প্রধান শিক্ষক
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৩:০৭ পূর্বাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
১৯১০ সালে গার্লগাইড প্রতিষ্ঠিত হয়।
আমি আমার আত্মসম্মানের ওপর নির্ভর করে প্ৰতিজ্ঞা করছি যে-
1. আমি যথাসাধ্য স্ৰষ্টা ও দেশের প্ৰতি আমার কর্তব্য পালন করিব।
2.সর্বদা পরের উপকার করিব।
3. গাইডের নিয়মাবলি মানিয়া চলিব।
গাইডের জন্য ১০টি নির্দিষ্ট নিয়মাবলী আছে। সেগুলো তাদের মানতে হয় এবং নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হয়।
1. গাইডেরর আত্মমর্যাদা নির্ভরযোগ্য।
2.গাইড বিশ্বস্ত
3. গাইডের কর্তব্য নিজে কার্যোপযোগী হওয়া এবং অপরকে সাহায্য করা।
4. গাইড সকলের বন্ধু এবং গাইড মাত্রই সকলের ভগ্নি।
5. গাইড মাত্রই বিনয়ী।
6. গাইড জীবের বন্ধু।
7. গাইড আদেশ পালন করে।
8.গাইড হাসিমুখে প্রতিকূল অবস্থার মোকাবেলা করে।
9. গাইড মিতব্যয়ী।
10. গাইড কথা, কাজে ও চিন্তায় নির্মল।
গার্ল গাইডিং এর মূলমন্ত্ৰ হলোঃ সদা প্ৰস্তুত থাকা। এর অর্থ- একজন গাইড, তার মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে এমনভাবে উপযুক্ত ও উপযোগী থাকবে, যাতে করে সে, যে কোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে পারে।
সারা বিশ্বে গাইডেরর জন্য একটি অনুুমোদিত সংগীত আছে।এটি তারা তাদের নিজ নিজ অনুষ্ঠানে এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে পরিবেশন করে থাকে।
গার্ল গাইডদের পোশাক হলো কলারসহ ফুলহাতা সাদা কামিজ, সাদা পায়জামা, সাদা বেল্ট, সবুজ ওড়না ও সবুজ স্কার্ফ, সাদা কেডস। এছাড়াও তাদের চুলে সাদা ফিতা বা রাবার ব্যান্ড দিয়ে দুটি কলা বেণী বাঁধা থাকে।
৭
৬ মন্তব্য