা 


অর্থপূর্ণ শিখনের প্রধান ও পূর্বশর্ত হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক পাঠদান পদ্ধতি। একসময়ের শিক্ষক কেন্দ্রিক শিক্ষাদান বর্তমানে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক হচ্ছে। শ্রেণিতে কবিতা পাঠদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কবিতাটির আলোকে যে শিখনফল বা আচরণিক উদ্দেশ্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে তা শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শিখন উপযোগী এমন কাজের আয়োজন শ্রেণিকক্ষে রাখতে হবে যেন- ঐ কাজটি করতে গিয়ে তাদেরকে চিন্তা করতে হয়, বারবার কবিতাটির অংশ বিশেষ পড়ে অনুধাবনের চেষ্টা করতে হয় এবং সমস্যা সমাধানের জন্য দলে/জোড়ায় চিন্তা সমন্বয়ের চেষ্টা চালাতে হয়। কবিতা পাঠদানের ক্ষেত্রে শ্রেণিতে শিক্ষককে কতগুলো সাধারণ ধাপ অনুসরণ করতে হয়। যেমন- কবি পরিচিতি, আদর্শ পাঠ, সরব পাঠ, শব্দার্থ শেখানো, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ প্রভৃতি। আদর্শ পাঠ ও সরব পাঠ ব্যতীত অন্যান্য ধাপে আবার অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতির বিভিন্ন কৌশল ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন- সমস্যা সমাধান, মাইন্ড ম্যাপিং, বিষয়বস্তুগত বাক্য গঠন, বৈষম্য অনুসন্ধান, মিল খুঁজে বের করা, ব্রেইন স্টর্মিং, ভিজ্যুয়ালাইজেশন, চকবোর্ড সারসংক্ষেপ, তালিকা প্রস্তুত করণ, শ্রেণিকরণ, ত্রুটি সনাক্তকরণ, ক্রমান্বয়ে সাজানো, সুবিধা অসুবিধা নির্ধারণ প্রভৃতি। মনে রাখতে হবে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সফল পাঠ পরিচালনা তখনই হবে, যখন পাঠদানের সময় শিক্ষক কিছু কৌশল অবলম্বনে শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণকেই প্রাধান্য দিবেন। শিক্ষক কাজ দেবার আগে কাজের বিষয়বস্তুগত প্রাথমিক ধারণা প্রদানসহ কর্ম সম্পাদনে শিক্ষার্থীরা কে, কী করবে, কেমন করে করবে, কত সময়ের মধ্যে করবে প্রভৃতি আনুষঙ্গিক শর্ত বুঝিয়ে দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিবেন। কাজ শেষে আবশ্যক ফলাবর্তন দিবেন এবং শিক্ষার্থীদেরকে অনুসরণ করতে বলবেন।

মন্তব্য করুন