সহকারী শিক্ষক
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
"আদিম কালের চাঁদিম হিম,তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম,
ঘনিয়ে এল ঘুমের ঘোর,গানের পালা সাঙ্গ মোর।"---সুকুমার রায়।
আজ কবি সুকুমার রায়ের ১০১-তম প্রয়াণ দিবসে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি। ( জন্মঃ ৩০ অক্টোবর, ১৮৮৭, মৃত্যুঃ ১০ সেপ্টেম্বর ১৯২৪)
বাঙালির প্রিয় আর সরস সময় সৃষ্টি করেছিলেন যে মানুষ সেই শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায়। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সুকুমার রায় মৃত্যুবরণ করেন ১৯২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। কালাজ্বরে ভুগে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মারা যান এই ক্ষণজন্মা। উল্লেখ্য যে, তিনি ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের কিশোরজঞ্জ জেলার মসুয়া গ্রামে। বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী তাঁর পিতা এবং অস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় তাঁর পুত্র। সুকুমার রায় বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ননসেন্স-এর প্রবর্তক। তিনি একাধারে শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, লেখক, ছড়াকার, নাট্যকার। তিনি একদিকে বিজ্ঞান, ফটোগ্রাফি ও মুদ্রণ প্রকৌশলে উচ্চশিক্ষা নিয়েছিলেন। অন্যদিকে ছড়া, রচনা ও ছবি আঁকায় মৌলিক প্রতিভা ও উদ্ভাবনী শক্তির পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর লেখা কবিতার বই আবোল তাবোল, গল্প হযবরল, গল্প সংকলন পাগলা দাশু, এবং নাটক চলচ্চিত্তচঞ্চরী বিশ্বসাহিত্যে সর্বযুগের সেরা "ননসেন্স" ধরণের ব্যঙ্গাত্মক শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়। সুকুমারের মা বিধুমুখী দেবী ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের মেয়ে। উপেন্দ্রকিশোরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি সুকুমারকে সরাসরি প্রভাবিত করেছিলেন। এছাড়াও রায় পরিবারের সাথে জগদীশ চন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় প্রমুখের সম্পর্ক ছিল। মৃত্যুর বহু বছর পরেও সুকুমার রায় বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম শিশুসাহিত্যিক।
(গুগল সহায়তায় সম্পাদিত)
৩
৫ মন্তব্য