Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৯:২২ অপরাহ্ণ

তিনি এমন শুভ্ৰ-উজ্জ্বল, যে তাঁর মুখমণ্ডলের দোহাই দিয়ে মেঘের কাছে বৃষ্টি কামনা করা হয়। তিনি ইয়াতীমদের আশ্রয়স্থল এবং বিধবাদের রক্ষক।”

 

তিনি এমন শুভ্ৰ-উজ্জ্বল, যে তাঁর মুখমণ্ডলের দোহাই দিয়ে মেঘের কাছে বৃষ্টি কামনা করা হয়। তিনি ইয়াতীমদের আশ্রয়স্থল এবং বিধবাদের রক্ষক।”

মুসনাদে আহমাদ মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)

[আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

২৬। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আবু বাকর (রাঃ) যখন মৃত্য শয্যায়, তখন তিনি (আয়িশা) নিম্নোক্ত কবিতা পাঠ করে আবু বাকরের উদাহরণ পেশ করলেন:

وَأَبْيَضَ يُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ ... رَبِيعُ الْيَتَامَى عِصْمَةٌ لِلْأَرَامِل

তিনি এমন শুভ্ৰ-উজ্জ্বল, যে তাঁর মুখমণ্ডলের দোহাই দিয়ে মেঘের কাছে বৃষ্টি কামনা করা হয়। তিনি ইয়াতীমদের আশ্রয়স্থল এবং বিধবাদের রক্ষক।”

এ কথা শুনেই আবু বাকর (রাঃ) বলে উঠলেন, “আল্লাহর কসম! এই পংক্তিতে যার উদাহরণ পেশ করা হয়েছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আর কেউ নন।”

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى وَعَفَّانُ، قََالَا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّهَا تَمَثَّلَتْ بِهَذَا الْبَيْتِ وَأَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ يَقْضِي [البحر الطويل] : وَأَبْيَضَ يُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ ... رَبِيعُ الْيَتَامَى عِصْمَةٌ لِلْأَرَامِل فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: ذَاكَ وَاللهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حدثنا حسن بن موسى وعفان، قالا: حدثنا حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن القاسم بن محمد عن عاىشة: انها تمثلت بهذا البيت وابو بكر رضي الله عنه يقضي [البحر الطويل] : وابيض يستسقى الغمام بوجهه ... ربيع اليتامى عصمة للارامل فقال ابو بكر رضي الله عنه: ذاك والله رسول الله صلى الله عليه وسلم اسناده ضعيف لضعف علي بن زيد - وهو ابن جدعان واخرجه ابن ابي شيبة 8 / 714 و12 / 20، والمروزي (39) من طريق يزيد بن هارون، والبزار (58) من طريق سليمان بن حرب، كلاهما عن حماد بن سلمة، بهذا الاسناد واخرج البخاري في " صحيحه " (1008) من حديث عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن ابيه قال: سمعت ابن عمر يتمثل بشعر ابي طالب وابيض يستسقى الغمام بوجهه ... ثمال اليتامى عصمة للارام وقال عمر بن حمزة: حدثنا سالم، عن ابيه: ربما ذكرت قول الشاعر، وانا انظر الى وجه النبي صلى الله عليه وسلم يستسقي فما ينزل حتى يجيش كل ميزاب وابيض يستسقى الغمام وطريق عمر بن حمزة هذه المعلقة وصلها احمد (5673) ، وابن ماجه (1272) من رواية ابي عقيل عبد الله بن عقيل الثقفي عنه وعمر بن حمزة: هو ابن عبد الله بن عمر بن الخطاب، فيه ضعف خفيف وهو ممن يكتب حديثه،

২৭। ইবনে জুরাইজ বলেনঃ আমার পিতা জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর সাহাবায়ে কিরাম তাঁর কবর কোথায় খোঁড়া হবে তা কিছুতেই স্থির করতে পারছিলেন না। অবশেষে যখন আবু বাকর (রাঃ) বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোন নবীকেই কখনো যেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন সেখানে ছাড়া কবর দেয়া হয়না, তখন তাঁর বিছানা সরানো হলো এবং বিছানার নিচে তাঁর কবর খোঁড়া হলো।

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي: أَنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَدْرُوا أَيْنَ يَقْبُرُونَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حَتَّى قَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " لَنْ يُقْبَرَ نَبِيٌّ إِلَّا حَيْثُ يَمُوتُ ". فَأَخَّرُوا فِرَاشَهُ، وَحَفَرُوا لَهُ تَحْتَ فِرَاشِهِ

[৮। আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) বলেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছিলেন আমাকে এমন একটি দু’আ শিখিয়ে দিন, যা দ্বারা আমি নামাযের মধ্যে দু’আ করতে পারি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই দু’আটি পড়ঃ

اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْنِي، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

অর্থাৎ হে আল্লাহ, আমি নিজের ওপর অনেক অত্যাচার করেছি। তুমি তোমার পক্ষ হতে আমার গুনাহ মাফ করে দাও এবং আমার প্রতি করুণা কর। নিশ্চয়ই তুমিই ক্ষমাশীল ও দয়াশীল”। (হাদীস নং ২৮ দ্রষ্টব্য) অন্য বর্ণনায় “অনেক অত্যাচার” এর পরিবর্তে “বিরাট অত্যাচার” বলা হয়েছে।]

পরিচ্ছেদঃ

২৯। হাদীস নং ১ দ্রষ্টব্য (এ হাদীসটিতে অন্যায়ের প্রতিরোধের পরিবর্তে ’অত্যাচারীর প্রতিরোধ’ উল্লেখ করা হয়েছে।)

[১। আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বলেনঃ আমাকে আমার পিতা আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ তদীয় পুস্তক থেকে জানিয়েছেন এবং বলেছেনঃ আমাকে আবদুল্লাহ বিন নুমায়ের বলেছেন, আমাকে ইসমাঈল (অর্থাৎ খালিদের পিতা) কায়েস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একদিন আবু বাকর (রাঃ) জনসমক্ষে দাঁড়ালেন, আল্লাহর প্রশংসা করলেন, অতঃপর বললেনঃ হে জনগণ! তোমাদের মধ্যে যে কোন ব্যক্তি এ আয়াত পাঠ করে থাকেঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ

অর্থাৎ “হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের ব্যাপারে সাবধান হও। তোমরা নিজেরা যখন হিদায়াত লাভ করবে (সৎপথে চলবে) তখন যে ব্যক্তি বিপথগামী হয়েছে, সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না”(মায়েদাঃ ১০৫)

কিন্তু আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ “লোকেরা যখন অন্যায় সংঘটিত হতে দেখবে, অথচ তার প্রতিরোধ করবে না, তখন অচিরেই আল্লাহ্ তাদের ওপর সর্বব্যাপী আযাব নাযিল করবেন।” (অর্থাৎ অন্যায়কারী ও অন্যায় সহ্যকারী-সকলেই সেই আযাবে নিপতিত হবে।)]

 

[১৩। আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন কৃপণ, ছদ্মবেশধারী ধোঁকাবাজ, খিয়ানতকারী ও অসচ্চরিত্র ব্যক্তি জান্নাতে যেতে পারবে না। সর্বপ্রথম যারা জান্নাতের দরজার কড়া নাড়বে তারা হবে দাসদাসী যদি তারা আল্লাহর সাথে ও তাদের মনিবের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করে।]

পরিচ্ছেদঃ

[১৩। আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন কৃপণ, ছদ্মবেশধারী ধোঁকাবাজ, খিয়ানতকারী ও অসচ্চরিত্র ব্যক্তি জান্নাতে যেতে পারবে না। সর্বপ্রথম যারা জান্নাতের দরজার কড়া নাড়বে তারা হবে দাসদাসী যদি তারা আল্লাহর সাথে ও তাদের মনিবের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করে।]

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ