Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৭:২২ অপরাহ্ণ

শহীদ আবু সাঈদ দ্রোহ,বিপ্লব আর সাহসের প্রতিচ্ছবি।।

শহীদ আবু সাঈদ দ্রোহ,বিপ্লব আর সাহসের প্রতিচ্ছবি।। 

জুলাইয়ের ১৬ তারিখ দুপুরবেলা। কবি আল মাহমুদের কবিতার ভাষা থেকে ধার করে বললে বলতে হয় -জুলাইয়ের ষোলো তারিখ দুপুর বেলার অক্ত /বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায়? আবু সাঈদের রক্ত / হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে /সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে!' কৃষ্ণচূড়ার ডাল লাল করবার প্রত্যয় নিয়েই সম্ভবত একজন তরুণ দুই হাত প্রসারিত করে বুক টানটান হয়ে দাঁড়ালেন পুলিশের গুলির সামনে। জায়গাটা হাজারো ঐতিহ্যের প্রাচীন শহর রংপুর। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখভাগ।। 

রংপুরের বিপ্লবী নূরলদীন যেন ফিরে এলেন আরেক বিপ্লবী আবু সাঈদের মধ্য দিয়ে। দুই হাজার চব্বিশ যেন হয়ে উঠল বাংলা ১১৮৯ সন 

। কবি সৈয়দ হকের উচ্চারণের মতো শোনা গেল কোনো গগনজোঁয়ারী উচ্চারণ - ' জাগো, বাহে, কোনঠে সবাই?  এ কী আবু সাঈদেরই কন্ঠধনি?  কে হাঁকে এই লহুতে আগুন লাগানো তপ্ত শ্লোগান?  কিছুক্ষণ বাদেই গোটা দুনিয়া অবাক বিস্ময়ে টেলিভিশনের পর্দায় দেখল সে দৃশ্যটি।

চব্বিশের ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের অন্যতম মহা নায়ক সে আবু সাঈদ। রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম  ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী। এক মুহূর্ত আগেও যে ছেলেটাকে চিনতো না পৃথিবী মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে তিনিই হয়ে উঠলেন মুক্তিকামী জনতার মুক্তি আর বিজয়ের বার্তাবাহক। শহীদ আবু সাঈদরা যে দ্রোহের তপ্ত অনল জ্বালিয়ে গেলেন, তা কেবল দুই হাজার চব্বিশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।আজ থেকে শত বছর পরও তাদের নিয়ে গল্প লেখা হবে। দেশের সকল সংকটের বাঁকে বাঁকে তারা এসে দাঁড়াবেন আমাদের আশেপাশে, মিছিলে শ্লোগানে উত্তপ্ত করে তুলবেন রাজপথ।

ছাত্র সংবাদ থেকে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ