Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৪:৫০ অপরাহ্ণ

বিবেককে প্রশ্ন করি, মাজার ভাংগা যাবে কি না।।।

একটা পতিতালয় ভাঙ্গার সাহস হয় নাই তোমাদের,কারণ ভেঙে ফেললে যাবা কোথায়? 


একটা সিনেমা হল ভাঙ্গার ইচ্ছে হয় নাহ তোমাদের,

কেননা ওখানে মাঝে মাঝেই বিচরণ করো।


 গাজার আস্তানা ভেংগে দাও,

জুয়ার আস্তানা ভেংগে দাও। 

নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশার আস্তানা চুরমার করে দাও। 


তোমাদের সাধুবাদ জানাবো।

 মাজারে যারা সিজদা করে,পূজা করে,

তারা যেমন ভন্ড? 

তারা যতটা পাপী? 

তুমি মাজার ভাঙ্গতে আসা পন্ডিত তাদের চেয়ে কোনও অংশে কম নাহ।

 

মাজারের অর্থটাই তো তুমি বুঝো না! মাজার,কবর,মাকবারা, মুসলমানের সমাধিস্থ,মুসলমানের গোরস্থান,এগুলো সবই এক। মাজার তাকেই বলে যেখানে জিয়ারত করা হয়।


তোমার দোকানে চোর এসে চুরি করলো,

সব নষ্ট করলো,তুমি চোরকে দেখলা। 


এখন তুমি কি করবা? 

চোরের বিচার করবা? 

নাকি দোকানটা ভেঙে ফেলবা? 

চুরির যায়গা বন্ধ করবা? 

নাকি দোকানের মালিককে হত্যা করবা?


মুসল্লি সেজে নামাজ পড়তে আসা লোকটা জুতা চুরি করলো; চোরকে চুরির সাজা দিবা? 

না-কি মসজিদে হামলা করবা?


পয়েন্ট নিয়ে কথা বললে অনেক করা যাবে।


ভন্ডামির বিরুদ্ধে আমরাও কঠোর,ভন্ডের সাথে কোনও আপোষ নাই।

     শিরক বিদায়াতের সাথে কোনও আপোষ নাই।


এখন কথা হলো ভন্ডদের ঠিক না করে যদি মাজার ভাঙ্গার চুলকানি উঠে তাহলে আগে এই মাজার গুলো ভাংগো।


  (০১). ইমামে আজম আবু হানিফা (রহঃ) এর মাজার ভাংগো;

 (০২). ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) এর মাজার ভাংগো;

(০৩). ইমাম তিরমিজি (রহঃ) এর মাজার ভাংগো;

(০৪). ইমাম বুখারী (রহঃ) এর মাজার ভাংগো;

(০৫). সুলতান সালাহ উদ্দীন আইয়ূবী (রহঃ) এর মাজার ভাংগো;

(০৬). শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী (রহঃ) এর মাজার ভাংগো;

(০৭).  ইমাম তাইমিয়া (রহঃ) এর মাজার ভাংগো?


      কারণ ওনাদের মাজার আগে হইছে।


তবে সাবধান! সাবধান!! সাবধান!!! আউলিয়ায়ে কেরামের সাথে বেয়াদবী করো নাহ। 


আগে দরবেশ চিনো! দরবেশ আর ধরে বেশ এক না। সাহস আর দুঃসাহস এক না।


 দুই চারটা ভন্ড পীরকে দেখে,

সব পীর কে ভন্ড মনে করিও না। 


রশি মনে করিয়া; বিদ্যুৎ এর তার ধরিও না,

জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে।

মন্তব্য করুন