সহকারী শিক্ষক
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৯:২০ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
'ক্যান্সার' জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে বেশ কিছু গবেষণায় শুধুমাত্র মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর শনাক্তের উপায় সম্পর্কে জানা গিয়েছিল।
সংগৃহীত ছবিআজকাল আমরা অনেকটাই ডিজিটাল স্ক্রিন নির্ভর হয়ে পড়েছি। পড়াশোনা, কর্মক্ষেত্র বা অবসর যেখানেই যাই সেখানেই অধিকাংশ সময় আমাদের চোখ ডিজিটাল স্ক্রিনে পড়ে থাকে। এই ডিজিটাল স্ক্রিন আমাদের দৃষ্টিশক্তির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে খাদ্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
যে চোখ দিয়ে রঙিন এই পৃথিবী দেখতে পান, তার খেয়াল রাখা জরুরি। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু খাবার সম্পর্কে, যেগুলো খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকবে।
গাজর
সুস্বাদু একটি সবজি গাজর। এটি মূলত কাঁচাই খাওয়া হয়। এটি বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ, যা শরীর ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত করে। এটি রেটিনার স্বাস্থ্য এবং কম আলোর দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।
ভিটামিন এ-এর ঘাটতি রাতকানা ও শুষ্ক চোখের কারণ হতে পারে। নিয়মিত গাজর খেলে তা চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করবে।পালং শাক
পালং শাকে রয়েছে লুটেইন ও জেক্সানথিন, ক্যারোটিনয়েড নামে পরিচিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্ষতিকারক আলো ও অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রেটিনাকে রক্ষা করার জন্য এই পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেইসঙ্গে এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা ছানি ও ম্যাকুলার অবক্ষয়ের ঝুঁকি কমিয়ে চোখের স্বাস্থ্যকে আরো ভালো রাখে।
মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু বিটা-ক্যারোটিনের আরেকটি চমৎকার উৎস। এতে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা চোখের প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। এই পুষ্টির সংমিশ্রণ কর্নিয়ার স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে, শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে।
বাদাম ও বীজ
বাদাম ও বীজ যেমন বাদাম, আখরোট, চিয়া বীজ ও ফ্ল্যাক্সসিড ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চমৎকার উৎস। সেইসঙ্গে এতে আরো থাকে ভিটামিন ই। ওমেগা-৩ রেটিনার গঠনগত অখণ্ডতা বজায় রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে ভিটামিন ই একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা চোখের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। আপনার খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ যোগ করুন।
ডিম
ডিম চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী পুষ্টির একটি পাওয়ার হাউস। এতে প্রচুর লুটেইন ও জেক্সানথিন রয়েছে, যা ক্ষতিকারক নীল আলো ফিল্টার করতে এবং রেটিনাকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। ডিমও জিঙ্ক সরবরাহ করে, যা রেটিনার স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কমলা
কমলা ও অন্যান্য সাইট্রাস ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক। ভিটামিন সি চোখের ছানির বিকাশ প্রতিরোধ করে এবং চোখের রক্তনালী ভালো রাখে। এটি চোখ সহ টিস্যুর মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণেও অবদান রাখে। নিয়মিত কমলা ও অন্যান্য সাইট্রাস ফল খাওয়ার অভ্যাস এই প্রয়োজনীয় ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে এবং চোখ ভালো রাখে।
সংগৃহীত ছবিসুস্থ থাকার ক্ষেত্রে সকালের খাবার বেশ গুরুত্ব রাখে। সারারাত পেট খালি থাকার পর সকালে এমন কিছু খেতে হয় যা সারাদিন ফিট থাকতে সাহায্য করে। তার মানে এই নয় যে সকালের নাশতায় ভারী খাবার রাখতে হবে। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খেয়ে যদি কিছুক্ষণ পর ভালো কিছু খান তাহলে বিপাকহার ভালো হবে।
আমলকী
এটি এমন একটি ফল যাতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। খালি পেটে আমলকীর রস খেতে পারলে চুল ও ত্বক সবই ভালো থাকবে।
আমলকী খুব টক হওয়ায় অনেকে সিদ্ধ করে ভাতে মেখে খান। কিন্তু এতে সব পুষ্টিগুণ চলে যায়।
তার চেয়ে এটি কাঁচা খাওয়াই ভালো। খালি পেটে খেতে পারলে আরো উপকারী।পেঁপে
কাঁচা পেঁপের রস করে খাওয়ার যেমন গুণ রয়েছে, তেমনি পাকা পেঁপে খাওয়ারও অনেক সুফল রয়েছে। ঘুম থেকে উঠে যদি খালি পেটে পেঁপে খেতে পারেন তাহলে রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
পেঁপেতে ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই কম থাকে।
খেজুর
শরীরের জন্য কাঠবাদাম উপকারী, এটা সবার জানা। একইভাবে খেজুরও উপকার করে। সারারাত খেজুর ভিজিয়ে যদি সকালে খালি পেটে খান তাহলে অনেক উপকার পাবেন। খেজুরে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমায় এবং হজমশক্তি বাড়ায়। বিশেষ করে বর্ষায় যারা মাঝেমাঝেই ডায়রিয়া বা বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন, তারা রোজ নিয়ম করে খেজুর খান। উপকার মিলবে।
সংগৃহীত ছবিচুলের জন্য উপকারী খাবার খাওয়ার পাশাপাশি আরেকটি দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর সেটি হলো চুলের ক্ষতি করতে পারে এমন সব খাবার বাদ দেওয়া বা এড়িয়ে যাওয়া। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আপনার চুলের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। সেসব খাবার খেলে চুল শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
আজকের প্রতিবেদনে জানাব সেসব খাদ্যের কথা, যেগুলো খেলে চুলের ক্ষতি তো হবেই সেইসঙ্গে বেড়ে যাবে চুল পড়া। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেসব খাবার সম্পর্কে।
পরিশোধিত চিনি
পরিশোধিত চিনি হলো আমাদের খাওয়া খাবারের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ জিনিস। এটি কেবল স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যারই সৃষ্টি করে না, আমাদের চুলেরও ক্ষতি করে। এর কারণ হলো, চিনি খাওয়ার ফলে রক্ত সঞ্চালন খারাপ হয়। চুলে এর প্রবাহকে প্রভাবিত করে এবং পুষ্টির শোষণ ব্যাহত হয়।
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য
আপনি যদি স্বাস্থ্যকর চুল চান তবে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব খাবারে উপস্থিত ট্রান্স ফ্যাট চুলের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যার ফলে চুল আরো দুর্বল হয়ে যায়। এটি ঘটলে তা মেলানিনের উৎপাদনকে সরাসরি প্রভাবিত করে। মেলানিন হলো স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য প্রয়োজনীয় একটি রঙ্গক।
ফাস্টফুড
ফাস্টফুডে থাকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট। এতে পুষ্টির পরিমাণও থাকে কম। তাই এ ধরনের খাবার চুলের স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যে কারণে চুলের বৃদ্ধিও থমকে যায়।
কাঁচা ডিমের সাদা অংশ
কাঁচা ডিমের সাদা অংশও আপনার চুলের জন্য খারাপ হতে পারে। কারণ কাঁচা ডিম বায়োটিনের অভাব সৃষ্টি করতে পারে। বায়োটিন হলো একটি ভিটামিন যা কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। সুতরাং, ডিম আপনার ডায়েটে একটি চমৎকার সংযোজন হলেও, নিশ্চিত করুন যে আপনি কাঁচা ডিমের সাদা অংশ খাচ্ছেন না।
ক্যাফেইন
অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। ফলে স্ক্যাল্পেও এর প্রভাব পড়ে এবং চুল ঝরতে পারে। তাই ক্যাফেইনযুক্ত খাবার গ্রহণের পরিমাণ পরিমিত করুন।
এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চললে চুল ভালো রাখা সহজ হবে। সব ধরনের ভাজাপোড়া খাবার যতটা সম্ভব কম খাবেন। এর পরিবর্তে তাজা ফল ও শাক-সবজি বেশি করে খাবেন। নিয়মিত বাদাম খেলেও চুল সুন্দর থাকে। পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। এর পাশাপাশি চুলের যত্নে নিয়মিত তেল ও হেয়ারপ্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। এভাবে যত্ন নিলে চুল থাকবে সুন্দর ও ঝলমলে।
সংগৃহীত ছবিসবাই চায় তাদের প্রতিটি সম্পর্ক ভালো থাকুক। সেটি হোক বন্ধুত্ব, প্রেম, পারিবারিক বা যেকোনো। ঝগড়া, গালি দেওয়া, মিথ্যা বলা, ঠকানো- এই ধরনের বিষয়গুলো সম্পর্ক নষ্ট করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট। এসব ছাড়াও কিছু বিষয় থাকে, যেগুলো সম্পর্কে বাজে প্রভাব ফেলে।
আজকের প্রতিবেদনে অন্য কোনো সম্পর্ক নয়, স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কে যেসব বিষয় বাজে প্রভাব ফেলে সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। চলুন, তাহলে জেনে নিই কী কারণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে বাজে প্রভাব পড়ে।
সঙ্গীর আগ্রহের বিষয়ে গুরুত্ব না দেওয়া
একজনের মাংস পছন্দ বলে অন্যকেও মাংস খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই, বা একই রকম গান দুজনের ভালো না-ও লাগতে পারে।
এ বিষয়ে মার্কিন পারিবারিক পরামর্শক অ্যাবিগেইল মেইকপিস হাফপোস্ট ডটকম’-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
সেখানে তিনি বলেন, কোনো পছন্দের গান সঙ্গী শোনাতে চাইল, কিন্তু আপনি তখন সেটা শুনতে চাইলেন না বা কাজ আছে পরে শুনবেন বলে এড়িয়ে গেলেন। এই ধরনের ব্যবহার সঙ্গীর মনে বাজে প্রভাব ফেলে। এ ক্ষেত্রে গানটা আপনাকে উপভোগ করতে হবে না। বরং কিছু সময়ের জন্য শুনে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেই বরং সঙ্গীকে সঙ্গ দেওয়া হবে।ছোটখাটো বিষয়ে ধন্যবাদ না দেওয়া
বিশেষ দিনে হয়তো উপহার দিচ্ছেন, তবে নিত্যদিনের অনেক কাজ সঙ্গী করে যাচ্ছে সেগুলোর ব্যাপারে কিছু বলা হচ্ছে না।
একই প্রতিবেদনে নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ার মনোবিজ্ঞানি নিকোল সনডার্স বলেন, ভালো সম্পর্ক বড় কোনো বিষয়ের ওপর নয় বরং নিত্যদিনের ছোট ছোট ঘটনার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে। তাই রান্না করে খাওয়ানো কিংবা কোনো জিনিস হাতের কাছে এনে দেওয়ার মতো ঘটনায় সঙ্গীকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
সমালোচনা করা
সম্পর্কে সমালোচনা হলো অভিযোগ করা। ধরা যাক, আপনি বলে উঠলেন- খাবার সময়ে আসতে সব সময় দেরি করো। সময়মতো আসতে তোমার কী হয়? এ রকম করলে সঙ্গী আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করবে। তখন আর সুস্থ সম্পর্ক বজায় থাকবে না। তাই সমালোচনার পরিবর্তে ইতিবাচক উপায়ে জিজ্ঞেস করা হবে স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষণ।
মেইকপিস বলেন, সঙ্গীর সমালোচনা না করে নির্দিষ্ট বিষয়ে জানতে চাওয়া বা অনুরোধ করা হলো ভালো সম্পর্কের ভিত্তি। আর সেটা বিরক্ত হয়ে নয় বরং ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে করতে হবে।
সম্পর্কের বাইরে অন্য কোনো জীবন
যেকোনো সম্পর্কের শুরুতে দুজন দুজনকে ছাড়া থাকতে না পারাকে বলা হচ্ছে হানিমুন পিরিয়ড। তবে কিছুদিন পরও যদি বন্ধু, পরিবার সব বাদ দিয়ে শুধু সঙ্গীর দিকেই নজর থাকে তবে বিষয়টা বাজে হয়ে যায়। যখন দম্পতিরা নিজের অতি মাত্রায় কাছাকাছি রাখতে চায় তখন সম্পর্কে এক ধরনের চাপ তৈরি হয় বলে মনে করেন সনডার্স।
তার কথায়, যেকোনো মূল্যে সম্পর্ক চালিয়ে গেলে সঙ্গী যেমন দম ফেলতে পারে না, তেমনি নিজের ওপরেও চাপ পড়তে থাকে। কিছু সময় নিজের মতো থাকা গুরুত্বপূর্ণ। সেটা হতে পারে যার যার বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে বা নিজের মতো সময় কাটানো।
অনুমতি ছাড়া সঙ্গীর ফোন দেখা
চুপিচুপি সঙ্গীর মোবাইল নিয়ে ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে ঢোকার মানে হলো তার ব্যক্তিগত গণ্ডি লঙ্ঘন করা। সেই সঙ্গে প্রমাণ হয় সঙ্গীর ওপর অনাস্থা। মেইকপিস বলেন, ফোন পরখ করার মাধ্যমে সঙ্গীর বিশ্বস্ততা যাচাই করতে যাওয়ার মানে হলো সম্পর্কে আস্থার অভাব রয়েছে। এখানে সন্দেহ বা অসততার কোনো বিষয় নয়, প্রত্যেক সম্পর্কের মধ্যেই ব্যক্তিগত বিষয় থাকে। যেমন- সঙ্গীর বন্ধুদের সঙ্গে ‘চ্যাট গ্রুপ’য়ের কথাবার্তা পড়ার বা জানতে চাওয়ার কোনো মানে নেই। যদি একই বন্ধুমহলের মধ্যে থাকে সব কিছু তবে অন্য কথা- ব্যাখ্যা করেন মেইকপিস।
প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করা
যেকোনো সম্পর্কে কথা দিয়ে কথা রাখা হলো বিশ্বাসের সরল ভিত্তি। আর রোমান্টিক সম্পর্কে এটা বেশি জরুরি। তবে বেশির ভাগ সময় অভ্যাস মতো কথা দেওয়া আর সেটা রাখতে না পারলে সম্পর্কেল ভিত্তিতে চিড় ধরতে বাধ্য। আর এখানে যে বড় বড় বিষয় আসবে তা নয়, ছোটখাটো বিষয়গুলোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। যেমন- রান্নাঘরের ময়লা ফেলা, বাসা পরিষ্কার, বিছানাটা একটু গুছিয়ে রাখা- এই ধরনের বিষয়গুলো নিজের করার সম্মতি দিয়েও না করার মানে হলো প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করা। এগুলো সম্পর্কে অসন্তোষ তৈরি করে বলে মন্তব্য করেন জ্যাক ব্রিটেল।
মেইকপিস বলেন, তাই কোনো কাজ করতে না পরলে মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে, কেন করতে পারবেন না সে বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়াই হবে যুক্তিযুক্ত ব্যবহার।
৫৩
৯১ মন্তব্য