Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৭:৫৭ অপরাহ্ণ

কি আছে কলার খোসায়? আসুন জেনে নেই

কলার খোসার মধ্যে রয়েছে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় আঁশ। দ্রবণীয় আঁশ শরীরের লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, অর্থাৎ বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা আঁশ হজমে সাহায্য করে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

কলার খোসায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আর পটাশিয়াম যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং আছে দেহে শক্তি যোগানকারী ম্যাগনেশিয়াম।

এছাড়াও কলার খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, লুটেইনের মতো উপাদান যেগুলো কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ এবং চোখের ছানি প্রতিরোধ করে।

খাওয়া ছাড়াও করার খোসার অন্যান্য ব্যবহার রয়েছে।ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য

প্রাকৃতিক উপায়ে ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে কলার খোসা ব্যভহার করা যেতে পারে। কলার খোসার ভেতরের দিকটা দাঁতে কিছুক্ষণ ঘষলে হলদে ভাব দূর হয়। এছাড়াও পাকা কলার খোসা প্রতিদিন ঘষে টানা এক সপ্তাহ ব্যবহার করলে দাঁতের ব্যথা উপশম হয়।

ব্রণ এবং মুখের দাগ দূর করতে

মুখের ব্রণ দূর করতে কলার খোসা উপকারি। এর মাধ্যমে একবার সেরে গেলে ব্রণ আর ফিরে আসে না। মুখে ভালো করে ঘষে সারারাত রেখে দিলে ব্রণের সমস্যা কাটবে। পাশাপাশি মধুর সঙ্গে কলার খোসা মিশিয়ে মুখে ভালো করে ঘষলে মুখের দাগ দূর হয়। কলার খোসায় ভিটামিন এ, বি, সি, ই, পটাসিয়াম, জিংক, আয়রন এবং ম্যাঙ্গানিজ আছে। যা পুরোনো ব্রণের দাগও কমাতে পারে।

চোখের সুরক্ষা

চোখে ছানি পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে কলার খোসা। চুলকানি ও চোখের অবসাদ দূর করতে চোখের ওপর কলার খোসা মেখে নিলে তা ভাল কাজে দেয়। কেননা এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লুটিন অতিবেগুনি রশ্মির ছোবল থেকে চোখকে বাঁচায়।দাদ এবং খোসপাঁচড়ার ওষুধ

কলার খোসা দাদ এবং খোসপাঁচড়ার ওষুধ হিসেবে কাজ করে। দাদযুক্ত অংশে খোসা লাগালে চুলকানি বন্ধ হয় এবং দ্রুত দাদ সেরে যায়। ত্বকে কোথাও পাঁচড়া-জাতীয় কিছু হলে সেই জায়গায় কলার খোসা মাখলে অথবা কলার খোসা সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে সংক্রমিত জায়গা কয়েক দিন পরিষ্কার করলে উপকার পাওয়া যায়।

পোকা-মাকড়ের কামড়ে যন্ত্রণা করলে

কোনো পোকা-মাকড়ের কামড়ে যদি জ্বালা-পোড়া বা চুলকানি হয়, সে স্থানে কলার খোসা লাগালে দ্রুত এসব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মন্তব্য করুন