Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:০৫ পূর্বাহ্ণ

কবি দীনেশ দাস এঁর ১১২-তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কবি দীনেশ দাস এঁর ১১২-তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি। 


দীনেশ দাস ছিলেন একজন বাঙালি কবি। আদিগঙ্গার তীরে আলিপুরের চেতলা অঞ্চলে মামাবাড়িতে দীনেশ দাসের জন্ম ১৯১৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। বাবার নাম হৃষিকেশ দাস, মা কাত্যায়নী দেবী। তিন ভাই ও এক বোন। সপ্তম শ্রেণিতে পড়বার সময়ে, বারো বছর বয়স থেকে দীনেশ দাস ছড়া লিখতে শুরু করেন। নবম শ্রেণিতে পড়বার সময়ে ১৫ বছর বয়সে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পাশাপাশি ১৯৩০ সালে দীনেশ দাস ম্যাট্রিক ও ১৯৩২ সালে আইএ পাস করেন। এরপর ১৯৩৩-৩৪ সালে স্কটিশ চার্চ কলেজে বিএ ক্লাসে ভর্তি হন। যদিও বিপ্লবী সমিতির কাজ ও কাব্যসাহিত্য চর্চার চাপে বিএ পরীক্ষা দেওয়া হয় না। পরে নতুন করে কলেজে ভর্তি হয়ে ১৯৩৮ সালে বিএ পাস করেন।  ১৯৩৪ সালে দীনেশ দাসের প্রথম কবিতা ‘শ্রাবণে’ দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯৩৫ সালে কার্শিয়াংয়ের খয়াবাড়ি চা বাগানে চাকরিতে যোগ দেন। এক বছরের মাথায় ১৯৩৬ সালে কলকাতা ফিরে আসেন। কলকাতায় ফিরে ‘প্রথমবৃষ্টির ফোঁটা’, ‘মৌমাছি’, ‘নখ’, ‘হাই’, ‘চায়ের কাপে’সহ একে একে নানা কবিতা লিখতে থাকেন। তখনও তার কোনো কবিতা সংকলন প্রকাশিত না হওয়া সত্তে¡ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘বাংলা কাব্য পরিচয়’ সংকলন গ্রন্থে ‘মৌমাছি’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কেবলমাত্র শ্রমিক, কৃষক ও সকল মেহনতি জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ জয়ী হতে পারে এই বিশ্বাস থেকে ১৯৩৭ সালে দীনেশ দাস রচনা করেন ‘কাস্তে’ কবিতাটি। ব্রিটিশ সরকারকে ধোঁকা দিতে পরিকল্পিতভাবে হাতুড়ি শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। তা সত্তে¡ও সরকারের ভয়ে এক বছর ‘কাস্তে’ ছাপার মুখ দেখেনি। ১৯৩৮ সালে কবিবন্ধু অরুণ মিত্রের সৌজন্যে তা আনন্দবাজার শারদীয়ায় প্রকাশিত হয়। পুলিশ তার বাসস্থান তল্লাশি করে এবং তাকে লর্ড সিন‌হা রোডে আটকে রাখা হয়। ১৯৮২ সালে তিনি রবীন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ১৯৮৫ সালের ১৩ মার্চ কবি দীনেশ দাস গোপালনগরে শেষ নিঃশ্বাস  ত্যাগ করেন।


( গুগল সহায়তায় সম্পাদিত)

মন্তব্য করুন

ব্লগ