Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৫:৪৭ অপরাহ্ণ

অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে কবিতা পাঠদান ২

লেখক পরিচিতি: 


যে কোন কবিতার প্রথম অংশ পাঠদানের দিন শ্রেণীতে প্রথমে ঐ কবিতার কবির পরিচিতি বিবেচনায় আনতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক ২/১ মিনিটের বক্তব্য দেবার পর শিক্ষার্থীদেরকে কবি পরিচিতি অংশ পড়ে জোড়ায় জোড়ায় খাতায় তথ্যছক তৈরি করতে বলবেন। পরে ফলাবর্তন দিবেন।


আবৃত্তি:


কবিতার নির্বাচিত অংশ শিক্ষক শ্রেণীমুখী হয়ে পঠনের আদর্শগত সকল দিক বিবেচনায় রেখে শিক্ষার্থীদেরকে পাঠ করে শোনাবেন। এই সময় শিক্ষার্থীরা বই খুলে শিক্ষকের আদর্শ পাঠ অনুসরণ করবে।


সরব পাঠ: 


শিক্ষক কবিতা ও কবির নামসহ কবিতাটি কয়েক ধাপে পড়াবেন। শিক্ষক যতিচিহ্ন ও ছন্দ বজায় রেখে শুদ্ধ উচ্চারণে কবিতাটি একবার পড়বেন। শিক্ষার্থীরা শুনবে ও আঙ্গুল দিয়ে মেলাবে। শিক্ষক এবারে শিক্ষার্থীদের সাথে সাথে সরবে পড়াবেন। একজন করে উৎসাহী শিক্ষার্থীকে ডেকে পড়তে বলবেন। এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে একটি স্তবক করে পুরো কবিতাটি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে পড়াবেন। শিক্ষক অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে পড়তে চেষ্টা করবেন। এসময় একজন শিক্ষার্থীকে পড়তে বলবেন, সাথে সাথে অন্যরা সরবে পড়বে।


কোরাস: 


কোরাস বা বৃন্দ আবৃত্তিতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের মাধ্যমে অংশ নেয়। শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে কবিতার স্তবকের সংখ্যা অনুযায়ী দলে ভাগ করবেন। একজন শিক্ষার্থীকে কবিতা ও কবির নাম ঘোষণা করতে বলবেন। এবার একেকটি দলকে একটি করে স্তবক আবৃত্তি করতে বলবেন। ১ম দল ১ম স্তবক, ২য় দল ২য় স্তবক, এভাবে পর্যায়ক্রমে সব দল পুরো কবিতাটি আবৃত্তি করবে। দলীয়ভাবে আবৃত্তি করে নিজেদের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয় তৈরি হয়। যেসব শিক্ষার্থীরা একটু পিছিয়ে পড়া বা সহজে অংশ নিতে চায় না বা এককভাবে আবৃত্তি করতে ভয় পায়, সবার সাথে একসাথে চর্চা করে বলে ধীরে ধীরে তাদের জড়তা কাটে এবং ক্রমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। সবাই অংশ নেয়ার সুযোগ পায়।

মন্তব্য করুন