Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৩:০৩ অপরাহ্ণ

ফারাক্কা বাঁধ: প্রেক্ষাপট, সমস্যা ও সমাধান

### ফারাক্কা বাঁধ: প্রেক্ষাপট, সমস্যা ও সমাধান


ফারাক্কা বাঁধ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায়, গঙ্গা নদীর ওপর অবস্থিত একটি বিশাল প্রকল্প। এই বাঁধটি ভারতের ইতিহাসে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৫ সালে এই বাঁধটি নির্মিত হয়েছিল মূলত হুগলী নদীর নাব্যতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু এর প্রভাব এবং এর ফলে সৃষ্ট পানি বন্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একাধিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। 


#### ফারাক্কা বাঁধের নির্মাণের উদ্দেশ্য:

ফারাক্কা বাঁধের মূল উদ্দেশ্য ছিল হুগলী নদীকে নাব্য রাখা, যাতে কলকাতা বন্দরের কার্যক্রম সচল থাকে। কলকাতা বন্দর ঐতিহাসিকভাবে ভারতের অন্যতম প্রধান বন্দর হওয়ায়, এর কার্যকারিতা ধরে রাখা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে গঙ্গার পানি হুগলী নদীতে প্রবাহিত করা হয়, যার ফলে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পায় এবং নদী জুড়ে জমে থাকা পলি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।


#### বাংলাদেশের জন্য প্রভাব:

ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। গঙ্গার পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায়, শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানির অভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে ফসল উৎপাদন, মাছ ধরার শিল্প এবং জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও, শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি না থাকায়, বাংলাদেশের অনেক নদ-নদী শুকিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, যা জনজীবনকে কঠিন করে তুলেছে।


#### আন্তর্জাতিক পানি চুক্তি:

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিরোধ চলে আসছে। অবশেষে ১৯৯৬ সালে দুই দেশের মধ্যে একটি ৩০ বছরের পানি বন্টন চ

মন্তব্য করুন