Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৫:৫১ অপরাহ্ণ

অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে কবিতা পাঠদান ৪

• চক বোর্ড সারসংক্ষেপ : পুরো পাঠের মূল শব্দগুলো শিক্ষার্থীদেরকে দিয়ে নির্বাচন করে সাথে সাথে পরিকল্পনামত ধারাবাহিক ভাবে বোর্ডে লিখা। 


• তালিকা প্রস্তুতকরণ : পাঠের বিভিন্ন দিক সংশ্লিষ্ট উপ দিকগুলো তালিকা আকারে লিখতে বলা।


• শ্রেণীকরণ : এলোমেলোভাবে মিশ্রিত অনেকগুলো তথ্যকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের আলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে সাজাতে বলা। 


• ত্রুটি সনাক্তকরণ : পাঠ সংশ্লিষ্ট অথচ ভুল তথ্য সন্নিবেশিত সরবরাহকৃত অনুচ্ছেদ পড়ে তা সংশোধন করানো। 


• মূলভাব আলোচনা : শিক্ষক 'জেনে নিই' অংশ থেকে সাহায্য নিয়ে পুরো কবিতার মূলভাব শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে বুঝিয়ে দিবেন। তারপর ২/৩ জন শিক্ষার্থীকে সামনে এনে কবিতার মূলভাব লিখতে বলবেন। লেখা শেষে খাতা দেখে দিবেন এবং প্রয়োজনে সংশোধন করে দিবেন। 


• ছবি নিয়ে আলোচনা: কবিতা সংশ্লিষ্ট কোন ছবি দেখিয়ে কি বুঝা যায় বা কি মনে হচ্ছে ইত্যাদি আলোচনা করে পাঠে আগ্রহী করে তুলবেন। 


• বানান কৌশল ও যাচাই : কবিতার পাঠ থেকে কিছু বানান লিখতে দিয়ে তাদের মনোযোগ বৃদ্ধি করা যায়। 


• নতুন শব্দের আলোচনা: অপেক্ষাকৃত নতুন শব্দগুলো দিয়ে বাক্য তৈরি করতে দিয়ে তাদের মনোভাব ব্যক্ত করতে দেয়া যায়।


• প্রশ্নোত্তরের আলোচনা: কবিতা পাঠ শেষে পাঠ্যপুস্তকের বা কবিতা থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে দিয়ে এবং সেই প্রশ্নের উত্তর খাতায় লিখতে দিয়ে আলোচনা করা যায়।


• শ্রুতলিপি : কবিতা পাঠ শেষে শিক্ষক কবিতার কিছু অংশ পড়ে শোনাবেন আর শিক্ষার্থীরা তা শুনে লিখতে পারলো কি না তা যাচাই করবেন।


• তুলনা পদ্ধতি : পাঠ্য কবিতাটির পাশে সমান্তরালভাবে অন্য কবিতাকেও টেনে আনা হয় এবং তুলনার মাধ্যমে পাঠদান করা যায়। 


সুষ্ঠু আবৃত্তি : 


ধ্বনিই কবিতার প্রাণ। কবিতার মাঝে আছে ধ্বনি ঝংকার। এ ধ্বনি ঝংকারের জন্যই কবিতা আবৃত্তি শিল্পের পর্যায়ে অভিষিক্ত। সুষ্ঠু আবৃত্তি কবিতার বিষয়বস্তুকে উপলব্ধির স্তরে নিয়ে যায়। বাগযন্ত্রের আড়ষ্টতা দূর করে এবং মনে সৃষ্টির আনন্দ ছড়িয়ে দেয়। তাই কবিতা পঠন পাঠনে আবৃত্তি যাতে আদর্শ মানের হয় সেদিকে শিক্ষককে খেয়াল করতে হবে। 


স্বাদনা পদ্ধতি : 


স্বাদনা পদ্ধতিকে ভাব ও রস উপলব্ধি বলে। সব কবিতায় কোন না কোন ভাব সংঞ্জাত।আর এই ভাবের চরমতায় পাঠক যখন পৌছে যায় তখনই তার মন আপ্লুত হয়ে যায় রসে। কিন্তু সচেতন না হলে শিক্ষার্থীদের এই ভাবের দুয়ার উন্মুক্ত হবে না ফলে রসের অনুভূতি সঞ্চারিত হবে না। তাই শিক্ষককে এই ভাবের দুয়ার পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে।

মন্তব্য করুন