সহকারী শিক্ষক
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০২:৩৩ অপরাহ্ণ
নড়াইলে এবারও অসময়ে তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন
এবারও নড়াইলের কালিয়ায় বর্ষাকালীন হাইব্রিড জাতের অফ সিজন তরমুজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। কম খরচে বেশি ফলন এবং দাম ভালো পাওয়ায় লাভবান তারা। এই সফলতা দেখে অসময়ের তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেকেই। কৃষি বিভাগও হাইব্রিড জাতের তরমুজ আবাদে কৃষকদের পরামর্শ, বিনা মূল্যে সার, বীজ, নগদ অর্থ দিয়ে সার্বিক সহযোগিতার কথা জানিয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, মাচায় মাচায় ঝুলছে হলুদ, কালো বিভিন্ন ধরনের তরমুজ। কালিয়া পৌরসভার ছোট কালিয়ার গোবিন্দনগর এলাকার বিলে, সালামাবাদ ইউনিয়নের ভাউরীর চর বিলে, বাওইসোনা ইউনিয়নের ডুটকুড়া বিলে এবং ভক্তডাঙ্গা বিলের অসংখ্য মাছের ঘেরের পারে বিশেষ জাতের বারোমাসি তরমুজ আবাদ হয়েছে
কৃষি অফিস ও চাষি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর নড়াইলে ২০ হেক্টর জমিতে বর্ষাকালীন তরমুজের চাষ হয়েছে। যা গত বছর থেকে বেড়েছে। কৃষক ফলন আশা করছেন হেক্টর প্রতি ১৫ টন। এসব জাতের মধ্যে এশিয়ান-২, তৃপ্তি ও ব্ল্যাক বেবি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর মধ্যে এশিয়ান-২ বাংলাদেশি জাত। এ জাতের তরমুজ দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। বিশেষ করে তৃপ্তি জাতের তরমুজ বেশি সুস্বাদু। এ তরমুজ চাষে খরচ কম, একর প্রতি মাত্র ১৫-২০ হাজার টাকা কিন্তু বিক্রি হয় দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। বাজারদরও বেশ চড়া থাকায় কৃষকও খুশি।নবগঙ্গা ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেখ কামাল হোসেন জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় খুলনার ডুমুরিয়া থেকে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে গাছবাড়িয়া বিলের ৭ একর মাছের ঘেরের পারে ১ হাজার ৪০০টি চারা রোপণ করেছেন। তার মোট খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। এবার আশা করছেন ৩ লাখ টাকা বিক্রি হবে।
১৪
২১ মন্তব্য