Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:১৫ অপরাহ্ণ

মেথি ব্যবহার ও উপকারিতা

মেথি ব্যবহার উপকারিতা

মেথি (বৈজ্ঞানিক নামTrigonella foenum-graecum) একটি মৌসুমী গাছ। এর পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়। মেথি শাক গ্রাম বাংলার মানুষের প্রিয় খাদ্য। ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় বহুবিধ ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবেও এটি প্রচুর ব্যবহার হয়। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। মেথি থেকে ষ্টেরয়েডের উপাদান তৈরি হয়।

বিবরণ

মেথি একটি বর্ষজীবী গাছ। একবার মাত্র ফুল ও ফল হয়। তিনটি করে পাতা একসাথে জন্মায়। ফুলে ও তিনটা করে পাপড়ি থাকে। স্ত্রী এবং পুরুষ দুই ধরনের ফুল হয়। রঙ সাধারণত সাদা ও হলুদ হয়ে থাকে। বাদামি-হলুদ বর্ণের প্রায় চারকোনা আকৃতির বীজ হয়।

ব্যবহার

মেথির বীজ

মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্যতিনটাই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি শ্রেষ্ঠ পথ্য।

উপকারিতা

দীর্ঘদিন ধরে যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য মেথি (Fenugreek)এক ধরনের প্রাকৃতিক আশীর্বাদ স্বরুপ। এটাকে এজন্য পাওয়ারহাউজও বলা হয়ে থাকে। এটাতে থাকা বায়োএকটিভ উপাদান যেমন স্যাপোনিনস,মিউসিলেজ ইত্যাদি ছাড়াও এলকালয়েডস যৌগ রয়েছে যা খাবার ভালোভাবে ভেঙ্গে যেতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি মায়ের দুধ উৎপাদন এবং নবজাতক শিশুদের ওজন বৃদ্ধির হার বাড়াতে পারে।

(তথ্য সূত্রঃ অনলাইন ডেক্স)

বিনীত নিবেদক

মোঃ সাখাওয়াত হোসেন

প্রভাষক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,

আগানগর ডিগ্রি কলেজ,

বরুড়া, কুমিল্লা।

 

ICT4E District Ambassador at a2i (Cumilla District)

Best Content Developer at a2i. 

মন্তব্য করুন