Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৫:১৪ অপরাহ্ণ

পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যাত্রা শুরু করে ষাটের দশকে। তবে সত্তরের দশকের শেষের দিকে রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে এই শিল্পের উন্নয়ন ঘটতে থাকে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত। ২০২১-২২ অর্থবছরে শুধুমাত্র তৈরি পোশাক শিল্প থেকে রপ্তানির পরিমাণ ৪২.৬১৩ বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৮১.৮১ ভাগ। বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ২য় এবং শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন।ডব্লিউটিও'র বর্তমান বৈশ্বিক হিসেবে মোট পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দখলে ৬.৪ শতাংশ হিস্যা।


বাংলাদেশ প্রধানত কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানী করে থাকে যাতে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের হার খুবই কম। বিংশ শতাব্দীর শেষ অবধি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রধানত উত্তর আমেরিকা ও ইয়োরোপে রপ্তানি হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর প্রথম থেকেই, বিশেষ করে ২০০৫-এ কোটা পদ্ধতি উঠে যাওয়ায় বাংলাদেশী উদ্যোক্তরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও তৈরি পোশাক রপ্তানীর চেষ্টা চালাতে থাকে এবং সফলতা আসতে থাকে।


২০০৫ পর্যন্ত কোটা প্রথার কারণে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানীর ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ভোগ করেছে। লিস্ট ডিভালপড কান্টি হিসেবে ‘রুলস অব অরিজিনের’ আওতায় বাংলাদেশী তৈরী পোশাক ইয়োরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা প্রভৃতি দেশেও শুল্কমুক্ত বা হ্রাসকৃত শুল্কে প্রবেশাধিকার লাভ করেছে।

কারখানার সংখ্যা

২০১৬ নাগাদ বাংলাদেশে রপ্তানীমুখী পোশাক শিল্পের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। প্রতি বছর যেমন শত শত নতুন কারখানা স্থাপিত হয় তেমনি শত শত কারখানা প্রতিযোগতিায় টিকতে না পেরে বন্ধ হয়ে যায়।

***ম্যাপড ইন বাংলাদেশের (এমআইবি) সর্বশেষ তথ্যানুসারে, দেশে বর্তমানে রপ্তানিমুখী ৪ হাজার ১১৪টি তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। 

****দেশে তৈরি পোশাক খাতে ৫০ লাখ ১৭ হাজার ৬৫২ জন শ্রমিক রয়েছেন।

***: বাংলাদেশের চারটি তৈরি পোশাক কারখানা পরিবেশসম্মত সবুজ কারখানা বা গ্রিন ফ্যাক্টরির সনদ পেয়েছে, যা দেশের টেকসই শিল্প প্রবৃদ্ধিতে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এতে বাংলাদেশে পরিবেশসম্মত সবুজ কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো ২২৪টি।

মন্তব্য করুন