সহকারী শিক্ষক
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১২:০১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগা মানুষের সংখ্যা মোটেও কম নয়। পানিশূন্যতা, ভোজ্য আঁশের অভাব, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ ইত্যাদিসহ আরও অসংখ্য কারণ আছে এই সমস্যার পেছনে। দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেটের ব্যথা উপেক্ষা করা উচিত নয়। কারণ, এগুলো ডায়াবেটিস অথবা কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য বা অনিয়মিত মলত্যাগ অস্বস্তিকর। এর ফলে ক্ষুধা হারিয়ে যায়, বমি বমি ভাব অনুভব হয়, পেটে ব্যথা হয়। অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রাথমিক কারণ। দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যর চিকিৎসা সময়মতো না করলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
আর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কারণে যখন অস্বস্তিতে ভুগছেন, তখন এমন কিছু নিশ্চয়ই করতে চাইবেন না যা সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে খাওয়া-দাওয়ায় বড়সড় একটা পরিবর্তন আনতে হয়। কারণ, এই রোগ থাকলে চাইলেও সবকিছু খাওয়া যায় না। তাতে সমস্যা দ্বিগুণ হয়। বরং এমন কিছু খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিদরা, যেগুলো পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফল ও শাকসবজি খাওয়ারও পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না, কী খাবেনআর কী খাবেন না। সম্প্রতি চিকিৎসকরা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে পেঁপে এবং কুমড়া খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এত বিকল্প থাকতে এই দুটি সবজির ওপরই কেন বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে?
১৪
২১ মন্তব্য