Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১০:৪১ অপরাহ্ণ

বন্যার সময় মানুষ যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন, প্রতিকারে যা করতে হবে

ভয়াবহ বন্যার কবলে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। নিজের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে বন্যার্ত মানুষ। ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে, ভেসে গেছে গবাদিপশু, পুকুরের মাছ। এসব ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রবল স্বাস্থ্যঝুঁকি। বন্যার কারণে মানুষের স্বাস্থ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা প্রভাব পড়ে। শুধু যে বন্যার্ত মানুষই এ ঝুঁকিতে থাকে, তা নয় বরং বন্যায় উদ্ধারকর্মী, ত্রাণকর্মী, স্বাস্থ্যসেবাদানকারীও ঝুঁকিতে থাকেন।

বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া

বন্যায় সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো পানিতে ডুবে মৃত্যু। শিশুদের ক্ষেত্রে এ হার সবচেয়ে বেশি।

আঘাত পাওয়া

বাড়িঘর বা গাছের ডালপালা ভেঙে, পাহাড়ধসে আঘাত পাওয়া বন্যার সময় খুবই সাধারণ ঘটনা।

পানিবাহিত রোগ

বন্যায় নিরাপদ পানির অভাবে অনেকেই পান ও দৈনন্দিন কাজে অনিরাপদ পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হন। আবার নর্দমা ও সুয়ারেজ লাইনের পানি উপচে নিরাপদ পানির উৎসকে দূষিত করে। ফলে পানিবাহিত রোগ যেমন ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস এ, লেপটোস্পাইরোসিস বেড়ে যায়।

মশাবাহিত রোগ

বন্যার পানি বাড়ি বা বাড়ির পেছনের বাগানে জমে পানিবাহিত রোগের পাশাপাশি মশাবাহিত রোগ যেমন ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াও বেড়ে যায়। পাশাপাশি সাপের প্রকোপ বেড়ে যায়।

ছত্রাকজাতীয় রোগ

দীর্ঘক্ষণ হাত-পা ভেজা থাকার কারণে চামড়ায় ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ হয়। আশ্রয়কেন্দ্রে একসঙ্গে অনেক মানুষ থাকায় ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ একজন থেকে অন্যজনের শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ফুসফুসে সংক্রমণ

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত ফুসফুসের সংক্রমণ এই সময়ের খুব সাধারণ একটা সমস্যা। আক্রান্ত ব্যক্তিরা কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ