Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৭:১৬ পূর্বাহ্ণ

পুজিবাদী অর্থব্যবস্থা অর্থনিতি পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার মূলনিতিসমুহ পর্যালচনা

পুজিবাদী অর্থব্যবস্থা 

পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার মূলনীতিসমূহ সুস্থভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে, এতে মানবতার প্রকৃত কল্যাণ সাধিত হতে পারে না। বাহ্যিক দৃষ্টিতে এর কোন নীতি কল্যাণজনক মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এর মধ্যে রয়েছে মানবতার অকল্যাণ। এ কারনেই পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম পর্যায়ে তা মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আলোরন সৃষ্টি করে বটে কিন্তু এর প্রথম অধ্যায় অতিক্রান্ত হওয়ার পরই এর অভ্যান্তরীণ ত্রুটি ও ক্ষতিকর দিকগুলি মানুষের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠে। পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার মূল কথা হচ্ছে, প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজের উপার্জিত ধনসম্পদের একচ্ছত্র মালিক। এতে অন্য কারো অধিকার নেই। নিজের উপার্জিত সম্পদ যে ভাবে ইচ্ছা ব্যয় করতে পারবে এবং ইচ্ছা করলে মওজুদদারী ও করতে পারবে। এতে প্রতিবাদ করার কারো অধিকার নেই। আর এই মতবাদের ফলে সমাজ দুই শ্রেণীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একদল লোক গোটা সমাজ ও জাতির যাবতীয় ধনসম্পদ এ উপায় উপাদান গ্রাস করে নিয়ে রাতারাতি ধনকুবের হয়ে বসে। অপরদিকে দেশের কোটি কোটি অসহয় মেহনতী মানুষ শ্রম দিয়ে কোন মতে জীবন যাপন করতে থাকে। এরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলিত সমাজে সহানুভুতি, সহমর্মিতা, মায়া-মমতা ইত্যাদি মানবীয় গুণাবলী কোনভাবেই বাকি থাকে না। পক্ষান্তরে পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার যাতাকল থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে এর প্রতিকৃয়া স্বরূপ কমিউনিজম বা সমাজতন্ত্রের উদ্ভব ঘটে। যারা এ মতবাদের আবিস্কারক ছিল তারা পুঁজিবাদী সমাজের মাযলুম-শোষিত মানুষকে এ কথা নুঝাতে চেষ্টা করে যে, ব্যক্তি মালিকানাই সর্বপ্রাকার বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এই মালিকানাকে উচ্ছেদ করতে পারলেই সকল অশান্তি এবং  শোষন ও নির্যাতনের অবসান ঘটবে। এ কারনেই সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে সর্বপ্রথম বক্তি মালিকানাকে অস্বীকার করা হয়েছে এবং উৎপাদনের সমস্ত উপায় উপাদান ও যন্ত্রপাতি জাতীয় মালিকানা বলে ঘোষণা করা হয়েছে।  

মন্তব্য করুন