Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০১:১১ অপরাহ্ণ

নিজে নিজে পড়তে চাই, মজার মজার বই চাই

কিছু কথা বলার ছিল যা আগে বলতে পারি নাই। জানিনা আমার এই কথাগুলো কেউ শুনবে কিনা। আগে তো চিঠি দিয়ে চাকুরীর ভয় দেখিয়ে মুখে তালা মেরে দিয়েছিল। আজ সাহস করে বলেই ফেলি। 


একটা দেশের উন্নতির জন্য শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করা একান্ত প্রয়োজন। এই বিষয়টি বুঝার জন্য রকেট বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই।  বাংলাদেশে বর্তমানে কয়েকটি শিক্ষার স্তর রয়েছে।

১। প্রাথমিক

২। নিম্নমাধ্যমিক

৩।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক

৪। উচ্চশিক্ষা।

শিক্ষার মূল চালিকা শক্তি হল উচ্চ জ্ঞান সম্পন্ন শিক্ষক। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে দেশে কেউ কোনদিন ভেবেছে বলে মনে হয় না। আমাদের দেশে আজও শিক্ষকতা ভালো পেশা এটা কেউ মানবেন কিনা জানিনা,তবে কিছু তথ্য দেই যা আপনাদেরকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।


আপনি কি জানেন প্রাথমিকের শিক্ষকেরা এখনও ৩য় শ্রেণির কর্মচারী। তাদের চাকুরী শুরু হয় ১১০০০/- বেতনে। এই বাজারে এই টাকার কিভাবে চলা যায় সে সিদ্ধান্ত আপনাদের উপরই ছেড়ে দিলাম।


এমপিও ভুক্ত স্কুল শিক্ষকের মাসিক বেতন প্রশিক্ষণ ছাড়া ১২৪০০/- আর প্রশিক্ষণ করলে ১৬০০০/- টাকা। এখানেও সেই একই প্রশ্ন রাখলাম, নিছক বিপদে না পড়লে এই পেশায় কেউ আসবে কিনা।


সরকারি হাই স্কুলের শিক্ষক গণের অবস্থাও একই। তাঁরা শুরুতে সবমিলিয়ে ২৬০০০/- মত বেতন পান সব ভাতা মিলিয়ে। 


কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ বেশি বেতন পেলেও সেখানে রয়েছে আমলাতান্ত্রিক বৈষম্য। উচ্চশিক্ষা অর্জনকালীন সময়ে কেউ ভবিষ্যতে শিক্ষক হতে চান এমন মানুষ পাওয়া দুস্কর। মেধাবীরা সব অন্য পেশায় চলে যান। তাহলে কিভাবে একটি মেধাবী জাতি তৈরি হবে? প্রশ্ন রই

মন্তব্য করুন