Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

ভূতত্ত্ববিদ্যায় ভূ-চ্যুতি হল এক প্রকার মসৃণ ফাটল অথবা শিলার আয়তনের এমন পার্থক্য, যার দরুন শিলার দৃশ্যমান স্থানচ্যুতি হয় এবং শিলার অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে।

ভূতত্ত্ববিদ্যায় ভূ-চ্যুতি হল এক প্রকার মসৃণ ফাটল অথবা শিলার আয়তনের এমন পার্থক্য, যার দরুন শিলার দৃশ্যমান স্থানচ্যুতি হয় এবং শিলার অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে। ভূত্বকে অবস্থিত বৃহৎ চ্যুতিগুলো প্লেট টেকটোনিক বলের ক্রিয়ায় ফলে সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে প্লেটগুলোর সীমানার দিক থেকে যেমন সাবডাকশন জোন অথবা রূপান্তরিত চ্যুতি থেকে এর উৎপত্তি ঘটে। সক্রিয় চ্যুতির দ্রুত অবস্থার পরিবর্তনের দরুন নির্গত শক্তি অধিকাংশ ভূমিকম্প সৃষ্টির জন্য দায়ী। চ্যুতিরেখা হল এমন এক ধরনেত সমতল, যা ভূচ্যুতিতে সৃষ্ট ফাটলের পৃষ্ঠতলকে নির্দেশ করে। চ্যুতিচিহ্ন বা চ্যুতিরেখা হল এমন একটি স্থান যা কোন স্থানে দেখা যায় বা চিহ্নিত করা যায়। ভূ-চ্যুতি দেখানোর জন্য সাধারণত ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রে একটি চ্যুতিচিহ্ন দেওয়া হয়ে থাকে।[১][২] ভূ-চ্যুতিগুলো সাধারণত একটি এবং পরিষ্কার ফাটল রূপে বিদ্যমান থাকে না, সেজন্য ভূতত্ত্ববিদরা কোনো স্থানে চ্যুতির সমাবেশ বোঝাতে চ্যুতি এলাকা নামের শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করেন।

ভূতত্ত্ববিদ্যায় ভূ-চ্যুতি হল এক প্রকার মসৃণ ফাটল অথবা শিলার আয়তনের এমন পার্থক্য, যার দরুন শিলার দৃশ্যমান স্থানচ্যুতি হয় এবং শিলার অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে। ভূত্বকে অবস্থিত বৃহৎ চ্যুতিগুলো প্লেট টেকটোনিক বলের ক্রিয়ায় ফলে সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে প্লেটগুলোর সীমানার দিক থেকে যেমন সাবডাকশন জোন অথবা রূপান্তরিত চ্যুতি থেকে এর উৎপত্তি ঘটে। সক্রিয় চ্যুতির দ্রুত অবস্থার পরিবর্তনের দরুন নির্গত শক্তি অধিকাংশ ভূমিকম্প সৃষ্টির জন্য দায়ী।


চ্যুতিরেখা হল এমন এক ধরনেত সমতল, যা ভূচ্যুতিতে সৃষ্ট ফাটলের পৃষ্ঠতলকে নির্দেশ করে। চ্যুতিচিহ্ন বা চ্যুতিরেখা হল এমন একটি স্থান যা কোন স্থানে দেখা যায় বা চিহ্নিত করা যায়। ভূ-চ্যুতি দেখানোর জন্য সাধারণত ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রে একটি চ্যুতিচিহ্ন দেওয়া হয়ে থাকে।[][]


ভূ-চ্যুতিগুলো সাধারণত একটি এবং পরিষ্কার ফাটল রূপে বিদ্যমান থাকে না, সেজন্য ভূতত্ত্ববিদরা কোনো স্থানে চ্যুতির সমাবেশ বোঝাতে চ্যুতি এলাকা নামের শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করেন।


মন্তব্য করুন