Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:০৮ অপরাহ্ণ

কচুরিপানার ইতিহাস জানি


কচুরিপানার ফুল সাধারনত ফোটে অক্টোবর থেকে জানুয়ারি মাসে। কচুরিপানার একটি পুষ্পবৃন্ত থেকে ৮-১৫ টি আকর্ষণীয় ছয় পাঁপড়ি বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ফুলের থোকা বের হয়। খুবই হালকা বেগুনি ছয়টি পাপড়ির মধ্যে ঠিক উপরেরটিতে ময়ূরের পালকের মত নীল রংয়ের নকশা থাকে। তার মাঝে হলুদ রঙের একটা তিলক। ফুলটিতে কোনো ঘ্রাণ না থাকলেও এর সৌন্দর্যের আকর্ষণ একেবারেই অগ্রাহ্য করার উপায় নেই। কচুরিপানা দক্ষিণ পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের প্রাদেশিক ফুল।কচুরিপানা মুক্তভাবে অবাধ ভাসমান বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় জলজ উদ্ভিদ। বায়ুকুঠুরি থাকায় কচুরিপানা খুব সহজেই পানির ওপর ভেসে থাকতে পারে। বাংলাদেশে এটি আগাছা, জন্মায় বদ্ধজলাশয়ে প্রায় সর্বত্র।

পুরু, চকচকে এবং ডিম্বাকৃতির পাতাবিশিষ্ট কচুরিপানার আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা। কচুরিপানা খুবই দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে। পৃথিবীর দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে অন্যতম হল কচুরিপানা। বর্ষাকালে এরা সবচেয়ে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পরে। এরা মাত্র দুই সপ্তাহে দ্বিগুণ হয়ে যায়। এদের বীজ ৩০ বছর পরেও অঙ্কুরোদগম ঘটাতে পারে। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে একটিমাত্র উদ্ভিদ মাত্র পঞ্চাশ দিনে তিন হাজারের বেশি সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে। বিভিন্ন প্রজাতির জলচর পাখি এদের বীজ বিস্তারে সাহায্য করে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ