সহকারী শিক্ষক
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০১:৪১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বলতে পা হতে মাথা পর্যন্ত শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গর পরিচ্ছন্নতাকে বোঝায়।যারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে না তাদের শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়।তাদের নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হয়।অপরিচ্ছন্ন নোংরা মানুষকে কেউ পছন্দ করে না।তাই আমরা নিন্মোক্ত কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখব।
হাত:- সব সময় হাত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।কারণ হাত অপরিষ্কার থাকলে বিভিন্ন প্রকার রোগজীবাণু দেহে প্রবেশের সুযোগ পায়।তাই হাত ময়লা বা নোংরা হলেই সাবান,ছাই/ মাটি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।
পা:- আমাদের পা দুটো ও সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।বিশেষ করে খেলাধুলার পরে, পায়খানা বা প্রস্রাবখানা থেকে ফিরে এসে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে পা ভালোভাবে ধুয়ে মুছে ফেলতে হবে।পায়খানায় যাওয়ার আগে অবশ্যই স্যান্ডেল বা চটি ব্যবহার করতে হবে।কারণ খালি পায়ে পায়খানায় গেলে কৃমির সংক্রমণ হয়।তাই পায়ের নখ ছোট করে রাখতে হবে।
নাক:-নাক এর মাধ্যমে আমরা প্রশ্বাস গ্রহণ ও নি:শ্বাস ত্যাগ করি।বায়ু সেবন ছাড়াও নাক দিয়ে আমরা ঘ্রাণ নিয়ে থাকি।সকালে ঘুম থেকে উঠার পর, খেলাধুলা শেষে নাকের ভিতর পানি দিয়ে উত্তমরুপে ধুয়ে মুছে ফেলতে হবে।
মুখ:- সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখমণ্ডল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।দিনের বিভিন্ন রকম কাজ কর্ম ও খেলাধুলা শেষে মুখমণ্ডলে ময়লা জমে। সেজন্য দিনে কয়েকবার মুখমণ্ডল পরিষ্কার করা উচিত।পরিষ্কার না থাকলে মুখমণ্ডলে বিভিন্ন চর্মরোগ হতে পারে।
দাঁত:-দাঁত আমাদের শরীরের অমূল্য সম্পদ। দাঁত দ্বারা আমরা খাবার চিবিয়ে খাই।এতে দাঁতের ফাঁকে খাদ্য কণা লেগে থাকে।তাই প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
চোখ:- চোখ আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংগ।চোখ দিয়ে আমরা সবকিছু দেখি।সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং দিনে অন্তত কয়েকবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতেভবে।চোখে কোনো প্রকার অসুবিধা দেখা দিলেবসাথে সাথে ডাক্তারকে দেখাতে হবে।
চুল:- চুল দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। চুল পরিপাটির জন্য দিনে কমপক্ষে ৩/৪বার চিরুনি না ব্রাশ দিয়ে চুল আঁচড়াতে হবে।খুশকি বা উকুন যাতে না হয় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।সপ্তাহে কমপক্ষে একবার শ্যাম্পু বা সাবান দিয়ে চুল পরিষ্কার করতে হবে।ছেলেদের জন্য প্রতি মাসে একবার চুল কাটার পরামর্শ দিতে হবে।
৫
৫ মন্তব্য