সহকারী অধ্যাপক
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৫:৩৮ অপরাহ্ণ
- পিতা-মাতাকে পেয়েও যে ব্যক্তি বেহেশত লাভ করতে পারেনি। আল-আদাবুল মুফরাদ পিতা-মাতার সাথে সদ্ধ্যবহার- পরিচ্ছেদঃ ১০-
- পিতা-মাতাকে পেয়েও যে ব্যক্তি বেহেশত লাভ করতে পারেনি।
আল-আদাবুল মুফরাদ পিতা-মাতার সাথে সদ্ধ্যবহার- পরিচ্ছেদঃ ১০-
২১। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তার নাক ধুলিমলিন হোক! তার নাক ধুলিমলিন হোক!! তার নাক ধুলিমলিন হোক!!! সাহাবাগণ বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! কার নাক? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে তাদের বৃদ্ধাবস্থায় পেলো অথচ সে দোযখে গেলো (মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ)।
بَابُ مَنْ أَدْرَكَ وَالِدَيْهِ فَلَمْ يَدْخُلِ الْجَنَّةَ
حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُهَيْلٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: رَغِمَ أَنْفُهُ، رَغِمَ أَنْفُهُ، رَغِمَ أَنْفُهُ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ مَنْ؟ قَالَ: مَنْ أَدْرَكَ وَالِدَيْهِ عِنْدَ الْكِبْرِ، أَوْ أَحَدَهُمَا، فَدَخَلَ النَّارَ.
পরিচ্ছেদঃ ১১- যে ব্যক্তি নিজ পিতা-মাতার সাথে সদাচার করে আল্লাহ তার আয়ু বৃদ্ধি করেন।
২২। মুআয (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি নিজ পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করলো তার জন্য শুভ সংবাদ। আল্লাহ তার আয়ুস্কাল বৃদ্ধি করেন (হাকিম, তাবারানী, মুসনাদ আবু ইয়ালা)।
بَابُ مَنْ بَرَّ وَالِدَيْهِ زَادَ اللَّهُ فِي عُمْرِهِ
حَدَّثَنَا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانَ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: مَنْ بَرَّ وَالِدَيْهِ طُوبَى لَهُ، زَادَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي عُمْرِهِ.
পরিচ্ছেদঃ ১২- কেউ নিজ মুশরিক পিতার জন্য যেন ক্ষমা প্রার্থনা না করে।
২৩। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণীঃ “তোমার জীবদ্দশায় তাদের কোন একজন অথবা উভয়ে বার্ধক্যে উপনীত হলে তুমি তাদের প্রতি (বিরক্তিসূচক) উহ শব্দটিও বলো না, ....যেমন তারা তোমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছে” (১৭ঃ ২৪)। উক্ত আয়াত “মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা নবী ও ঈমানদারদের জন্য শোভনীয় নয়, যদিও তারা তাদের নিকটাত্মীয় হয়, তাদের কাছে এ কথা সুস্পষ্ট হয়ে যাবার পরও যে, তারা দোযখবাসী” (৯ঃ ১১৩) এই আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে (তাবারানী, আদ-দুররুল মানসুর)।
بَابُ لاَ يَسْتَغْفِرُ لأَبِيهِ الْمُشْرِكِ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ: (إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلاَهُمَا فَلاَ تَقُلْ لَهُمَا أُفٍّ) إِلَى قَوْلِهِ: (كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا)، فَنَسَخَتْهَا الْآيَةُ فِي بَرَاءَةَ: (مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آمَنُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ وَلَوْ كَانُوا أُولِي قُرْبَى مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُمْ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ).
পরিচ্ছেদঃ ১৩– মুশরিক পিতার সাথেও সদাচার করতে হবে।
২৪। সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, আমার সম্পর্কে আল্লাহর কিতাবের চারটি আয়াত নাযিল হয়। (১) আমার মা শপথ করেন যে, আমি যতক্ষণ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ত্যাগ না করবো ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি পানাহার করবেন না। এই প্রসঙ্গে মহামহিম আল্লাহ নাযিল করেনঃ “পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করতে চাপ দেয় যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তবে তুমি তাদের আনুগত্য করবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে বসবাস করবে” (৩১ঃ ১৫)। (২) একখানি তরবারি আমার পছন্দ হলে আমি তা গ্রহণ করে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এটা দান করুন।
তখন নাযিল হলো, “লোকে আপনার নিকট যুদ্ধলব্ধ দ্রব্যসম্ভার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে” (৮ঃ ১)। (৩) আমি রোগাক্রান্ত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আমার সম্পদ বণ্টন করে দিতে চাই। আমি কি আমার অর্ধেক সম্পত্তি সম্পর্কে ওসিয়াত করবো? তিনি বলেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে এক-তৃতীয়াংশ? তিনি নিরুত্তর থাকলেন। শেষে এক-তৃতীয়াংশ ওসিয়াত করা বৈধ করা হয়। (৪) আমি কতক আনসারীর সাথে মদপান করি। তাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি উটের নীচের চোয়ালের হাড় আমার নাকের উপর ছুড়ে মারে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলে মহামহিম আল্লাহ মদ্যপান হারাম হওয়া সংক্রান্ত আয়াত (৫ঃ ৯০-৯১) নাযিল করেন (মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ, তিরমিযী, তাবারানী)।
بَابُ بِرِّ الْوَالِدِ الْمُشْرِكِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سِمَاكٌ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: نَزَلَتْ فِيَّ أَرْبَعُ آيَاتٍ مِنْ كِتَابِ اللهِ تَعَالَى: كَانَتْ أُمِّي حَلَفَتْ أَنْ لاَ تَأْكُلَ وَلاَ تَشْرَبَ حَتَّى أُفَارِقَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: (وَإِنْ جَاهَدَاكَ عَلَى أَنْ تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلاَ تُطُعْهُمَا وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا). وَالثَّانِيَةُ: أَنِّي كُنْتُ أَخَذْتُ سَيْفًا أَعْجَبَنِي، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، هَبْ لِي هَذَا، فَنَزَلَتْ: (يَسْأَلُونَكَ عَنِ الأَنْفَالِ). وَالثَّالِثَةُ: أَنِّي مَرِضْتُ فَأَتَانِي رَسُولُ
৭১
১৪৫ মন্তব্য