Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ

ঈদে মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব ও তাৎপর্য

 আল্লাহ তায়ালা রাহমাতুল্লিল আলামিন হিসেবে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আঊয়াল সোমবার সুবহে সাদিকের সময়ে প্রিয় নবীজি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পৃথিবীতে শুভাগমন করেছেন, মুমিন মুসলমানদের এ আনন্দই হলো পবিত্র 'ঈদে মিলাদুন্নবী'। যে নবীজির নূরের আলোতে সারা পৃথিবী আলোকিত হয়েছিলো। তাঁর ওপরই নাযিল হয়েছিলো আসমানি গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন। তিনি এসেছেন আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়েতের আলো হয়ে। তিনি ছিলেন সত্যবাদী তথা আল আমিন। 


সাহাবি হযরত ইরবাদ ইবনে সারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তখন থেকে আমি আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও নবীকুলের সর্বশেষ নবী, যখন আদম (আঃ) মাটির সংগে মিশ্রিত ছিলেন। আমি তোমাদের আরও জানাচ্ছি যে, আমি হাবিব আমার পিতা নবী হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর দোয়ার ফসল এবং নবী হযরত ঈসা (আঃ) এর সুসংবাদ, আর আমার মাতা (আমিনার) স্বপ্ন। নবীদের মাতাগণ এভাবেই স্বপ্ন দেখতেন। রসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাতা তাঁকে প্রসবের সময় এমন এক নূর প্রকাশ পেতে দেখলেন যার আলোয় সিরিয়ার প্রাসাদগুলো দেখা যাচ্ছিল। (ইবনু হিব্বান আস সহিহ-৬৪০৪, আল মুসতাদরাক-৩৫৬৬, তাবারানি)। 


রসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি সোমবার রোজা পালনের মাধ্যমে মিলাদুন্নবী পালন করতেন। 

হযরত আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সোমবার দিন রোজা পালন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি ইউত্তরে বললেন, ' এই দিনে আমি জন্ম গ্রহণ করেছি এবং এই দিনে আমার প্রতি কোরআন অবতীর্ন হয়েছে। (মুসলিম-১১৬২)। 


মুসলিমদের মাঝে এ দিনটি বেশ উৎসবের সাথে পালন হতে দেখা যায়। এ দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরীসিম। 

মন্তব্য করুন