প্রভাষক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১১:০০ অপরাহ্ণ
সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তর।
সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তর।
এক সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে পরিবর্তন করাকে সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তর বলে।
ü যে কোন সংখ্যা পদ্ধতির দুটি অংশ রয়েছে, তা হল- পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ।
ü পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশের মাঝে দশমিক (.) চিহ্ন বসে, একে Radix point ও বলা হয়।
ü সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তরের সময় পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশকে আলাদাভবে রুপান্তর করতে হয়।
পূর্ণাংশের ক্ষেত্রে দশমিক থেকে বাইনারীতে রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো বলে তার বেস বা ভিত্তি (২) দিয়ে দশমিক পূর্ণ সংখ্যাটিকে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি (২) দিয়ে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ü ধাপ-০৩: এইভাবে (ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে ভাগ করতে থাকি যতক্ষণ না ভাগফলের ঘরে শূন্য হয়।
ü ধাপ-০৪: সংরক্ষিত ভাগশেষ গুলিকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক থেকে বাইনারীতে রুপান্তরের নিয়ম -
ü ধাপ-০১: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো বলে তার বেস বা ভিত্তি (২) দিয়ে দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যাটিকে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভগ্নাংশকে আবার বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি (২) দিয়ে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ü ধাপ-০৩: এইভাবে (ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে গুন করতে থাকি যতক্ষণ না ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য হয়।
ü ধাপ-০৪: সংরক্ষিত পূর্ণাংশ গুলিকে উপর থেকে নিচের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।
Ø (এক্ষেত্রে সাজিয়ে লেখার সময় প্রথমে পয়েন্ট দিয়ে নিতে হবে এবং ৩/৪ বার গুন করার পরেও যদি ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য না হয় সেক্ষেত্রে গুন করা বন্ধ করে দিয়ে উত্তর লিখলেই হবে)
বাইনারী থেকে দশমিকে রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: বাইনারী সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ক বা ডিজিটকে সংখ্যাটির বেস বা ভিত্তি (২) দিয়ে গুন করি এবং প্রতিটি গুনফলের মাঝে যোগ চিহ্ন দিই, (পয়েন্ট থাকলে না বসাই)।
ü ধাপ-০২: প্রতিটি ডিজিটের পজিশন সংখ্যাকে (২ এর) পাওয়ার হিসেবে বসাই।
[পূর্ন সংখ্যার ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় ০ থেকে (ডান থেকে বাম দিকে) এবং ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় -১ থেকে (বাম থেকে ডান দিকে)]
ü ধাপ-০৩: গাণিতিক হিসাবের মাধ্যমে প্রাপ্ত যোগফলই হবে নির্নেয় দশমিক সংখ্যা।
পূর্ণাংশের ক্ষেত্রে ডেসিমেল থেকে অক্টাল রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো বলে তার বেস বা ভিত্তি (৮) দিয়ে দশমিক পূর্ণ সংখ্যাটিকে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি (৮) দিয়ে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ü ধাপ-০৩: এইভাবে (ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে ভাগ করতে থাকি যতক্ষণ না ভাগফলের ঘরে শূন্য হয়।
ü ধাপ-০৪: সংরক্ষিত ভাগশেষ গুলিকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক থেকে অক্টালে রুপান্তরের নিয়ম -
ü ধাপ-০১: অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো বলে তার বেস বা ভিত্তি (৮) দিয়ে দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যাটিকে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভগ্নাংশকে আবার অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি (৮) দিয়ে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ü ধাপ-০৩: এইভাবে (ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে গুন করতে থাকি যতক্ষণ না ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য হয়।
ü ধাপ-০৪: সংরক্ষিত পূর্ণাংশ গুলিকে উপর থেকে নিচের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।
Ø (এক্ষেত্রে সাজিয়ে লেখার সময় প্রথমে পয়েন্ট দিয়ে নিতে হবে এবং ৩/৪ বার গুন করার পরেও যদি ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য না হয় সেক্ষেত্রে গুন করা বন্ধ করে দিয়ে উত্তর লিখলেই হবে)
অক্টাল থেকে দশমিকে রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ক বা ডিজিটকে সংখ্যাটির বেস বা ভিত্তি (৮) দিয়ে গুন করি এবং প্রতিটি গুনফলের মাঝে যোগ চিহ্ন দিই, (পয়েন্ট থাকলে না বসাই)।
ü ধাপ-০২: প্রতিটি ডিজিটের পজিশন সংখ্যাকে (৮ এর) পাওয়ার হিসেবে বসাই।
[পূর্ন সংখ্যার ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় ০ থেকে (ডান থেকে বাম দিকে) এবং ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় -১ থেকে (বাম থেকে ডান দিকে)]
ü ধাপ-০৩: গাণিতিক হিসাবের মাধ্যমে প্রাপ্ত যোগফলই হবে নির্নেয় দশমিক সংখ্যা।
পূর্ণাংশের ক্ষেত্রে ডেসিমেল থেকে হেক্সাডেসিমেল রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো বলে তার বেস বা ভিত্তি (১৬) দিয়ে দশমিক পূর্ণ সংখ্যাটিকে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি (১৬) দিয়ে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ü ধাপ-০৩: এইভাবে (ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে ভাগ করতে থাকি যতক্ষণ না ভাগফলের ঘরে শূন্য হয়।
ü ধাপ-০৪: সংরক্ষিত ভাগশেষ গুলিকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক থেকে হেক্সাডেসিমেল রুপান্তরের নিয়ম -
ü ধাপ-০১: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো বলে তার বেস বা ভিত্তি (১৬) দিয়ে দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যাটিকে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভগ্নাংশকে আবার হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি (১৬) দিয়ে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ü ধাপ-০৩: এইভাবে (ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে গুন করতে থাকি যতক্ষণ না ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য হয়।
ü ধাপ-০৪: সংরক্ষিত পূর্ণাংশ গুলিকে উপর থেকে নিচের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।
Ø (এক্ষেত্রে সাজিয়ে লেখার সময় প্রথমে পয়েন্ট দিয়ে নিতে হবে এবং ৩/৪ বার গুন করার পরেও যদি ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য না হয় সেক্ষেত্রে গুন করা বন্ধ করে দিয়ে উত্তর লিখলেই হবে)
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিকে রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ক বা ডিজিটকে সংখ্যাটির বেস বা ভিত্তি (১৬) দিয়ে গুন করি এবং প্রতিটি গুনফলের মাঝে যোগ চিহ্ন দিই, (পয়েন্ট থাকলে না বসাই)।
ü ধাপ-০২: প্রতিটি ডিজিটের পজিশন সংখ্যাকে (১৬ এর) পাওয়ার হিসেবে বসাই।
[পূর্ন সংখ্যার ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় ০ থেকে (ডান থেকে বাম দিকে) এবং ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় -১ থেকে (বাম থেকে ডান দিকে)]
ü ধাপ-০৩: গাণিতিক হিসাবের মাধ্যমে প্রাপ্ত যোগফলই হবে নির্নেয় দশমিক সংখ্যা।
বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে সংখ্যাটির ডান থেকে বাম দিকে ৪-বিট (হেক্সাডেসিমাল) করে গ্রুপ করে নিতে হবে।
ü ধাপ-০২: ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে বাম থেকে ডান দিকে ৪-বিট (হেক্সাডেসিমাল) করে গ্রুপ করতে হবে ।
ü ধাপ-০৩: গ্রুপ করতে বামে বিট কম পড়লে বামে এবং ডানে বিট কম পড়লে ডানে শূন্য বসিয়ে বিট পূরন করে নিতে হবে।
ü ধাপ-০৪: প্রতিটি ৪-বিট (হেক্সাডেসিমাল) গ্রুপের আলাদা ভাবে হেক্সাডেসিমাল মান লিখতে হবে।
ü ধাপ-০৫: প্রাপ্ত অক্টাল মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে বাইনারি সংখ্যাটির সমতূল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।
হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: হেক্সাডেসিমাল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের চার বিট বাইনারি মান লিখতে হবে। (বিট ফর্মুলা ব্যবহার করে)
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত বাইনারি মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাটির সমতূল্য বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
বাইনারি থেকে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে সংখ্যাটির ডান থেকে বাম দিকে ৩-বিট (অক্টাল) করে গ্রুপ করে নিতে হবে।
ü ধাপ-০২: ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে বাম থেকে ডান দিকে ৩-বিট (অক্টাল) করে গ্রুপ করতে হবে ।
ü ধাপ-০৩: গ্রুপ করতে বামে বিট কম পড়লে বামে এবং ডানে বিট কম পড়লে ডানে শূন্য বসিয়ে বিট পূরন করে নিতে হবে।
ü ধাপ-০৪: প্রতিটি ৩-বিট (অক্টাল) গ্রুপের আলাদা ভাবে অক্টাল মান লিখতে হবে।
ü প্রাপ্ত অক্টাল মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে বাইনারি সংখ্যাটির সমতূল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।
অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের তিন (৩) বিট বাইনারি মান লিখতে হবে। (বিট ফর্মুলা ব্যবহার করে)
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত বাইনারি মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে অক্টাল সংখ্যাটির সমতূল্য বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের তিন (৩) বিট বাইনারি মান লিখতে হবে। (বিট ফর্মুলা ব্যবহার করে)
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত বাইনারি মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে ৪-বিট (হেক্সাডেসিমাল) করে গ্রুপ করতে হবে ।
ü ধাপ-০৩: প্রতিটি ৪-বিট (হেক্সাডেসিমাল) গ্রুপের আলাদা ভাবে হেক্সাডেসিমাল মান লিখতে হবে।
ü ধাপ-০৪: প্রাপ্ত হেক্সাডেসিমাল মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে অক্টাল সংখ্যাটির সমতূল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।
হেক্সাডেসিমাল থেকে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তরের নিয়ম-
ü ধাপ-০১: হেক্সাডেসিমাল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের চার (৪) বিট বাইনারি মান লিখতে হবে। (বিট ফর্মুলা ব্যবহার করে)
ü ধাপ-০২: প্রাপ্ত বাইনারি মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে ৩-বিট (অক্টাল) করে গ্রুপ করতে হবে ।
ü ধাপ-০৩: প্রতিটি ৩-বিট (অক্টাল) গ্রুপের আলাদা ভাবে অক্টাল মান লিখতে হবে।
ü ধাপ-০৪: প্রাপ্ত অক্টাল মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতূল্য অক্টাল সংখ্যা পাওয়া যাবে।
৫৩
৯১ মন্তব্য