Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৬:৩৮ অপরাহ্ণ

বর্ষায় শিশুর পানিতো ডোবায় সতর্ক থাকা।

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোয় এটি একটি বড় সমস্যা। পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার প্রধান কারণ হলো সাঁতার না শেখা। সাধারণত ১২ থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুরা হাঁটতে শেখে এবং নতুন এই অভিজ্ঞতার পুরোটাই তারা উপভোগ করতে চায়। ফলে এই শিশুদের পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি থাকে। যা বন্যার সময় মারাত্মক আকার ধারণ করে।  তাই এসময় অভিভাবকদের আরো বেশী সচেতন থাকতে হবে। 

#করনীয়ঃ

১.দ্রুত উদ্ধার করে শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে এবং নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিতে হবে।

২.দীর্ঘদিন ধরে চলা কিছু সংস্কার যেমন শিশুকে পানি থেকে তুলে মাথায় নিয়ে ঘোরানো, পেটে চাপ দিয়ে পানি বের করা, ছাই বা লবণ দিয়ে শিশুর শরীর ঢেকে দেওয়া বা তাকে বমি করানোর চেষ্টা করানো—এসব করে সময় নষ্ট করা যাবে না। যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।


#প্রতিরোধঃ

১.সব সময় খেয়াল রাখতে হবে শিশু যেন একা একা কোনো জলাধারের কাছে না যায়।

২.বাড়ির পাশের অপ্রয়োজনীয় ডোবা বা গর্তগুলো ভরাট করা যেতে পারে, যাতে সেখানে পানি জমতে না পারে। বাড়ির পুকুরের চারপাশে বেড়া দেওয়া যেতে পারে।

৩.বাড়িতে পানিভর্তি পাত্র বা বালতি সব সময় ঢেকে রাখতে হবে।

৪.শিশুর বয়স ৫ বছর হলে তাকে সাঁতার শেখানো উচিত। এতে ঝুঁকি কমবে।

৫.শিশুকে একা পানিতে নামতে দেওয়া যাবে না।

#জরুরি যোগাযোগ ঃ

ফায়ার সার্ভিস হটলাইনঃ ১০২

জাতীয় জরুরী পরিষেবা - ৯৯৯

দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের টোল ফ্রি নম্বর - ১০৯০ 

ইউএনএইসসিআর হটলাইন (ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা) - ১৬৬৭০

মন্তব্য করুন