শিক্ষণ-শিখন কার্যক্রমের আধুনিক পদ্ধতির অন্যতম হলো দলীয় কাজ। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের ঘনিষ্ঠতর ও সক্রিয় অংশগ্রহণ করানোর মাধ্যমে শিক্ষাদানকে ফলপ্রসূ করানো যায়। একক, জোড়ায় ও দলীয় কাজ আসলে একই ধারাবাহিকতায় গ্রথিত।
দলগত কাজ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য
- সমস্যা চিহ্নিত করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলভাগ করে প্রত্যেক দলের কাজ বুঝিয়ে দেয়া হয়।
- এই পদ্ধতিতে শিখনের-প্রাপ্ত ফলাফল শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের জন্য উদ্দিষ্ট উপায়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবেই সম্পর্কযুক্ত ।
- পরিব্যপক কোর্স ভিত্তিক শিখন পরিস্থিতি টেকসই ভাবে/গঠনমূলক ভাবে সামাল দিতে হলে দলগত কাজের মাধ্যমে তা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
- গভীর অথচ বিস্তৃত শিখন-উদ্যোগ দলগত কাজের কার্যকর বৈশিষ্ট্য বিশেষ।
দলীয় কাজ পদ্ধতির সুবিধা
- দলীয় কাজের পদ্ধতিতে কাজে আনন্দ আসে, দলগত সম্প্রীতি গড়ে ওঠে এবং প্রতিযোগিতার স্পৃহা তৈরি হয়, ফলে উৎকর্ষের দিকে শিক্ষার্থীরা যত্নবান হয়।
- কাজে গতি আসে। শিক্ষার মান উন্নয়নে দলগত পদ্ধতি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সুফল বয়ে আনে।
- বিষয়ের বিশ্লেষণ পুঙ্খানুপুঙ্খ করা সম্ভব হয়, ফলে শিখন শিক্ষার্থীর মনে স্থায়ী হয়।
- দ্রুত কাজ শেষ করা যায় এবং দলগত ঐক্য শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত জীবনে সংঘবদ্ধতার সোপান তৈরি করে।
- হার জিতের ভয় থাকে না, তাই শিক্ষার্থী নিঃশঙ্কোচে কাজ করতে পারে, অন্যের কাছ থেকে বিনা দ্বিধায় শিখতে পারে।
১৩
১৮ মন্তব্য