সহকারী শিক্ষক
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
সবার জন্য শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের আত্মার বিকাশ ঘটায়। তবে তা সুশিক্ষা হতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুষম শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। তাহলে সমস্যা কোথায়?
আমরা কী এই কথা বুঝতে অক্ষম যে, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড? নাকি জেনেও না জানার ভান করি? নাকি চাচ্ছি না যে, বাঙালি জাতি শিক্ষিত হোক?
যদি দেশ ও জাতির মঙ্গল চাই, তাহলে সুষম শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আর এর জন্য চাই একটি বিশ্বমানের কারিকুলাম। যা আমাদের দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র, ধর্ম, সাংস্কৃতি উপর নির্ভর করে গড়ে উঠবে।
শিক্ষকদের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। কিভাবে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা মানে উন্নয়ন ঘটাবেন? শিক্ষকদের প্রাণের দাবি জাতীয়করণ। দেশের ৯৮% শিক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ছয় লক্ষ শিক্ষক কর্মচারী। স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও শিক্ষকদের জীবন মানে উন্নয়নের কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। শিক্ষাক্ষেত্রে ক্রমশ অস্থিরতা বেড়ে চলছে। এ প্রধান কারণ নানামুখী বৈষম্য। প্রাথমিক শিক্ষার সাথে মাধ্যমিক শিক্ষা ও মাধ্যমিক শিক্ষার সাথে উচ্চতর শিক্ষার ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। সবচেয়ে মজার বিষয় শিক্ষকের জন্য আজও কোন স্বতন্ত্র বেতন স্কেল নেই। তাদেরকে নাম্বারটা বেতন ভাতা দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করা হলেও বর্তমান সরকার খাওয়ার সংসারের জন্য এখন পর্যন্ত কোন ধরনের কমিশন গঠন করেনি। কেন করা হয়নি তা এখনো অজানা। অতীত ইতিহাস থেকে জানা যায় যতবারই নতুন নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে ছাড়া কেউ ইতিবাচকভাবে শিক্ষা সংস্কারের হাত দেয় নাই।
আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনলেও শিক্ষকদের ব্যাপারে নির্বিচার ছিলেন। শিক্ষকদের মনে চাপা খুব নিয়ে সুশিক্ষা দান সম্ভব নয়। সরকার ক্ষমতায় আসলে লেখাটা আশায় বুক বাধেন। এবার বুঝি তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটবে। শিক্ষকরা এখনো বিশ্বাস করেন যে বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ অক্টোবর একটা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে দীর্ঘ সময়ের লালিত স্বপ্নের সফল ঘটাবেন।
৭
৬ মন্তব্য